ঝাউবনের ছায়ায় ছায়ায়
অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি জমে থাকে জীবনে। দিনগুলো হারিয়ে যায়। স্মৃতিটা থেকেই যায়। সুখস্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে। তেমনই কিছু অনুভূতি উঠে আসছে স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।
অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি জমে থাকে জীবনে। দিনগুলো হারিয়ে যায়। স্মৃতিটা থেকেই যায়। সুখস্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে। তেমনই কিছু অনুভূতি উঠে আসছে স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।
কীভাবে সরে যেতে হয়, বুদ্ধদেববাবু জানেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না। তাই তাঁরা জোর করে পদ আঁকড়ে পড়ে থাকেন। মনে রাখবেন, বুদ্ধবাবু সরে দাঁড়ালেন তাঁর গ্রহণযোগ্যতা একটুও কমবে না। সবসময় মমতার সমালোচনা না করে দলীয় নেতারা বুদ্ধবাবুকে দেখেও তো কিছু শিখতে পারেন। লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।।
এগারোটার মধ্যেই ভোট শেষ করে দিতে হবে। এমন পরামর্শ কিনা এসেছিল খোদ সেক্টর অফিসারের কাছ থেকে। নিরাপত্তার আশ্বাস তো দূরের কথা। তাঁর কথায় কার্যত ছিল হুমকির সুর। ভোট কর্মীর ডায়েরি বিভাগে এমনই অভিজ্ঞতা মেলে ধরলেন স্নেহাংশু চৌধুরি।।
যত দিন যাবে, কংগ্রেসের মমতা–নির্ভরতা বাড়বে। রাহুল–সোনিয়া মমতাকে চটাবেন না। বিজেপি ছাড়া কোথায় বা যাবেন! কিন্তু গিয়ে দেখবেন, মোদিবাবুরাও মমতার জন্য দরজা খুলেই রেখেছেন। তাঁরাও মমতাকে চটাতে চাইবেন না। সারদা–নারদা এসব তদন্তের গতি দেখেও বুঝতে পারছেন না? মোহভঙ্গ হতে সময় লাগবে না। অধীর চৌধুরিকে খোলা চিঠি। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
বেঙ্গল টাইমসে আবার ফিরে আসছে জমজমাট বিতর্ক। যে কেউ অংশ নিতে পারেন। বিস্তারিত নিয়ম জেনে নিন।
জুনের প্রথম দিন থেকেই আমরাও মেতে থাকব বিশ্বকাপ জ্বরে। শুধু খেলা নয়, তাকে ঘিরে নানা স্মৃতিচারণ, গল্প, ছড়াও থাকতে পারে। এখন থেকে তৈরি থাকুন।
রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীতে এলেন চারজন। দুজন কলকাতার। দুজন জেলার। আগেরবার দুজন ছিলেন আমন্ত্রিত সদস্য। তাঁদের এবার করা হল স্থায়ী সদস্য।
আসলে সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে স্বপন সাহার যা তফাৎ, সত্যজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে স্বপন ব্যানার্জিরও সেই তফাৎ। সত্যজিতকে সরিয়ে স্বপনকে ফুটবল সচিব করলে যা হয় তাই হচ্ছে। সত্যজিৎ ফুটবল বোঝেন তাই সেই রকম টিম করতেন। স্বপন রাজনীতি বোঝেন, তাই চমক দেওয়া, দল ভাঙ্গানো, ভোটব্যাঙ্ক এই সব করছেন। লিখেছেন সন্তু ভৌমিক।।
এবার আই এফ এ–র সভাপতি হতে চান মুখ্যমন্ত্রীর দাদা। পরিবারতন্ত্র কাকে বলে, কলকাতা ময়দান হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। আই এফ এ কর্তারাও কম দায়ী নন। এমন একটি লোককে আই এফ এ–র প্রতিনিধি করেছিলেন। বাবুনকে বারবার বাংলার ম্যানেজার করেছেন। স্রেফ মুখ্যমন্ত্রীকে খুশি রাখার স্বার্থে তোল্লাই দিয়ে গেছেন। এখন ঠ্যালা সামলান। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।