নীতীশের নামে ওই ফলকটা হয়তো ব্যুমেরাং হয়ে দাঁড়াত
আর কেউ না বুঝুক, নীতীশ কুমার হয়তো বুঝেছিলেন, তাঁর নৌকো কোন শিবিরে ভিড়তে চলেছে। হয়তো সেই কারণে তিনি নিজেও আসতে চাননি। একদিক দিয়ে বিচক্ষণই বলতে হবে। অন্তত বামেদের বিড়ম্বনার হাত থেকে বাঁচিয়েছেন। অন্তত এই একটা কারণে তাঁকে ধন্যবাদ জানানোই যায়।
শ্রমিকরা রাজ্যেই থাকুন
এক রাজ্যের শ্রমিক অন্য রাজ্যে যায় কেন? সহজ কথা, কাজের খোঁজে। শুধু যে শ্রমিকরা যান, এমন তো নয়। ডাক্তারি বা ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেও অনেকে উন্নততর কাজের খোঁজে ছুটে যান ভিন দেশে বা ভিন রাজ্যে। ঠিক তেমনই শ্রমিকরাও যান। হয়তো শ্রমিকের সংখ্যাটা অনেক বেশি। অনেক রাজ্য আছে, যেখানে কাজ আছে, কিন্তু পর্যাপ্ত শ্রমিক নেই। অনেক রাজ্য আছে, যেখানকার শ্রমিকরা কাজের খোঁজে চলে যান দুবাই বা আরব দুনিয়ায়।
বইমেলা সংখ্যা ২০২৪
বেঙ্গল টাইমসও হাজির বিশেষ বইমেলা সংখ্যা নিয়ে। নানা আঙ্গিকের লেখায় বইমেলার আবেগকে একটু ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা। পুরো ই–ম্যাগাজিনটি পিডিএফ ফাইলে আপলোড করা হল। সহজেই ডাউনলোড করতে পারেন। সহজেই পড়তেও পারেন। নীচে দেওয়া হল ওয়েব লিঙ্ক। এখানে ক্লিক করলেই খুলে যাবে ই–ম্যাগাজিন। এমনকী প্রচ্ছদের ছবিতে ক্লিক করেও পড়ে ফেলা যায় এই বিশেষ বইমেলা সংখ্যা।
আমার ঠিকানা ওই লিটল ম্যাগাজিনের প্যাভিলিয়ন
এই লিটল ম্যাগাজিন প্যাভিলিয়নও আসলে একটা সমুদ্র। কত বিষয় সম্ভার। কত নানা ধরনের ভাবনার সংকলন। বড় বড় প্রকাশনা সংস্থা হয়তো এসব নিয়ে বই করার সাহসই দেখাবে না। কারণ, এসব বইয়ের বাজার নেই। কিন্তু এই লিটল ম্যাগের লোকগুলো নাছোড়বান্দা। তাঁরা ভাল করেই জানেন, কেউ পড়বে না। টাকা উঠে এল কিনা, তাঁরা পরোয়াও করেন না। তাঁদের যা ভাল লাগে, তাঁরা তাই করেন।
বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, নেতাজিকে চেনেন!
কাউকে মহান করতে গিয়ে অন্যদের ছোট করতে বাঙালির জুড়ি নেই। নেতাজিকে মহান করতে গিয়ে আমরা কত লোককে অহেতুক ছোট করি। আমাদের যত আগ্রহ নেতাজির মৃত্যু নিয়ে। কথা বললেই বোঝা যায়, নেতাজি সম্পর্কে এঁরা প্রায় কিছুই জানেন না। লিখেছেন সুমিত চক্রবতী।।
বাংলা সাহিত্যের মুশকিল আসান
নন্দ ঘোষের কড়চা: থিম তো নয়, ঘোড়ার ডিম
এবার বোধ হয় সম্বিত ফিরেছে। স্প্যানিশ সাহিত্য থেকে এবার তাঁরা ইংরাজি সাহিত্যে ফিরেছেন। মানে, থিম হয়েছে ব্রিটেন। থিম না ঘোড়ার ডিম। ব্রিটিশ প্যাভিলিয়নের বাইরে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার মজাই আলাদা। সামনে অনেকটা ফাঁকা জায়গাও রাখা আছে। আচ্ছা, ওখান থেকে কজন বই কিনলেন! খুব জানতে ইচ্ছে করে। তবে, কোস্টারিকা, গুয়াতেমালার থেকে অন্তত থিম হিসেবে ব্রিটেন মন্দ নয়।
নেতাজি মূর্তি ও সন্দীপনের সেই ঐতিহাসিক উক্তি
অযোধ্যা নয়, দাদু–নাতিতে বইমেলায়
অনেক হল ধর্মচর্চা। আমার তাহলে করণীয় কী? ঠিক করে নিলাম, আজ টিভি দেখব না। কাগজে এই সংক্রান্ত কোনও খবরও পড়ব না। যাঁরা এতে মেতে আছে, মেতে থাকুক। আমি ঠিক করলাম, বইমেলায় যাব। আমি থাকি মফস্বলে। এখান থেকে শিয়ালদা প্রায় একঘণ্টার পথ। যাওয়ার সময় তেমন সমস্যা নেই। কিন্তু ফেরার সময় বিস্তর ভিড়। তাছাড়া, বয়সটাও তো বাড়ছে। তবু ঠিক করে নিলাম, বইমেলাই যাব। সঙ্গে নিলাম দশ বছরের নাতিকে। শুধু নিজে টিভির ওই অযোধ্যা–প্লাবন থেকে দূরে থাকলেই হবে না। মনে হল, ছোট্ট নাতিটাকেও এর থেকে দূরে রাখা দরকার।
