দেওয়াল লেখা ও একটি মজার কাহিনি

তখন সত্যিই এত কিছু বুঝতাম না। কত দেওয়ালে এমন প্রতীক এঁকেছি। সেই হেড স্যার আজ আর বেঁচে নেই। সত্যিই, তখন পরিবেশটাই অন্যরকম ছিল। ছাত্র তাঁর রঙ করা দেওয়ালে অন্য দলের প্রতীক আঁকছে দেখেও তিনি বাধা দেননি। বরং, মুগ্ধ হয়ে এই ছেলেমানুষি দেখেছেন। এমনকী পরেও সেই প্রতীক মুছে ফেলেননি। সেই মানুষগুলোই আর হারিয়ে গেছেন। তাই সেই সহিষ্ণুতাও আর খুঁজে পাই না। সেদিনের রাজনীতি আর এদিনের রাজনীতি— ফারাক অনেকটাই।

ডিম রবে নিষ্ফলের, হতাশের দলে

অথচ সেও তো আরও পাঁচজনের মত নতুন জীবন পেতে পারত। এই পৃথিবীর রূপ রস গন্ধ অনুভব করতে পারত। বাঁচার অধিকার তো তারও আছে। আমরা যেন ধরেই নিয়েছি আমাদের রসনা তৃপ্ত করাতেই যেন ডিমের জীবনের একমাত্র সার্থকতা। অথচ আমরা যখন অম্লান বদনে ডিম খাই, তখন কি একবারও ভাবি কত মুরগির কোল খালি হয়ে গেল। প্লেটের ওপর সাজানো ডিমটাই হয়তো একটা ছোট্ট ফুটফুটে বাচ্চা হতে পারত। মায়ের সঙ্গে ঘুরঘুর করতে পারত। ভোরবেলায় ‘কোঁকর কোঁক’ করে অন্যদের ঘুম ভাঙাতে পারত। ডিমের এই নিঃসার্থ আত্মত্যাগের ইতিহাস কি মানব জাতি মনে রাখবে? নাকি ‘ডিম রবে চিরকাল হতাশের নিস্ফলের দলে?’

কেউ কারও ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তোলে না

বিধানসভা বা লোকসভাকে বলা হয় আইনসভা। অর্থাৎ, সেখানে আইন তৈরি হয়। যাঁরা আইন তৈরি করছেন, যাঁরা সংবিধান সংশোধন করছেন, তাঁদের ন্যূনতম শিক্ষাটুকু থাকবে না?‌ কোন আইন তৈরি হচ্ছে, কোন আইনের পরিবর্তন হচ্ছে, এটুকু বোঝার মতো বিদ্যেটুকুও যদি না থাকে, এমন মানুষদের আইনসভায় পাঠানো কি খুব জরুরি?‌

আইপিএল যতটা তরুণদের, ততটাই তারকাদেরও

দর্শকরা মেতে আছেন এখনও বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা বা এম এস ধোনিদের নিয়েই। এখনও তাঁদের নাম লেখা জার্সির যা কদর, কোনও তরুণকে ঘিরে তো সেই উন্মাদনা দেখা যায় না। এখনও মহাতারকা বলতে সেই বিরাট, ধোনিদেরই বোঝায়। জনপ্রিয়তার নিরিখে ধোনি বা বিরাটের একশো মাইলের মধ্যেও কি কেউ আছেন?‌

কেকেআই কখনই আমার দল নয়

বাংলাকে এত ভালবাসি, কলকাতাকে এত ভালবাসি। তাহলে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হলে সেই আনন্দ হয় না কেন?‌ কলকাতা হারলেই বা দুঃখ হয় না কেন?‌ আসলে, কলকাতার এই দলটাকে ঘিরে কখনই সেই একাত্মতা তৈরি হয়নি। আমার মতো অনেকেই দেখেছি কেকেআর সম্পর্কে নিষ্পৃহ, উদাসীন। কেন আমাদের মধ্যে এই উদাসীনতা তৈরি হল, নাইট ম্যানেজমেন্ট ভেবে দেখুন।

বেঙ্গল টাইমস। ই–‌ম্যাগাজিন। ১ এপ্রিল সংখ্যা।।

দরজায় কড়া নাড়ছে ভোট। তিন শিবিরই প্রার্থী তালিকা ঘোষণাও করে দিয়েছে। কারা কোথায় এগিয়ে?‌ সেইসঙ্গে টি২০ বিশ্বজয় নিয়ে রয়েছে কিছু আকর্ষণীয় লেখা। প্রয়াত সাহিত্যিক শঙ্করকে শ্রদ্ধার্ঘ্য। রয়েছে সাহিত্য, বিনোদন, ভ্রমণের মতো নিয়মিত বিভাগ।

যেখানেই তিনি, সেখানেই গ্যালারির রঙ হলুদ

তাঁর ঘরের মাঠ বলে কিছু নেই। যেখানে তিনি খেলতে যান, সেটাই তাঁর ঘরের মাঠ। সেখানেই গ্যালারির রঙ হয়ে ওঠে হলুদ। সবার গায়েই উঠে আসে সাত নম্বর জার্সি।

সহজ কথা এত সহজে কী করে বলতেন!‌

এই মুহূর্তে টলিউডের কজন অভিনেতা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাহিত্য নিয়ে দেড় ঘণ্টা আলোচনা করতে পারেন?‌ এই পর্যায়ের লেখাপড়া কজনের আছে?‌ শীর্ষেন্দুর একটা উপন্যাস পড়েছেন, টলিউডে এমন লোক এখন খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর। কে আসল পাঠক আর কে ওপর চালাকি করছে, লেখক ঠিক বোঝেন। রাহুলের আড্ডায় যেন ধরা দিলেন অন্য এক শীর্ষেন্দু।