কিশোর বলেছিলেন, তোমার এক ডাকে হাজির হয়ে যাব
মুখোমুখি দুই কিংবদন্তি। কিশোর কুমারের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন লতা মঙ্গেশকার! না, কাল্পনিক ঘটনা নয়। সত্যিই এমনটা হয়েছিল। কিশোর কুমারের জন্মদিনে সেই সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে ।।
মুখোমুখি দুই কিংবদন্তি। কিশোর কুমারের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন লতা মঙ্গেশকার! না, কাল্পনিক ঘটনা নয়। সত্যিই এমনটা হয়েছিল। কিশোর কুমারের জন্মদিনে সেই সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে ।।
তারপরেও ভোলেবাবা গেছি। কিন্তু আর কখনও গঞ্জিকা চক্করে পড়িনি। তবে এখনও কাউকে ভোলেবাবা যেতে দেখলে গন্ধেশ্বরীর পাড়ে ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যটা মনে পড়ে যায়।
লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।
এরপর উনি একটা খবরের কাগজ বের করে সিটের ওপর পেতে খাবার খেতে বসলেন। থালা, বাটি, চামচ, জলের গ্লাস সাজালেন প্রথমে। তারপর একে একে বেরোলো ভাত, ডাল, আলুসেদ্ধ, করোলা ভাজা, পনিরের তরকারি, মাছের ঝোল, ডিম কষা, দেশি মুরগির ফ্যামিলি, পাঁঠার পাল, ভেড়ার চোদ্দ গুষ্টি, দই, মিষ্টি, আইসক্রিম, পান মশলা ইত্যাদি। মোবাইলে পুরানো দিনের একটা বাংলা গান তারস্বরে চালিয়ে, উনি খেতে বসলেন। গান চলছে, ‘আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর-
এতদিন আগের প্রধানমন্ত্রীদের অকাতরে ‘কাপুরুষ’ বলে এসেছেন। এখন সেই ‘তকমা’ নিজের দিকে ধেয়ে আসবেই। এতদিন অন্যদের বলে গেছেন আমেরিকার কথায় ওঠা–বসা করে। এবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যেই বারবার বলে চলেছেন, তাঁর ধমকে সিজ ফায়ার বন্ধ হয়েছে। এখন সরকারের চুপ থাকা ছাড়া কিছুই করার নেই। ইতিহাস এভাবেই ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসে।
সাই সুদর্শনও বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরেও পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েছেন। অভিমন্যুকে কি সত্যিই একটা টেস্টেও খেলানো যেত না? তিনি যদি এতই অযোগ্য, তাহলে পনেরো বা ষোল জনের দলে তাঁকে রাখা হয় কেন?
ট্রেনে জায়গা নেই, বাসে দ্বিগুন, তিনগুন ভাড়া, হোটেল ভাড়াও চার–পাঁচগুন। এরপরও মানুষ যাচ্ছেন। এর থেকেই বোঝা যায়, বাঙালি কতটা ভ্রমণ প্রিয় জাতি। বাঙালির থেকে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ জাতি হয়তো অনেক আছে। কিন্তু আর কেউ ভ্রমণকে এতখানি গুরুত্ব দেয় বলে মনে হয় না।
খোঁজ নিয়ে দেখুন তো, আপনার কজন পরিচিত লোকের বাড়িতে পুজো সংখ্যা নেওয়া হয়, তাহলেই বুঝতে পারবেন। আসলে, আমরা টানা দশ পাতা পড়ার মতো ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছি। আর এই সহজ সত্যিটা এখনও বুঝে উঠতেই পারিনি।
বাঙালির পর্যটন মানে শুধু দিঘা, পুরী, দার্জিলিং— এই বৃত্তে কেন আটকে থাকবে? এর বাইরে বেরোতে হবে। এই বাংলায় এত বৈচিত্র। আরও বেশি করে ভ্রমণপ্রেমী মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তবেই পর্যটনের যথার্থ বিস্তার ঘটবে।