ভিক্টরকে সংবর্ধনা দেবে ফব

জেলা পরিষদে বামেরা জিতেছে মাত্র একটি আসনে। উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ায়। জয়ের কাণ্ডারি আলি ইমরান (‌ভিক্টর)‌। জয়ী প্রার্থী ও ভিক্টরকে এবার সংবর্ধনা জানাবে ফরওয়ার্ড ব্লক।।

রাহুল বুঝিয়ে দিলেন, তিনি এখন যথেষ্টই পরিণত

অনেকে বলছেন, কর্নাটকে আগে জোট গড়লে ভাল হত। কিন্তু সেক্ষেত্রে অন্য ফলও হতে পারত। তখন হয়ত বিজেপি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যেত। তার চেয়ে ভোটের পর এই জোট গঠন অনেক বেশি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ক্রমশ পরিণত হচ্ছেন রাহুল গান্ধী। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

দেরিতে হলেও বুঝেছেন অঞ্জন

এই একজন কর্তার জন্য মোহনবাগান বারবার অপদস্থ হয়েছে। সবসময় সস্তা নাটক। অহেতুক ঝগড়া, অহেতুক বিকর্ত বাঁধিয়ে বারবার মোহনবাগানকে অপদস্থ করেছেন। আজ সেই দেবাশিস দত্তর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন অঞ্জন মিত্র। দেরিতে হলেও একটি সঠিক কাজ করলেন। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।

তসলিমাকে দেখে ইদ্রিশরা কিছুই শিখবেন না

মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গিকার করলেন তসলিমা নাসরীন। কলকাতায় আর হয়ত ফেরা হবে না। সরকারও ফেরানোর উদ্যোগ নেবে না। কিন্তু যে মৌলবাদীদের জন্য তাঁকে এই শহর ছাড়তে হয়েছিল, তাঁরা কি কিছু শিখলেন!‌

রাতের কলকাতায় ট্যাক্সি!‌ ‘‌না’‌ শোনার জন্য তৈরি থাকুন

রাতের কলকাতায় ট্যাক্সি ধরা মানে ভয়ঙ্কর এক অভিজ্ঞতা। প্রায় সবার কাছেই আপনি ‘‌না’‌ শোনার জন্য তৈরি থাকুন। বোঝাই যায়, ট্যাক্সির ওপর পুলিশের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই। ওপেন ফোরামে এমনই অভিজ্জতার কথা লিখেছেন মলয় সাহা।।

একটা হামি, কতকিছু শিখিয়ে দিয়ে গেল!‌

ছবিটা সত্যিই দেখার মতো। যাঁরা বাংলা ছবি ভালবাসেন, অবশ্যই দেখুন। যাঁরা শিক্ষক, তাঁরা দেখুন। যাঁরা অভিভাবক, তাঁরা তো অবশ্যই দেখুন। একটা ছবি যেন চোখে আঙুল দিয়ে অনেককিছু দেখিয়ে দিয়ে গেল। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।।

৭৫ বছর বয়সেও ফেলুদার প্রস্তাব এসেছিল সৌমিত্রর কাছে!‌

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বয়স তখন ৭৫। তখন কিনা প্রস্তাব এসেছিল ফেলুদা করার জন্য!‌ আর এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন সন্দীপ রায়!‌

সন্ত্রাস!‌ পিকচার আভি বাকি হ্যায়

যারা ভোটে জেতার জন্য এত গুন্ডামি করল, তারা প্রধান হওয়ার সুযোগটা ছেড়ে দেবে?‌
সেই ঝগড়া শুধু ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। রাস্তায় নেমে আসবেই। তখনই বলা যাবে, রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড়িয়ে আছে। উন্নয়নের আসল বৃত্তটা বোধ হয় তখন সম্পূর্ণ হবে।

সরে দাঁড়াচ্ছেন বুদ্ধদেব

শেষ রাজ্য সম্মেলনে কোনওভাবেই রাজ্য কমিটিতে থাকতে চাননি। তাঁর সেই ইচ্ছেকে মর্যাদাও দেওয়া হয়েছে। এবার রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী থেকেও সরে দাঁড়াচ্ছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

হঠাৎ হানা চিমনিতে

আবার যদি কখনও সুযোগ পাই, সেই গ্রামে যাব। জানি না, কখন যাওয়া হবে। যাঁরা এই লেখা পড়ছে, তাঁরা চাইলে ঘুরে আসতে পারেন। নেটে চিমনি লিখে সার্চ মারলেই অনেক ছবি, তথ্য পেয়ে যাবেন। দুটো দিন নিরিবিলি পাহাড়ি গ্রামে ঘুরে আসতে চাইলে আপনার ঠিকানা হতেই পারে চিমনি।