এর আগেও অন্তত শতাধিকবার একইরকম অভিজ্ঞতা হয়েছে। নম্বর লিখে পুলিশের কাছে জমা দিয়েছি। আমি নিশ্চিত, কোনও পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি। এক দুজন ট্যাক্সিচালক রিফিউজ করতেই পারেন। কিন্তু রিফিউজটাই যখন নিয়ম হয়ে দাঁড়ায়, তখন বুঝতে হবে, ট্যাক্সির ওপর প্রশাসনের ন্যূনতম নিয়ন্ত্রণটুকুও নেই। অন্তত কয়েকজনকেও যদি জরিমানা করা হত, যাত্রীদের যদি আশ্বস্ত করা হত, তাহলে এরকম অবস্থা হত না।
অনেকদিন নীরব ছিলেন নন্দ ঘোষ। চারিদিকে এত বিশ্বপাক বিশ্বকাপ আওয়াজ। তিনি ঠিক করলেন, এবার ফুটবল নিয়েই লিখবেন। রাত জেগে খেলা দেখলেন, কাগজ পড়লেন। ফেসবুকে বিশেষজ্ঞদের ভাষণ শুনলেন। লিখে ফেললেন এক কিস্তি।
বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন: এই প্রথম কোনও বাঙালি রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হতে পারেন। অন্তত সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাজ্যসভায় এই মুহূর্তে বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। এনডিএ শরিকদের ধরলেও সংখ্যায় কম পড়ে যাচ্ছে। ফলে,...
সারা জীবন রবি ঠাকুর যে কত চিঠি লিখেছেন, তার হিসেব নেই। কিছু চিঠির হয়ত নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু অনেক চিঠির কোনও কপি নেই। বুদ্ধদেব গুহর লেখার একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে এই চিঠি। চিঠিকেন্দ্রিক বেশ কিছু উপন্যাসও আছে। সেগুলি পড়তে পারেন। তাহলেই বুঝতে পারবেন চিঠির রোমাঞ্চ কতটা।
যাই বল বাপু, আমাদের সেই সময়টা অনেক ভাল ছিল। চার বছর অন্তর একবারই মারাদোনা, রোমারিওদের দেখতে পেতাম। ক্লাবের মেসি ভালো না দেশের মেসি- এই বিতর্কের সুযোগই ছিল না। যা দেখতাম তাই অমৃত।আরে বাবা কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে? আমরা কষ্ট করতাম তাই আমাদের মারাদোনা ছিল, জিকো, প্লাতিনি ছিল। তাদের পাশে তোদের এই মেসি-রোনাল্ডো-নেইমার?
বিনা লড়াইয়ে ভোটে জিতলে কী কী হয়, তার অজস্র নমুনা ছড়িয়ে আছে। চন্দননগর থেকে শুরু করে নানা জায়গায় কী হচ্ছে, খোঁজ নিন। এখনও তো বোর্ডগঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। শুরু হতে দিন। নানা জায়গায় কোচবিহার মডেল তৈরি হবে। শুধু রবিবাবু নন, আরও অনেককেই হয়ত হেনস্থার শিকার হতে হবে। লিখেছেন কৌশিক রায়।।
ট্যাক্সির ভাড়া বাড়াতেই হত। তাই এটা নিয়ে কোনও আপত্তি নেই। খুব বেশি বেড়েছে, এমনও নয়। কিন্তু কীভাবে বাড়ছে, সেই অঙ্কটা খুব জটিল। মিটারে কত উঠলে, আসলে কত হবে, চালকরাও জানেন না, যাত্রীরাও না। এত জটিল অঙ্ক কষা কি খুব জরুরি ছিল? ওপেন ফোরামে লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
ফেলে আসা দিন মানেই একটা নস্টালজিয়া। টুকরো টুকরো কত স্মৃতির ভিড়। জীবনে যত ব্যস্ততাই আসুক, সেই স্মৃতিগুলো হারিয়ে যাওয়ার নয়। ফিরে ফিরে ঠিক এসে যায়। আর একটু অবসর পেলে তো...
ফাইনালের সেই রাতটার কথা কখনই ভুলব না। একেবারে শেষপর্বে এসে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে পেনাল্টি দেওয়া হল। এডগার্ডো কোদেসাল লোকটাকে পেলে কী করতাম, কে জানে! সেনসিনি, ভয়লার, ব্রেহমে নামগুলো এখনও ভুলতে পারি না। ভুলতে পারি না মারাদোনার সেই কান্না। সুদূর এই বাংলায় বসে আমরাও যে সেদিন কেঁদেছিলাম!
কংগ্রেস যদি ১২০ ছাপিয়ে যায়, তাহলে ফেডারেল ফ্রন্ট বলে কিছু থাকবে না। একে একে বাকিরা ঝুঁকবে কং শিবিরে। তখন তাঁকেও ভিড়তে হবে।সুতরাং, যতই ফেডারেল ফ্রন্টের দামামা বাজানো হোক, ভোটের পর এসব খুঁজে পাওয়া যাবে না। হয় বিজেপি নয় কংগ্রেস, কোনও এক বন্দরে নৌকো ভেড়াতেই হবে।