সব ব্যাটাকে ছেড়ে ইউটিউবারকে ধর

সরকারের অনেক কাজ। পুলিশের সামনে অনেক কাজ। এসব ছেঁদো কাজে নিজেদের সময় নষ্ট না করে নিজেদের হারানো সম্মান পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করুন। কোনও চ্যানেলে কে কী বললেন, তাঁদের পেছনে না ধাওয়া করে, আসল অপরাধীদের চিনতে শিখুন। আপনাদের সম্মানহানির জন্য আপনাদের কর্তারাই যথেষ্ট। বাইরে থেকে অন্য কাউকে দরকার নেই।

রসিকতার পাল্টা ভাঙচুর!‌ সত্যিই এঁরা বড্ড বেরসিক

আসলে, শিন্ডের মতো লোকেরা দল ভাঙিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বা উপ মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যান ঠিকই, কিন্তু এই চেয়ারের ওজন বোঝেন না। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার তাঁকে আর সেই পদ দিল না বিজেপি। করা হল উপ মুখ্যমন্ত্রী। ন্যূনতম আত্মসম্মান থাকলে এই পদটা নিতেন না। অন্তত বালাসাহেব ঠাকরে কোনও দিন মুখ্যমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হতে চাননি। যাই হোক, একনাথ শিন্ডের অনুগামীরা হোটেলে ঢুকে এভাবে ভাঙচুর চালানোর সাহস পেলেন কোত্থেকে?‌ আসলে, তাঁরা জানেন, পুলিশ কিছুই করবে না। থাপ্পড়টা তাহলে কার গালে পড়ল?‌ পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি এমন অনাস্থা তো তাঁরাই জানালেন।