বেঙ্গল টাইমস। ই–‌ম্যাগাজিন। ২১ এপ্রিল সংখ্যা।।

পুরোদমে চলছে প্রচার। কয়েকদিন পরেই প্রথম দফার ভোট। এই আবহে বেঙ্গল টাইসের ই ম্যাগাজিন। ২১ এপ্রিল সংখ্যা। নানা আঙ্গিক থেকে রয়েছে আকর্ষণীয় সব লেখা। পিডিএফ আপলোড করা হল। ডাউনললোড করলেই সহজে পড়া যায়।

বাপরে কি ডানপিটে ছেলে!‌

গাভাসকারের ব্যাটন উঠে এসেছিল শচীনের হাতে। শচীনের ব্যাটন এসেছিল বিরাটের হাতে। কে বলতে পারে, সেদিন গুয়াহাটিতে বিরাটের ব্যাটনও হয়তো উঠে এসেছিল বৈভবের হাতে।‌

ভোটাররা নয়, এই কমিশনই আসলে অবৈধ

যেভাবে রাজ্যের বিরাট অংশের মানুষকে হয়রানির মধ্যে পড়তে হয়েছে, তার জন্য অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মামলা হোক। দলমত নির্বিশেষে বাংলার সাধারণ জনতার উচিত ধিক্কার দেওয়া।

একজন ম্যাট্রিক পাস পাওয়া গেল না!‌

মূর্খ লোক মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না, এমনটা সংবিধানে কোথাও বলা নেই। কিন্তু যিনি নন ম্যাট্রিক, তিনি যদি পিএইচডি–‌র ভুয়ো সার্টিফিকেট দাখিল করেন, তখন সেটা জালিয়াতি। এই জালিয়াতির কথা জানার পরেও যাঁরা তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করেন, সত্যিই তাঁদের জন্য করুণা হয়। এরকম একজন কীর্তিমান যে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে শপথ নিলেন, এটা নির্বাচন কমিশন ও দেশের বিচার ব্যবস্থাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিল।

আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম

আমাদের কাছে পয়লা বৈশাখ ছিল অন্য এক উন্মাদনা। যার অনেকটাই হারিয়ে গেছে। এখনকার পয়লা বৈশাখের সঙ্গে সেদিনের সেই নির্মল আনন্দের কোনও তুলনা হবে না। সত্যিই, আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।

বেঙ্গল টাইমস, পয়লা বৈশাখ সংখ্যা।।

আশা নয়, আশঙ্কাই বাড়ছে একদিকে বসন্তের বিদায়। অন্যদিকে নতুন বছরের আগমন। এপ্রিল মাসের দুই অর্ধে দুই বার্তা। কিন্তু এপ্রিল মাস মানে যতটা সম্প্রীতির, ততটাই যেন তিক্ততার। যেমন, এই বছর, রাজ্য...

শুধু একটি বছর

নতুন বছরে আমরা তাহলে কী করব?‌ বাংলা ডেড ল্যাঙ্গুয়েজ, এটা বলে একটা বিকৃত আনন্দ পাব?‌ নাকি হাহুতাশ করে যাব?‌ এসব পন্থা ছেড়ে নিজেদের জীবন যাপনে যেন একটু হলেও বাংলাকে ফিরিয়ে আনতে পারি, সেই চেষ্টাই বোধ হয় করা উচিত। না, বাংলা ভাষার জন্য মিছিল করতে হবে না, প্রাণ দিতেও হবে না। মাসে অন্তত একটা ভাল বই পড়া, একটা ভাল বাংলা ছবি দেখা, অন্তত একটা চিঠি লেখা, কয়েকটা গান শোনা— এটুকু তো করতে পারি।

‌এক লেখক অন্য লেখকের লেখা পড়ছে কই?‌

হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এসেছিলেন। সবাই গান গাওয়ার আবদার করল। হেমন্তবাবু বললেন, গান করতে তো আসিনি। এসেছি গজেন্দ্রবাবুর সঙ্গে দেখা করতে। সবাই মিলে কত আড্ডা হচ্ছে, এই তো ভাল। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় তো প্রতিবারই আসতেন। তিনি থাকলে যা হয় ! একাই আসর জমিয়ে দিতেন।

এই কমিশনকে পাসমার্ক দেওয়াও কঠিন

একটু বিচক্ষণতা থাকলে, একটু দূরদর্শিতা থাকলে এই ভোগান্তি এড়ানো যেত। বারবার কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হত না। মনোনয়ন জমা হয়ে গেল, ভোট আর এক সপ্তাহও বাকি নেই। এখনও তালিকাই চূড়ান্ত হল না। এমনকী কোর্টও কার্যত হাত তুলে দিয়েছে।