আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম

আমাদের কাছে পয়লা বৈশাখ ছিল অন্য এক উন্মাদনা। যার অনেকটাই হারিয়ে গেছে। এখনকার পয়লা বৈশাখের সঙ্গে সেদিনের সেই নির্মল আনন্দের কোনও তুলনা হবে না। সত্যিই, আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।

শুধু একটি বছর

নতুন বছরে আমরা তাহলে কী করব?‌ বাংলা ডেড ল্যাঙ্গুয়েজ, এটা বলে একটা বিকৃত আনন্দ পাব?‌ নাকি হাহুতাশ করে যাব?‌ এসব পন্থা ছেড়ে নিজেদের জীবন যাপনে যেন একটু হলেও বাংলাকে ফিরিয়ে আনতে পারি, সেই চেষ্টাই বোধ হয় করা উচিত। না, বাংলা ভাষার জন্য মিছিল করতে হবে না, প্রাণ দিতেও হবে না। মাসে অন্তত একটা ভাল বই পড়া, একটা ভাল বাংলা ছবি দেখা, অন্তত একটা চিঠি লেখা, কয়েকটা গান শোনা— এটুকু তো করতে পারি।

‌এক লেখক অন্য লেখকের লেখা পড়ছে কই?‌

হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এসেছিলেন। সবাই গান গাওয়ার আবদার করল। হেমন্তবাবু বললেন, গান করতে তো আসিনি। এসেছি গজেন্দ্রবাবুর সঙ্গে দেখা করতে। সবাই মিলে কত আড্ডা হচ্ছে, এই তো ভাল। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় তো প্রতিবারই আসতেন। তিনি থাকলে যা হয় ! একাই আসর জমিয়ে দিতেন।

এই কমিশনকে পাসমার্ক দেওয়াও কঠিন

একটু বিচক্ষণতা থাকলে, একটু দূরদর্শিতা থাকলে এই ভোগান্তি এড়ানো যেত। বারবার কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হত না। মনোনয়ন জমা হয়ে গেল, ভোট আর এক সপ্তাহও বাকি নেই। এখনও তালিকাই চূড়ান্ত হল না। এমনকী কোর্টও কার্যত হাত তুলে দিয়েছে।

কয়েক ঘণ্টা, সেই লামাদের মাঝে

উঠল বাই, ভুটান যাই। কিছুটা এভাবেই ডুয়ার্স থেকে ভুটানে হানা। কয়েক ঘণ্টার ঝটিকা সফর। অল্প খরচেই বিদেশ ভ্রমণের রোমাঞ্চ। সেই অনুভূতি মেলে ধরলেন অন্তরা চৌধুরি।

এক মঞ্চে লতা–‌আশা! জীবনের অন্যতম সেরা সন্ধ্যা

অভিরূপ অধিকারী জীবনে কত সন্ধ্যা আসে। হারিয়েও যায়। কিন্তু কিছু সন্ধ্যা চিরন্তন হয়ে থেকে যায়। আমার জীবনে তেমনই এক সন্ধ্যে এসেছিল বেশ কয়েক বছর আগে। সেই প্রথম চোখের সামনে দেখেছিলাম...

এই উপেক্ষা কি আশাজির প্রাপ্য ছিল!‌

আশাজি পাশে বসে ছিলেন। এই কীর্তিমানদের কোনও ভ্রুক্ষেপই ছিল না। এঁরা আপন আপন খেয়ালে মোবাইল–‌চর্চা করেই চলেছেন। স্বয়ং আশাজির মনের অবস্থাটা বোঝার চেষ্টা করুন। হয়ত মনে মনে ভাবছিলেন, এ কোন অর্বাচীনদের সঙ্গে এলাম। আমি পাশে বসে আছি, অথচ এরা মোবাইল ঘেঁটেই চলেছে!‌

আশাজি যেন মহাভারতের কর্ণ

আশাজিকে সবসময় মহাভারতের কর্ণের মতো মনে হয়। ভাল ভাল গানগুলো কিন্তু আশাজিকে দেওয়া হয়নি। ওই গানগুলো গাওয়া যে কত কঠিন, নিজে গান গাই বলেই কিছুটা বুঝতে পারি। ওইসব গানে প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা একমাত্র আশাজির পক্ষেই সম্ভব ছিল। অন্য কেউ গাইলে গানগুলো কোথায় হারিয়ে যেত! কেউ জানতেও পারত না।

‘‌প্রাক্তন’‌ হওয়াইভবিতব্য ছিলনীতীশ কুমারের

এতবড় আকারে জয় আসবে, ভাজপা নেতারাও ভাবেননি। সেই অবস্থায় নীতীশ কুমারকে সরিয়ে দিলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হত। তাই সময় নিয়ে তাঁকে সম্মানজনক পুনর্বাসন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হয়েছে। আপাতত তাঁর ঠিকানা রাজ্যসভা। হয়তো কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও আনা হতে পারে। যদিও নীতীশবাবু কতখানি কর্মক্ষম, তা নিয়ে সংশয় আছেন। জীবনের এই পর্যায়ে এসে এই পুনর্বাসন মেনে নেওয়া ছাড়া নীতীশবাবুর সামনেও আর কোনও রাস্তা খোলা ছিল না।

যেমন মোদি, তেমন তাঁর গ্যারান্টি‌

কথায় কথায় তিনি বলেন, ‘‌ইয়ে মোদি সরকার কী গ্যারান্টি হ্যায়।’‌ এই বাক্যটা শুনলেই কেমন যেন লাগে। নিজের মুখে নিজেই বলছেন ‘‌মোদি সরকার’‌। এনডিএ সরকার নয়, বিজেপি সরকার নয়, একেবারে ‘‌মোদি সরকার’‌। এর আগে কোনও প্রধানমন্ত্রীকে এমন নির্লজ্জভাবে নিজের নামে প্রচার করতে শোনা যায়নি।