সরফরাজকে আর ‘মোটা’ বলবেন না
আসলে, সরফরাজের লড়াইটা ছিল নিঃশব্দে। আমি এই করছি, আমি ওই করছি, সোশ্যাল মিডিয়ায় জাহির করতে যাননি। জিমে নিঃশব্দে ঘাম ঝরিয়েছেন, ট্রেনারের কথা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেছেন। আর নিজের জিভে লাগাম দিয়েছেন। প্রিয় আইটেমগুলো একে একে নিঃশব্দে ছেঁটে ফেলেছেন। জানতেন, ঢাকঢোল পেটাতে গেলে, শুধু ঢাকঢোল পেটানোই হবে। কাজের কাজ কিছু হবে না।
আগে উত্তমের ছবি, সেখান থেকে হিন্দি ছবি
হিন্দি ছবির দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।
কত গানকে নতুন জীবন দিয়েছেন!
কী আশায় বাঁধি খেলাঘর। অনেকেই জানেন, এটা কিশোর কুমারের গান। তার বছর দশেক আগে এটা বাবা আকাশবাণীর লাইভ অনুষ্ঠানে গেয়েছিলেন। যে কোনও কারণেই হোক, তখন গানটা জনপ্রিয়তা পায়নি। গানটা বাবারই সুর দেওয়া।
