কত গানকে নতুন জীবন দিয়েছেন!
কী আশায় বাঁধি খেলাঘর। অনেকেই জানেন, এটা কিশোর কুমারের গান। তার বছর দশেক আগে এটা বাবা আকাশবাণীর লাইভ অনুষ্ঠানে গেয়েছিলেন। যে কোনও কারণেই হোক, তখন গানটা জনপ্রিয়তা পায়নি। গানটা বাবারই সুর দেওয়া।
কী আশায় বাঁধি খেলাঘর। অনেকেই জানেন, এটা কিশোর কুমারের গান। তার বছর দশেক আগে এটা বাবা আকাশবাণীর লাইভ অনুষ্ঠানে গেয়েছিলেন। যে কোনও কারণেই হোক, তখন গানটা জনপ্রিয়তা পায়নি। গানটা বাবারই সুর দেওয়া।
না, ২৩ জুলাই পার্থর গ্রেপ্তারির তিন বছর পূর্তি নয়। ২৩ জুলাই আসলে যাঁরা সিবিআই চালান, সেই বীরপুঙ্গবদের অপদার্থতার তিন বছর পূর্তি। তাই এই তিন বছর পূর্তির দিনে পার্থ বা অর্পিতাকে নিয়ে খিল্লি নয়। যদি গালাগাল দিতে হয়, ইডি কর্তাদের দিন। যদি ঘৃণা করতে হয়, দিল্লিতে বসে থাকা ওই নাটের গুরুদের করুন।
‘কারাগারে আঠারো বছর’—লেখা নয়, যেন রূপকথা। আজিজুল তখন যুবক। দমদম জেল ভেঙে পালালেন দলবল নিয়ে। ধরা পড়লেন। বেধড়ক মার। মার খেতে কি ভালোবাসতেন আজিজুল?
আজ যাঁরা নানা বাধ্যবাধকতায় ব্রিগেডে, তাঁদের অনেকেই এখনও মনে মনে লাল পতাকা নিয়েই হাঁটছেন। আবার একদিন লাল পতাকার নিশ্চিত আশ্রয়েই ফিরে আসবেন। সেই গরিব গুর্বো মানুষগুলোর ডিম–ভাত খাওয়াকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তাঁদের আরও দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন না তো? ডিম–ভাত নিয়ে হইচই করতে গিয়ে আসল সমালোচনার জায়গাগুলো আড়াল করে ফেলছেন না তো? লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
বিচারপতিদের প্রতি এখনও মানুষের শ্রদ্ধা আছে। কিন্তু আপনিও সেই নির্লজ্জ চাটুকারিতার রাস্তাই বেছে নিলেন! মেরুদণ্ড যে নেই, তা তো বোঝাই যাচ্ছে। কিন্তু এতদিন বিচারপতি ছিলেন। আইনের সাধারণ জ্ঞানটুকু থাকবে, এটুকু তো আশা করা যায়। আপনার তো দেখছি, সেটুকুও নেই। এখন প্রশ্ন জাগে, বিচারপতি হতেও কি কোনও যোগ্যতা লাগে না!
তবুও ওঁরা আসেন। ভালবেসে আসেন। শহুরে লোকেরা এই ভালবাসা দেখাতে পারবেন! এঁরা পাশের বাড়ির কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালেও যান না। কেউ মারা গেলে শ্মশানেও যান না। এমনকী নিজের লোকেরা মারা গেলেও ফেসবুকে স্টেটাস দিতেই বেশি ব্যস্ত থাকেন। গ্রামের মানুষের লড়াই ও ভালবাসা তাঁরা বুঝবেন কী করে!
এতবার ডুয়ার্সে এসেছি। কিন্তু এমন একটা জায়গায় কেন আসিনি! নিজেদের ওপরই রাগ হল। নৌকোয় বাবুও সঙ্গে ছিল। ভাগ্যিস বাবু সিকিয়াঝোরার প্রস্তাবটা দিল! নইলে তো এবারও আসা হত না। অন্তত আমাদের পরিকল্পনার মাঝে কোথাও ছিল না এই উত্তরের অ্যামাজন। বাবুকে কী ভাষায় ধন্যবাদ জানাব! শব্দভান্ডারের কোনও শব্দই জুৎসই মনে হল না। আমাদের রোমাঞ্চ, আমাদের মুগ্ধতা দেখে যা বোঝার, ও বুঝে নিক।
যাঁরা রেল প্রশাসন চালাচ্ছেন, তাঁদের কি বাংলা মানচিত্র সম্পর্কে ন্যূনতম ধারনাও নেই? তাঁদের একবারও মনে হয় না, সকাল দিকে অন্তত একটা ট্রেন হাওড়া থেকে থাকা দরকার! বাঁকুড়া–পুরুলিয়ায় তো তিনজনের মধ্যে দুজন সাংসদ বিজেপির। অধিকাংশ বিধায়ক বিজেপির। তাঁরাই বা কী করছেন? এটা তো রাজ্যের ব্যাপার নয়। রাজ্য বাধা দিচ্ছে, এমনটাও বলা যাবে না। তাহলে তাঁদের ভূমিকাটা কী?