যারা ভোটে জেতার জন্য এত গুন্ডামি করল, তারা প্রধান হওয়ার সুযোগটা ছেড়ে দেবে?
সেই ঝগড়া শুধু ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। রাস্তায় নেমে আসবেই। তখনই বলা যাবে, রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড়িয়ে আছে। উন্নয়নের আসল বৃত্তটা বোধ হয় তখন সম্পূর্ণ হবে।
শেষ রাজ্য সম্মেলনে কোনওভাবেই রাজ্য কমিটিতে থাকতে চাননি। তাঁর সেই ইচ্ছেকে মর্যাদাও দেওয়া হয়েছে। এবার রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী থেকেও সরে দাঁড়াচ্ছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
আবার যদি কখনও সুযোগ পাই, সেই গ্রামে যাব। জানি না, কখন যাওয়া হবে। যাঁরা এই লেখা পড়ছে, তাঁরা চাইলে ঘুরে আসতে পারেন। নেটে চিমনি লিখে সার্চ মারলেই অনেক ছবি, তথ্য পেয়ে যাবেন। দুটো দিন নিরিবিলি পাহাড়ি গ্রামে ঘুরে আসতে চাইলে আপনার ঠিকানা হতেই পারে চিমনি।