রোহিত, টাইমিংয়ে গন্ডগোল হয়ে গেল

মন থেকে চাইছিলাম, জোহানেসবার্গের মতোই দুবাই থেকেও এমনই একটা ঘোষণা আসুক। তাতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দ যদি একটু ফিকে হয়, তো হোক। আচ্ছা, সত্যিই বলুন তো, একদিনের ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর এমন মঞ্চ কি আর পাবেন?‌

যাদবপুর শুনলেই এত আতঙ্ক কেন?‌

ঋষভ সাহা গত কয়েক বছর ধরে অদ্ভুত একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছে। যাদবপুর মানেই কেমন যেন একটা বাঁকা চোখে দেখা। যেন যাদবপুরের পড়ুয়া মানেই তারা দেশদ্রোহী। যাদবপুরের পড়ুয়া মানেই তারা মদ,...

বাড়াবাড়ি করলেই আইপিএলে ঘ্যাচাং ফু

এমনিতেই টাকা দিয়ে ভারত অনেক প্রশ্ন ধামাচাপা দিয়ে দিয়েছে। আর চ্যাম্পিয়ন হলে তো কথাই নেই। দেখো, আমরাই সেরা। অতএব, আমরা যা চাইব, তাই হবে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে আইপিএলে ঘ্যাচাং ফু করে দেব।

নিঃশব্দে বিদায় একাকী যোদ্ধার

তিনি কোনও সাহিত্যিক নন। জীবনে একটাও গল্প বা উপন্যাস লেখেননি। কবিতা বা ভ্রমণ কাহিনিও লেখেননি। গুরুগম্ভীর প্রবন্ধও লেখেননি। কিন্তু তারপরেও গত তের–‌চোদ্দ বছরে যে সব বইকে নিয়ে সবথেকে বেশি চর্চা হয়েছে, সেই তালিকায় নিশ্চিতভাবেই তাঁর বইয়ের নাম থাকবে। সেই বই কত কপি বিক্রি হয়েছে, বলা মুশকিল। কিন্তু যত কপিই বিক্রি হোক, পড়েছেন তার থেকে অনেকগুন বেশি লোক।

কোহলি বোঝালেন, গ্রেটরা মঞ্চ বেছে নিতে ভুল করে না

অজয় নন্দী জাঁহাপনা, তুসি গ্রেট হো। ভরা ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এভাবেই যেন শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন শচীন তেন্ডুলকারকে। একদিনের ক্রিকেটে শচীনের সর্বাধিক শতরানের রেকর্ড টপকে গিয়েছিলেন স্বয়ং শচীনেরই ঘরের মাঠে। নতমস্তকে সেলাম ঠুকে...

যাদবপুর মানে অরাজকতা নয়

ছাত্র আন্দোলনের সেকাল–‌একাল। এই শিরোনামে কত বই যে লেখা হয়েছে, তার কোনও হিসেব নেই। কেউ কেউ দেখাতে চান, আমাদের সময় কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠত। এখন সেই আন্দোলন একেবারেই...

এই দেশে আর কটা সিভালকার আছেন!‌

পদ্মাকর সিভালকার নিছক একজন গড়পড়তা ক্রিকেটার ছিলেন না। ভারতীয় ক্রিকেটে কটা রাজিন্দার গোয়েল বা সিভালকার জন্মেছেন? কোনও টেস্ট না খেলেও তাঁরা টেস্ট খেলিয়েদের চেয়ে বেশি সমীহ আদায় করে নিয়েছেন। কেউ কেউ থাকেন, যাঁরা হয়তো টেস্ট খেলেননি। কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে যাঁদের অবদান হিমালয়সম। তেমনই এক হিমালয়ের নাম পদ্মাকর সিভালকার। কেরিয়ারে পাঁচশোর উপর উইকেট। এই দেশে কজনের আছে!‌ অথচ, মৃত্যুর পরেও কী উপেক্ষাই না জুটল!‌

অমিত শাহ আস্ত বোঝা, বঙ্গ বিজেপি কবে আর বুঝবে!‌

এই সিবিআই কে চালায়?‌ তৃণমল চালায় না। সিপিএম চালায় না। কংগ্রেসও চালায় না। দেশের সবথেকে অপদার্থ একটি সংস্থার দায়িত্বে এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনিই সিবিআই–‌কে এমন হাস্যকর জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি নাকি আয়রন ম্যান। তিনি নাকি চানক্য। তিনি নাকি দারুণ সাহসী। তাহলে সিবিআই মাসের পর মাস ঘুমিয়ে থাকে কেন?‌ সত্যি করে বলুন তো, এমন ব্যর্থ এবং এমন ভীতু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই দেশ কখনও দেখেছে?‌ এমন সীমাহীন ব্যর্থতার পর তিনি কিনা এই রাজ্যে এসে কর্মীদের চাঙ্গা করেন।

মিল্লার সার্টিফিকেট, কী জানি বাবলুদার মনে আছে কিনা

সেটাই ছিল সুব্রত ভট্টাচার্যর শেষ বছর। ১৭ বছর খেলা হয়ে গেছে। রজার মিল্লার কাছে প্রশ্ন এল, সুব্রতকে কেমন দেখলেন?‌ বেচারা মিল্লা!‌ বেমালুম বলে দিলেন, প্রমিশিং, ব্রাইট ফিউচার। এমনই স্মৃতি তুলে আনলেন রজত বসু।

ছোটবেলার সঙ্গী, বড়বেলারও সঙ্গী

আমাদের অনেকেরই ছোটবেলা কেটেছে তাঁর বই পড়ে। বয়স বাড়লেও নেই নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। এখনও পাড়ায় কুকুর দেখলে মনে পড়ে যায় পঞ্চুর কথা। বাবলু, ভোম্বল, বিলু, বাচ্চু, বিচ্চুরা আমাদের খুব একটা অচেআ নয়। আমি পড়েছি। আমার বাবার ছোটবেলাটাও তাঁর লেখা পড়েই কেটেছে।