কবিতাগুলো বেঁচে থাক গান হয়ে

মাঝে মাঝে খুব কষ্ট হয়, আবার রাগও হয়। বাংলা ছবি আপনাকে সেভাবে ব্যবহারই করতে পারল না। ‘সেদিন চৈত্রমাস’ ছবির কথা মনে পড়ছে। আপনার কণ্ঠে অসাধারণ একটা গান দিয়েছিলেন সুমন—‘সূর্য তাকেই দেখতে চায়, আকাশ তাকেই ডাক পাঠায়।’ গানটি যেন আপনার জন্যই তৈরি হয়েছিল। কিন্তু পরে আর সেভাবে ব্যবহার করা হল না কেন? কারা সঙ্গীত পরিচালনা করেন, তাঁরা কী চান, জানতে খুব ইচ্ছে করে।

হিন্দিতে অগ্নীশ্বর করতে চেয়েছিলেন অমিতাভ!‌

এরপর অগ্নীশ্বর। উত্তমের জীবনের স্মরণীয় ছবিগুলির একটি। বেতার জগতের শারদীয়া সংখ্যায় বেরিয়েছিল বনফুলের এই গল্পটি। তখন থেকেই এই গল্প নিয়ে ছবি করার কথা ভেবে আসছিলেন ঢুলু বাবু। কিন্তু এর চিত্রনাট্য তৈরি করা বেশ কঠিন ব্যাপার ছিল। পাঁচটি গল্পকে এক জায়গায় এনে চিত্রনাট্য তৈরি করেছিলেন অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়। ছবিটি দেখে অমিতাভ বচ্চন এতটাই অভিভূত ছিলেন, হিন্দিতে ওই ছবি করতে চেয়েছিলেন। অনেকদূর কথা এগিয়েওছিল। কিন্তু শেষমেষ আর হয়ে ওঠেনি।

মন জুড়ে তখন শুধুই রঞ্জিত মল্লিক

আমার মনে প্রথম দাগ কাটা ছবি শত্রু। তখন কে অঞ্জন চৌধুরি, চিনতাম না। আমার কাছে শত্রু মানে রঞ্জিত মল্লিক। এক সৎ ও সাহসী পুলিশ অফিসার। সেই ছবিতে চিরঞ্জিৎ ছিলেন, প্রসেনজিৎও ছিলেন। কিন্তু আমার মনজুড়ে একজনই রঞ্জিত মল্লিক। সেই ছবিটা দেখেই পুলিশকে সম্মান করতে শিখেছিলাম। দৈনন্দিন নানা ঘটনায় পুলিশ সম্পর্কে ধারণা খারাপ হয়। তবু এখনও যে বিশ্বাসটা তলিয়ে যায়নি, তার একটা বড় কারণ শত্রু।

‘রসুন’ সংস্কৃতির আসল জন্মদাতা কিন্তু হেমন্তই

আজ থেকে তিরিশ–‌চল্লিশ বছর আগে ছিল ক্যাসেটের জমানা। তখন প্রায় প্রতিটি বাঙালি বাড়িতে ‘‌লিজেন্ডস অফ গ্লোরি’‌ নামে একটি ক্যাসেট থাকত। সম্ভবত বাংলা গানের ইতিহাসে এটিই জনপ্রিয়তম ক্যাসেট। সলিল চৌধুরির সুরে, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়েক কণ্ঠে দশটি গানের সংকলন। এই ক্যাসেটটি বাঙালির জীবনে ‘‌রসুন’‌ সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছিল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।

জটায়ু আসলে কে? হাইলি সাসপিসিয়াস

ময়ূখ নস্কর আমাকে কেউ সিরিয়াসলি নেয় না মশাই! কেউ সিরিয়াসলি নেয় না! মানছি, আমি আক্ষরিক অর্থেই একজন কাগুজে মানুষ। বইয়ের পাতার বাইরে আমার কোনও অস্তিত্বই নেই। হ্যাঁ, সিনেমা বা টিভির...

সহজ কথা যায় না বলা সহজে

সহজ নামটার প্রতি রাহুলের একটা দুর্বলতা থাকারই কথা। কিন্তু অনুষ্ঠানটা সহজ–‌সরল রাখা খুব সহজ ছিল না। যেমন, একবার ডেকে আনলেন ট্যুর ভ্লগার শিবাজি গাঙ্গুলিকে। সঙ্গী পৃথ্বীজিৎ। ভ্রমণের কত অজানা দিক উঠে এল সেই মুখোমুখি আড্ডায়। যাঁরা বেড়াতে ভালবাসেন, তাঁদের কাছে যেন অমূল্য সঞ্চয়। অন্য কোনও পডকাস্টার এভাবে শিবাজিকে ডেকে এনে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা পরিসরকে এভাবে তুলে ধরার কথা হয়তো ভাবতেই পারতেন না।

সুরের ‘‌সলিলে’‌ প্রতিদিনই অবগাহন করি

বাঙালির কাছে প্রেমের গান মানেই একঝলক শীতল বাতাসের মতো, যে হাওয়াতে ফুল গাছে গাছে ফুল ফোটে। আর প্রতিবাদের গানের প্রকাশ হল ঝোড়ো হাওয়ার মতো, যা যে কোনও অন্যায়, অবিচার বা অনাচারকে ঝড়ের মতো উড়িয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু প্রেমের গান যদি ঝোড়ো বাতাসের মতো হয়? প্রেমের গানের মধ্যেও যদি ঝোড়ো হাওয়ার মতো একটা শিহরণ থাকে? তখন তা মনে হয় কথা, সুর এবং নিবেদনে অনন্য হয়ে ওঠে। এই অনন্যতার নামই সলিল চৌধুরি।জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে কলম ধরলেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

অডিওবুকের এই রমরমা, শুরু করেছিলেন সলিলই

তাঁর জন্ম শতবর্ষে তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি কিঞ্চিত আত্ম সমালোচনাও জরুরি। সেদিন না বুঝেছিল সরকার, না বুঝেছিল ক্যাসেট কোম্পানি, না বুঝেছিল প্রকাশনা সংস্থা। শোনা যায়, সলিল চৌধুরি তখন পরম আক্ষেপ নিয়ে বলেছিলেন, অডিও মাধ্যমে সাহিত্য কতটা জনপ্রিয় হতে পারে, এখন কেউ বুঝতে পারছে না। একদিন সবাই বুঝবে। আমি যেটা করতে পারলাম না, একদিন সেই রাস্তায় সবাইকেই হাঁটতে হবে।

এবার হোক জাতীয় চলচ্চিত্র উৎসব

ঘটা করে হয়ে গেল চলচ্চিত্র উৎসব। এই চলচ্চিত্র উৎসহ হয়তো বইমেলার মতো এত মানুষের মিলনক্ষেত্র নয়, তবু শিক্ষিত, রুচিশীল বাঙালির কাছে এর আলাদা একটা আবেদন রয়েছে। এখন দেশ–‌বিদেশের ছবি মোবাইলেই...

সিনেমার আনন্দযজ্ঞে সবার নিমন্ত্রণ

মলয় সেন বাঙালির জীবনে নাকি বারো মাসে তেরো পার্বণ। যখন এমন প্রবাদ তৈরি হয়েছিল, তখন মূলত ধর্মীয় উৎসবকেই মাথায় রাখা হয়েছিল। কিন্তু সময় এগিয়েছে। উৎসবের আঙিনাও বিস্তৃত হয়েছে। ধর্মীয় বা...