রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীতে চার নতুন মুখ

রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীতে এলেন চারজন। দুজন কলকাতার। দুজন জেলার। আগেরবার দুজন ছিলেন আমন্ত্রিত সদস্য। তাঁদের এবার করা হল স্থায়ী সদস্য।

মেহতাবকে নেওয়া সস্তা চমক ছাড়া কিছুই নয়

আসলে সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে স্বপন সাহার যা তফাৎ, সত্যজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে স্বপন ব্যানার্জিরও সেই তফাৎ। সত্যজিতকে সরিয়ে স্বপনকে ফুটবল সচিব করলে যা হয় তাই হচ্ছে। সত্যজিৎ ফুটবল বোঝেন তাই সেই রকম টিম করতেন। স্বপন রাজনীতি বোঝেন, তাই চমক দেওয়া, দল ভাঙ্গানো, ভোটব্যাঙ্ক এই সব করছেন। লিখেছেন সন্তু ভৌমিক।।

এবার আইএফএ–‌ও চালাবে মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার!‌

এবার আই এফ এ–‌র সভাপতি হতে চান মুখ্যমন্ত্রীর দাদা। পরিবারতন্ত্র কাকে বলে, কলকাতা ময়দান হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। আই এফ এ কর্তারাও কম দায়ী নন। এমন একটি লোককে আই এফ এ–‌র প্রতিনিধি করেছিলেন। বাবুনকে বারবার বাংলার ম্যানেজার করেছেন। স্রেফ মুখ্যমন্ত্রীকে খুশি রাখার স্বার্থে তোল্লাই দিয়ে গেছেন। এখন ঠ্যালা সামলান। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।

ভিক্টরকে সংবর্ধনা দেবে ফব

জেলা পরিষদে বামেরা জিতেছে মাত্র একটি আসনে। উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ায়। জয়ের কাণ্ডারি আলি ইমরান (‌ভিক্টর)‌। জয়ী প্রার্থী ও ভিক্টরকে এবার সংবর্ধনা জানাবে ফরওয়ার্ড ব্লক।।