এবারও এক্সিট পোল যাই বলুক, বাস্তবের মাটির গন্ধ চিনতে হয়তো কোথাও একটা ভুল হচ্ছে। টিভি চ্যানেল বা ফেসবুক দেখে আমরা যতই উল্লাসিত হই, যারা তৃণমূলকে অক্সিজেন দিয়ে টিকিয়ে রেখেছেন, তাঁরা এই ফেসবুকের বৃত্তের অনেক বাইরে। তাঁদের জীবনের স্পন্দন থেকে আমরাও অনেক দূরে।
আঙ্গুর ফল টকের মত শোনালেও, বলতেই হচ্ছে, এখনই বামেরা জিতবেন, বাঙালি এখনও এতোখানি পরিণত হয়নি। যে বাঙালি সারাক্ষণ হিন্দু বনাম মুসলিম তর্কে মেতে থাকে, তৃণমূল বা বিজেপিই তাঁদের ভবিতব্য। বামেদের শাসক হিসেবে পাওয়ার মতো যোগ্যতা বাঙালি এখনও অর্জন করেনি।
যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও আসে, তবু কোনও চিন্তা নেই। কারণ শ্রীমান অমিত শাহ আছেন। ১২০ আসন পেলেও বাকি প্রায় ৩০ খানা আসন জোগাড় করা নাকি কোনও ব্যাপারই নয়। তিনি নাকি ৩০ জন এম এল এ কে কিনে নেবেন। আহা, কী গর্বের কথা!
অতীতে নানা ব্যর্থতায় নির্বাচন কমিশনের অনেক সমালোচনা হয়েছে। সেই সমালোচনা তাঁদের প্রাপ্যও ছিল। কিন্তু তারপরও ভোট গ্রহণের পর মুক্ত কণ্ঠে স্বীকার করতেই হবে, এই রাউন্ডে তাঁরা যথেষ্ট সফল। শেষ বেলায় এসে অন্তত এই ধন্যবাদটুকু তাঁদের প্রাপ্য।
সাম্প্রতিককালে কেউ নিউ জলপাইগুড়ি গিয়েছেন? গেলেই বুঝতে পারবেন দুর্ভোগ কাকে বলে। যাঁরা উত্তরবঙ্গ বা সিকিমে বেড়াতে যান, তাঁরা মূলত নামেন এই এনজেপি স্টেশনেই। প্রতিদিন কয়েক লক্ষ মানুষ এই স্টেশন দিয়ে...
মাধ্যমিক পাস করেছেন কিনা বলতে পারেন না। অথচ, হলফনামায় কী অবলীলায় পিএইচডি লিখে ফেলেন! সব তাঁর হাপিডেবিটে আছে। এমন গঙ্গারামকে পাত্র হিসেবে যখন পেয়েই গেছেন, তখন সে কেমন ছেলে, নাইবা জানতে চাইলেন!
যাঁরা ভোট দিচ্ছিলেন, তাঁরাই দিলেন। শুধু কিছু মৃত ও স্থানান্তরিত ভোটারের নাম বাদ পড়ল। আর তাতেই আশি শতাংশ থেকে বেড়ে নব্বই শতাংশ হয়ে গেল।
সৃজন শীল খুব ছোটবেলার কিছু মুখ চিরতরে মনে দাগ কেটে যায়। তেমনই একটি মুখ প্রণয় রায়। মনে আছে, আটের দশকে দূরদর্শনে শুক্রবার রাতে একটি অনুষ্ঠান হত, ‘দ্য ওয়ার্ল্ড দিস উইক’।...
একদল বলছে, পরিবর্তন চাই। এই সরকারকে আর নেওয়া যাচ্ছে না। আবার আরেক দল বলছে, আর যাই হোক এই রাজ্যে বিজেপিকে ডেকে আনার কোনও মানে হয় না। রাজ্যের পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
ভুবন সেন আপনি এক পথচলতি জনতা। আপনি মেট্রোয় চড়েন। আপনি ট্রেন চড়েন। আপনি পাড়ার চায়ের দোকানে বসেন। আপনি টিভি দেখেন। আপনি ফেসবুকে চোখ রাখেন। আপনার চোখ–কান খোলা। কে কী বলছে,...