বেঙ্গল টাইমস ই–‌ম্যাগাজিন। ১৪ ফেব্রুয়ারি সংখ্যা

বেঙ্গল টাইমস ই–‌ম্যাগাজিন। ১৪ ফেব্রুয়ারি সংখ্যা। প্রায় পঞ্চাশ পাতার ম্যাগাজিন। সহজেই পড়ে ফেলা যায়। পিডিএফ আপলোড করা আছে। দেওয়া আছে ওয়েবলিঙ্কও।

‌বিকল্পের কোনও পরিশ্রম নেই

ছোট থেকেই শুনে আসছি, পরিশ্রমের কোনও বিকল্প নেই। বিরোধী জোটের দায়সারা মনোভাব ও কাণ্ড কারখানা দেখেই শিরোনামটা উল্টে দেওয়া। বলতেই হচ্ছে, বিকল্পের কোনও পরিশ্রম নেই। ‌‌

হ্যাঁ, রাজ্যসভা শমীকবাবুদেরই জায়গা, আকাট মূর্খদের নয়

শমীক ভট্টাচার্যকে চিনি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে। দুরন্ত বক্তা। পড়াশোনা আছে। রসবোধ আছে। তার থেকেও বড় কথা, এতদিনের রাজনৈতিক জীবনে একটিও অসংলগ্ন কথা বলেছেন বলে মনে পড়ছে না। শালীনতার মাত্রা বজায় রেখেও রাজনৈতিক আক্রমণ করা যায়, বাংলার রাজনীতিতে শমীকবাবু অবশ্যই তার বড় একটা উদাহরণ।

মেজাজটাই তো আসল রাজা, তিনি বাঁচেন নিজের মর্জিতেই

আপনার মনে হতেই পারে, বিরাট কোহলি মানে কি আইনের ঊর্ধ্বে!‌ অন্য কেউ হলে এতক্ষণ শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে হয়তো শাস্তি হয়ে যেত। নইলে অলিখিতভাবে ব্রাত্য হয়ে যেতেন। কিন্তু তাঁকে বাদ দেওয়াও যাবে না। যেদিন খেলতে চাইবেন, সসম্মানে দলে নিতে হবে। বলা যায়, তিনি যেটা চাইবেন, নির্বাচকদের সেই ইচ্ছেকেই মেনে নিতে হবে।

অর্থমন্ত্রী ক্যাবিনেটেই নেই!‌ এর নাম সরকার

স্বরূপ গোস্বামী আবার একটা রাজ্য বাজেট হয়ে গেল। যথারীতি ধন্য ধন্য রব। কিন্তু আসল প্রশ্নটা এবারও আড়ালেই থেকে গেল। আগে রাজ্য বাজেটের পর অসীম দাশগুপ্ত তার ব্যাখ্যা দিতেন। তিনিই প্রেস...

মেজাজটাই তো আসল রাজা, তিনি বাঁচেন নিজের মর্জিতে

মুদ্রার একটা অন্য দিকও তো আছে। দেশের মাটিতে পাঁচটা টেস্ট। তার মানে প্রায় দশটা ইনিংস। এর মধ্যে দু–‌তিনটে সেঞ্চুরি আসতেই পারত। তার মানে, তিনি দুটো বা তিনটে সেঞ্চুরি হাতছাড়া করলেন। সর্বাধিক শতরানের রেকর্ড যিনি তাড়া করছেন, তার কাছে দু–‌তিনটে সেঞ্চুরি হাতছাড়া হওয়া মানে অনেকটাই পিছিয়ে যাওয়া। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে কজন পারতেন এভাবে হেলায় গোটা তিনেশ শতরান আর অন্তত ৫০০–‌৬০০ টেস্ট রানকে ফেলে আসতে!‌

সরস্বতী পুজোয় কিন্তু ‌সিগারেটেরও হাতেখড়ি

আচ্ছা, মেয়েরা কি ছেলেদের এই মনোভাবের কথা বুঝতে পারত?‌ এখন বুঝি, আলবাত বুঝত। নইলে, তারাই বা এমন সেজেগুজে শাড়ি পরে আসত কেন?‌ কতজন পিছু নিচ্ছে, তারাও হয়তো মনে মনে হিসেব কষত। অন্য বান্ধবীদের সঙ্গে হয়তো কম্পিটিশনও করত। এখন বুঝি, কিন্তু তখন বুঝতাম না। বুঝলে এমন দুরুদুরু বুকে পিছু নিতাম না। সোশ্যাল মিডিয়ার আবহে প্রেম নিবেদনটা কত সহজ হয়ে গেছে। তবে, মাঝে মাঝে মনে হয়, সেই লাজুক দিনগুলোই ভাল ছিল

স্মৃতির সরণি:‌ আমাদের সেই সরস্বতী পুজো

কতকগুলো একটু বেশি বিজ্ঞ বিজ্ঞ কাকু বা জ্যেঠু থাকতো, তারা ‘তোদের স্কুলের হেডস্যার কি এখনও ভক্তিবাবুই আছে.?’,
কিংবা ‘আগে সরস্বতীর বানানটা বল’ দিয়ে শুরু করতো।

আমরা নিজেদের মধ্যে ‘এই তুই বল, তুই বলনা, তুই তো স্কুলে প্রথম বেঞ্চে বসিস’, (প্রথম বেঞ্চে বসা ছেলেরা যেন সর্বজ্ঞ)

শেষে ‘কাকু বীণাপানি বানানটা বলে দিচ্ছি, পাঁচ টাকা দিয়ে ছেড়ে দিন’,

কোয়েস–‌ইমামি বুঝি সর্বহারা!‌

দুটি দলই তৈরি করেছে অভিজাতরা, দুটি দলের পিছনেই টাকা ঢেলেছে পুঁজিপতিরা, দুটি দলকেই সমর্থন করেছে খেটে খাওয়া মানুষ। এখানে স্তালিনগ্রাদ, ভিয়েতনাম, সর্বহারা কোথা থেকে আসে হে? এটা যদি সর্বহারার জয় হয়, আপনারা যদি বামপন্থী হন তাহলে নচিকেতাও বামপন্থী। সেও মমতার মধ্যে লেনিনকে দেখতে পায়। আব্দুর রাজ্জাক মোল্লাও বামপন্থী। সেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে কাঁচা চুলের মদ্দ ছেলে দেখতে পায়।

রক্ত দিয়ে সেদিন জীবন বাঁচিয়েছিলেন ফ্র‌্যাঙ্ক ওরেল

এক দেশের অধিনায়কের প্রাণ সংশয়। রক্ত দিতে এগিয়ে এলেন আরেক দেশের অধিনায়ক। একজন নরি কন্ট্রাক্টর, অন্যজন স্যার ফ্র‌্যাঙ্ক ওরেল। ৬২ বছর আগে, এই দিনে এমনই এক ঘটনা। রয়ে গেছে ক্রিকেটের লোকগাথা হয়ে। লিখেছেন সিকিম সেন।