মহেশতলার রায়কে খোলা মনে মেনে নিন

বিক্ষিপ্ত অভিযোগ ছিল। এটুকু থাকবেও। মোটের ওপর অনেকটাই শান্তিতে হয়েছে মহেশতলার নির্বাচন। সবার কাছেই বড় শিক্ষা হয়ে দাঁড়াতে পারে এই নির্বাচন। দুলাল দাস যদি পাঁচ হাজার ভোটেও জেতেন, সেটা ছাপ্পা মেরে সত্তর হাজারে জেতার থেকে অনেক বেশি গৌরবের হবে। সহজ সত্যিটা দুলাল দাস বোঝেন। যিনি পাইকারি হারে অনুপ্রেরণা বিলিয়ে বেড়ান, তিনি যদি বুঝতেন!‌

ডিএম, এসডিও–‌রা বাড়ি ফিরে কোন বীরত্বের গল্প শোনালেন!‌

ভোট পেরিয়ে গেছে। কিন্তু কী অবস্থায় কাটালেন ভোটকর্মীরা?‌ বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় ফিচার— ভোটকর্মীর ডায়েরি। আজ ষষ্ঠ কিস্তি। লিখলেন শান্তনু বটব্যাল।।

শাড়ি দেখেই ঠিক চিনে ফেলেছিলেন পেলে

দুয়ারে কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপ। বেঙ্গল টাইমসেও শুরু বিশ্বকাপ জ্বর। শুধু কারা খেলছে, কারা এগিয়ে, এসব নয়। আরও বাড়তি কিছু। এবার উঠে এল কলকাতার সেই দম্পতির কথা, যাঁরা এই নিয়ে দশবার যাচ্ছেন বিশ্বকাপ দেখতে। আজ প্রথম কিস্তি।

বাবার স্মৃতি আগলে রয়েছেন অভিমানী জামলিং

বাইরেই ছাড়া আছে তিনটি বিদেশি কুকুর। তাদের আহ্বান শুনে শুরুতেই ভয় পেয়ে যেতেই পারেন। মনে হতে পারে, আর ওপরে উঠে কাজ নেই। ফিরে যাওয়াই ভাল। কিন্তু কুকুরের ভয় কাটিয়ে যদি ওপরে উঠে যান, এক জীবন্ত ইতিহাস অপেক্ষা করে আছে আপনার জন্য। হ্যাঁ, এখানেই তেনজিং নোরগের বাড়ি। ছোটবেলায় পাঠ্যবইয়ে পড়া সেই তেনজিং। প্রথম এভারেস্টে পা রাখা সেই তেনজিং। এভারেস্ট দিবসে সেই বাড়ির কথাই তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

ভোট না দিতে পারাটা কিন্তু সমর্থককেও শত্রু বানিয়ে দেয়

এবারই প্রথম আমার ভোট দেওয়া হল না। কারণ, আমার এলাকায় ভোট হয়নি। কাউকে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। ভিনরাজ্যে বসে নিজের রাজ্যের জন্য এতখানি লজ্জা ও গ্লানি এর আগে কখনও হয়নি। আমার মতো কত লক্ষ লক্ষ মানুষের হয়ত এটাই অনুভূতি। এর ফল কী হতে পারে, সেটা হয়ত শাসকরা বুঝতেও পারছেন না। ওপেন ফোরামে লিখেছেন রাজেশ মণ্ডল।।

অনুপ্রেরণা কত ভয়ঙ্কর, বুঝল আই এফ এ

বুঝে দেখুন, আই এফ এ কেমন চলছে। বুঝে দেখুন, কারা গভর্নিং বডির সদস্য। একজনের খেয়াল হল, সভাপতি হবেন। অমনি সেই খেয়াল পূরণের ব্যবস্থা হয়ে গেল। সংবিধান সংশোধনও হয়ে যাবে। সত্যিই, অনুপ্রেরণা বড় ভয়ঙ্কর জিনিস।

রাজকুমারের মৃত্যু ও কিছু অপ্রিয় প্রশ্ন

রায়গঞ্জের সেই প্রিসাইডিং অফিসার খুন হয়েছেন না আত্মহত্যা করেছেন?‌ যদি আত্মহত্যা হয়, তাহলে মুখ্যমন্ত্রী আগ বাড়িয়ে পাঁচ লাখা টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করলেন কেন?‌ এ তো আত্মহত্যায় উৎসাহ দেওয়া। আর যদি খুন হয়, তাহলে খুনিকে না ধরে প্রতিবাদী শিক্ষকদের হেনস্থা কেন?‌ লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

হায় রে!‌ আই এফ এ–‌র সংবিধানই বদলে ফেলতে হল!‌

মুখ্যমন্ত্রীর দাদার ইচ্ছে হয়েছে, তিনি আই এফ এ সভাপতি হবেন। কিন্তু ভোট হলেও মুশকিল। এদিকে আই এফ এ কর্তারাও সংঘাতে যেতে চাইলেন না। অতএব, সমাধান সূত্র বেরিয়ে গেল। আই এফ এ–‌র সংবিধান বদলে তাঁকে সভাপতি করার ব্যবস্থা হয়ে গেল। বোঝা গেল, আই এফ এ–‌র বাইরেও তাহলে উন্নয়ন দাঁড়িয়ে থাকে।

হাতিকে বোকা বানানো এতই সহজ!‌

রেলকর্তারা ভেবেছিলেন, হাতিকে বোকা বানাবেন। উল্টে হাতিই তাঁদের বোকা বানিয়ে বসে আছে। এত তাড়াতাড়ি এমন ব্যুমেরাং হবে, রেলকর্তারা ভাবতেও পারেননি।

নিজের নিয়ম নিজেই মানছেন না মুখ্যমন্ত্রী!‌

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:‌ নিজের তৈরি করা নিয়ম নিজেই মানছেন না মুখ্যমন্ত্রী। এমন অভিযোগ তুলে সোচ্চার হলেন আলি ইমরান (‌ভিক্টর)‌। চাকুলিয়ার এই তরুণ বিধায়ক এই প্রশ্ন তুলে চিঠি লিখলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে।...