চন্দ্রচূড়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা তাহলে বেরিয়েই এল!
অজয় কুমার অনেকদিন আগেই তিনি চলে গেছেন অবসরের দুনিয়ায়। তবু হঠাৎ করেই আবার তাঁর নামটা ভেসে উঠল। টেনে আনলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। বলে ফেললেন, জাস্টিস চন্দ্রচূড় তো এই মামলা খারিজ করে...
এক কথায় ছাব্বিশ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করা গেল। কিন্তু যাঁরা দিনের পর দিন হলফনামায় জানালেন, দুটো তালিকা আলাদা করা সম্ভব, তাঁদের কী হবে? যাঁরা দিনের পর দিন আদালতকে বিভ্রান্ত করলেন, সবার আগে দরকার ছিল তাঁদের হেফাজত নিশ্চিত করা। যাঁরা সব প্রমাণ নষ্ট করেছেন, তাঁদের কী শাস্তি দিল আদালত? তাঁদের অপরাধ নিয়ে তো কোনও সংশয় নেই!