একজনকে বাঁচাতে ২৬ হাজার শিক্ষককে বলি!
এক কথায় ছাব্বিশ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করা গেল। কিন্তু যাঁরা দিনের পর দিন হলফনামায় জানালেন, দুটো তালিকা আলাদা করা সম্ভব, তাঁদের কী হবে? যাঁরা দিনের পর দিন আদালতকে বিভ্রান্ত করলেন, সবার আগে দরকার ছিল তাঁদের হেফাজত নিশ্চিত করা। যাঁরা সব প্রমাণ নষ্ট করেছেন, তাঁদের কী শাস্তি দিল আদালত? তাঁদের অপরাধ নিয়ে তো কোনও সংশয় নেই!
দলবদলুরা জানেন, শুধু তাঁরা একাই চরিত্রহীন নন
এই সব দলবদলুকে কেন চরিত্রহীন বলা যাবে না? যাঁরা তাঁদের বরণ করে নিচ্ছেন, তাঁদেরই বা কেন চরিত্রহীন বলা যাবে না? সে স্পিকার সবকিছু দেখেও, বারবার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও টালবাহানা করেন, তাঁকেই বা কেন চরিত্রহীন বলা যাবে না?
কয়েক ঘণ্টা, সেই লামাদের মাঝে
চারিদিকে লোকজন নেই বললেই চলে। শান্ত, স্নিগ্ধ নির্জন এক বৌদ্ধ মন্দির। চারপাশটা ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম। ফুলে ফলে সৌন্দর্যে ভরে আছে জায়গাটা। মন্দির তখনও খোলেনি। এদিক ওদিক ঘুরছিলাম। হঠাৎ চোখে পড়ল নানান বয়সী একদল লামা। কী প্রাণবন্ত! কাজ করছে, খেলছে, দুষ্টুমি করছে। একসঙ্গে সবাই বড় হচ্ছে। এখনকার বাচ্চাদের মত হাতে স্মার্ট ফোন নিয়ে জ্যাঠাগিরি করেনি।
সরাসরি বিমান! লগ্নি আসার মতোই আপাতত অলীক কল্পনা
কুণাল কামরাকে নয়, ওই শিবসৈনিকরা যেন থাপ্পড় মারলেন শিন্ডেকেই
তাঁরা এটাও জানেন, কেন্দ্রের দিক থেকেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। মোদিকে ব্যঙ্গ করেছেন, অতএব ভাঙচুর বৈধ, এই আনন্দে কেন্দ্রীয় সরকারও হাত গুটিয়েই থাকবে। অর্থাৎ, কেন্দ্রের সরকার যাঁরা চালাচ্ছেন, তাঁরাও এই গুন্ডামি আটকাতে কিছুই করবে না। উল্টে তাঁদের আড়াল করবে। পুরস্কৃত করবে। আর কুণাল কামরাকে নানাভাবে হেনস্থা করবে। সত্যিই, প্রধানমন্ত্রীর অপদার্থতার ওপর তাঁর দলের লোকের কতখানি আস্থা!
সব ব্যাটাকে ছেড়ে ইউটিউবারকে ধর
সরকারের অনেক কাজ। পুলিশের সামনে অনেক কাজ। এসব ছেঁদো কাজে নিজেদের সময় নষ্ট না করে নিজেদের হারানো সম্মান পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করুন। কোনও চ্যানেলে কে কী বললেন, তাঁদের পেছনে না ধাওয়া করে, আসল অপরাধীদের চিনতে শিখুন। আপনাদের সম্মানহানির জন্য আপনাদের কর্তারাই যথেষ্ট। বাইরে থেকে অন্য কাউকে দরকার নেই।
রসিকতার পাল্টা ভাঙচুর! সত্যিই এঁরা বড্ড বেরসিক
আসলে, শিন্ডের মতো লোকেরা দল ভাঙিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বা উপ মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যান ঠিকই, কিন্তু এই চেয়ারের ওজন বোঝেন না। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার তাঁকে আর সেই পদ দিল না বিজেপি। করা হল উপ মুখ্যমন্ত্রী। ন্যূনতম আত্মসম্মান থাকলে এই পদটা নিতেন না। অন্তত বালাসাহেব ঠাকরে কোনও দিন মুখ্যমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হতে চাননি। যাই হোক, একনাথ শিন্ডের অনুগামীরা হোটেলে ঢুকে এভাবে ভাঙচুর চালানোর সাহস পেলেন কোত্থেকে? আসলে, তাঁরা জানেন, পুলিশ কিছুই করবে না। থাপ্পড়টা তাহলে কার গালে পড়ল? পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি এমন অনাস্থা তো তাঁরাই জানালেন।
বিলম্বিত অ্যাস্ট্রো টার্ফ
বেঙ্গল টাইমস।। ই ম্যাগাজিন।। ১২ মার্চ সংখ্যা
বেঙ্গল টাইমসের ই ম্যাগাজিন। এবারের প্রচ্ছদ কাহিনি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। সঙ্গে রয়েছে সাহিত্য, বিনোদন, খেলা, স্পেশ্যাল ফিচার, ভ্রমণ।
