নাটক কবে, কোথায়?‌

কোন হলে কোন ছবি চলছে, ইদানীং সেটা জানা খুব একটা কঠিন নয়। আবার উল্টোটাও সত্যি, কোন ছবি কোন কোন হলে চলছে, সেটাও জানা যায়। নানারকম অ্যাপ বেরিয়েছে। সেখান থেকে আগাম...

চোখ বুজলেই দশ হাজারের সেই দৌড়

আমরা গর্ব করে বলি, আমাদের একটা গাভাসকার ছিল। এই গর্ব আজীবন বয়ে বেড়াতে চাই। আমরা শচীন, কোহলিকে ভালবাসি। তাঁদের জন্যও গর্ব করি। কিন্তু শ্রেষ্ঠত্বের প্রশ্ন এলে চোখ বুজে মনে পড়ে দশ হাজার রানের সেই দৌড়টা।

বেঙ্গল টাইমস। ই–‌ম্যাগাজিন। ১০ জুলাই সংখ্যা

জ্যোতি বসুর স্মরণে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ ই–‌ম্যাগাজিন। নানা আঙ্গিক থেকে কিংবদন্তিকে দেখার চেষ্টা। ৪০ পাতার পিডিএফ। সঙ্গে ওয়েবলিঙ্ক।

জ্যোতি বসু, ছোট্ট নাম, বিরাট ব্যক্তিত্ব

সোশ্যাল মিডিয়ায় আচ্ছন্ন প্রজন্মের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়, জ্যোতি বসু ঠিক কেমন ছিলেন। সিলেবাসেও নিজেকে ঢোকানোর চেষ্টা করেননি। ইউটিউব বা সবজান্তা গুগল ঘাঁটলেও বিরাট কিছু পাবেন না। ঢালাও বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচারের আনুকূল্যে জ্যোতি বাবুদের ভেসে থাকতে হয় না। তাঁরা থেকে যান কাজে। তাঁরা থেকে যান চেতনায়। ‘‌জ্যোতি বসু, ছোট্ট নাম, কী বিরাট ব্যক্তিত্ব’‌।‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

‌সব চা একইরকম, প্যাকেটগুলো আলাদা

উনি বললেন, এটা হাজার টাকা কেজি, এটা দু হাজার টাকা কেজি। আমাকে এসব বুঝিয়ে কাজ নেই। আমিও নানা জায়গায় যাই। শুনেছি, দামী চা দেওয়া হয়। কিন্তু হাজার টাকার চায়ের সঙ্গে দু হাজার টাকার চায়ের কী তফাত, আমি বুঝি না। ওনার স্ত্রী নিশ্চয় বোঝেন। কিন্তু আমার তো মনে হয়, সব চা গুলোই একই, শুধু প্যাকেট গুলো আলাদা।

জ্যোতিবাবু জঙ্গলের বড় বাঘের মতো

কয়েক বছর আগে, জ্যোতি বসুর জন্মদিনে ইজেডসিসি-তে একটি অনুষ্ঠান। সেখানে জ্যোতি বাবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন বর্ষীয়াণ সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। একেবারে ভিন্নধর্মী একটি ভাষণ। বেঙ্গল টাইমসে সেই লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল। এখনও মাঝে মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আপন খেয়ালে লেখাটি ঘুরে বেড়ায়। সেই লেখাটি তুলে ধরা হল।

‌ ভাইরাল হয়েই থেকে গেল ‘‌এমন তো কতই হয়’‌

‘‌এমন তো কতই হয়।’‌ দিব্যি এই কথাটা জ্যোতি বসুর নামে চালিয়ে দেওয়া হয়। অথচ, এই কথাটা জ্যোতি বসু কোনওদিন উচ্চারণও করলেন না। তা সত্ত্বেও কী অবলীলায় তাঁর নামে চালিয়ে দেওয়া হল। টিভির তর্ক বিতর্কে মাঝে মাঝেই তৃণমূল বা বিজেপির প্রতিনিধি এই কথাটা জ্যোতি বাবুর নামে চালিয়ে দেন। আর সেই চ্যানেলে হাজির বাম নেতা তখন মাথা নামিয়ে কার্যত স্বীকার করেই নেন। এখনও পর্যন্ত কাউকেই বলতে শুনলাম না, ওটা জ্যোতিবাবু বলেনননি। অথচ, সত্যিই জ্যোতিবাবুর মুখ থেকে ওই বাক্যটা বেরোয়নি।

পাহাড় হাসছে, জ্যোতিবাবুকে কখনও এমন ঢাক পেটাতে হয়নি

আশির দশকেও পাহাড় উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে। কীভাবে সামাল দিয়েছিলেন জ্যোতি বসু?‌ তাঁর জন্মদিনে সেই কথাই উঠে এল বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে একটু আয়নার সামনে দাঁড়ান ক্রীড়া সাংবাদিকরা

অজয় নন্দী ১ জুলাই দিনটা পালিত হয় চিকিৎসক দিবস হিসেবে। পরের দিনটা হল ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস। বিভিন্ন ক্রীড়া সাংবাদিকেরা দিনটি নানাভাবে স্মরণ করেছেন। নিশ্চিতভাবেই নানারকম ছবি পোস্ট করেছেন। নিজেদের কীর্তির...

কেনেডির কাছেও ভিজিট চেয়েছিলেন!‌

‌স্বরূপ গোস্বামী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাড়িতে নিয়ম করে রোগী দেখতেন বিধানচন্দ্র রায়। কারও কাছেই কোনও ভিজিট নিতেন না। একেবারেই নিখরচায়। সেই বিধানচন্দ্রই ভিজিট চেয়ে নিয়েছিলেন বিশেষ একজনের কাছে। তিনিও আবার...