২৯ জুলাই, শিবদাস ভাদুড়ির চোখে
(শিল্ড জয়ের রাত। চারিদিকে উৎসব। উড়ছে মোহনবাগানের পতাকা।মোহনবাগানের জয় আর স্বাধীনতা যেন মিলেমিশে একাকার। সেই রাতে ডায়েরিতে কী লিখেছিলেন শিবদাস ভাদুড়ি। না লেখা সেই ডায়েরির পাতা বেঙ্গল টাইমসে উঠে এল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
(শিল্ড জয়ের রাত। চারিদিকে উৎসব। উড়ছে মোহনবাগানের পতাকা।মোহনবাগানের জয় আর স্বাধীনতা যেন মিলেমিশে একাকার। সেই রাতে ডায়েরিতে কী লিখেছিলেন শিবদাস ভাদুড়ি। না লেখা সেই ডায়েরির পাতা বেঙ্গল টাইমসে উঠে এল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
বাংলা ভাগের নিদান দিয়েছিলেন। ভেসে গিয়েছিল সম্মিলিত প্রতিবাদে। বিদায়ী গভর্নর জেনারেল কীভাবে দেখেছিলেন মোহনবাগানের শিল্ড জয়কে ? সেই সময়ে ফিরে গিয়ে লর্ড কার্জনের মনের কথা জেনে নিলেন মযূখ নস্কর।
এমন একটা ইনিংস মহাকালের মহাফেজখানায় জায়গা পাওয়ার মতোই। গাভাসকার, শচীনরা আগেই বিদায় নিয়েছেন। বিরাট কোহলিও আর টেস্টে খেলবেন না। আমরা গর্ব করে বলতে পারব, আমাদের একটা ঋষভ পন্থ ছিল। এমন ইনিংস যে কোনও শতরানকেও ম্লান করে দিতে পারে।
আসলে, সরফরাজের লড়াইটা ছিল নিঃশব্দে। আমি এই করছি, আমি ওই করছি, সোশ্যাল মিডিয়ায় জাহির করতে যাননি। জিমে নিঃশব্দে ঘাম ঝরিয়েছেন, ট্রেনারের কথা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেছেন। আর নিজের জিভে লাগাম দিয়েছেন। প্রিয় আইটেমগুলো একে একে নিঃশব্দে ছেঁটে ফেলেছেন। জানতেন, ঢাকঢোল পেটাতে গেলে, শুধু ঢাকঢোল পেটানোই হবে। কাজের কাজ কিছু হবে না।
হিন্দি ছবির দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।