মহানায়ককে ঘিরে এরকম নানা মিথ। অথচ, আসলটা একটু অন্যরকম। কেন মুম্বইয়ে সেভাবে সফল হতে পারেননি? কোন কোন সুযোগ হেলায় হারিয়েছেন? কেন বড় পরিচালকদের সঙ্গে সেভাবে কাজ করা হয়ে ওঠেনি? উত্তম কুমার মানেই নাকি রোমান্টিক নায়ক। অথচ, কোথাও তিনি কমেডিয়ান, কোথাও খলনায়ক। কোথাও নায়কের বড়দা, কোথাও বাবা। শেষদিকে ‘নায়ক’ সুলভ ইমেজ ভেঙে বারবার বেরিয়ে আসতে চেয়েছেন। কিন্তু বাঙালি মনে রেখেছে সেই রোমান্টিক উত্তমকেই। মহানায়ককে ঘিরে এমন নানা প্রশ্ন। জুলাইয়ের শেষবেলায় এসে তারই উত্তর খোঁজার চেষ্টা বেঙ্গল টাইমসে। কিছু জানা, কিছু অজানা।
অমিত ভট্টাচার্য চেনা উত্তমকে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন একেবারে অচেনা আঙ্গিকে। উত্তম নিজেও বোধ হয় সেটাই চেয়েছিলেন। তাই তাঁর তৈরি চারটি ছবিই একেবারে ভিন্নস্বাদের। বছর পাঁচেক আগেও এমন সময়েও বেঁচেছিলেন পরিচালক...
কলকাতার মহানায়ক বলিউডে সফল হতে পারলেন না কেন ? অনেকে বলেন রাজ কাপুরের ষড়যন্ত্র। কেউ বলেন, উত্তম নিজেই দায়ী। ভুল লোকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আসলে ঠিক কী হয়েছিল ? অনেক অজানা দিক উঠে এল এই প্রতিবেদনে।
যে গান বাবার কণ্ঠে মানুষের কাছে পৌঁছল না, সেই গান কিশোরের কণ্ঠে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল। কিশোর কুমারের অবদানকে এতটুকুও ছোট করছি না। কিন্তু এক্ষেত্রেও একটা বড় কারণ উত্তম কুমার। তিনি লিপ না দিলে হয়ত গানটা এতখানি হিট নাও হতে পারত। স্মৃতিচারণ সৈকত মিত্রর।
না, ২৩ জুলাই পার্থর গ্রেপ্তারির বর্ষপূর্তি নয়। ২৩ জুলাই আসলে যিনি সিবিআই চালান, সেই বীরপুঙ্গবদের অপদার্থতার বর্ষপূর্তি। তাই এই বর্ষপূর্তির দিনে পার্থ বা অর্পিতাকে নিয়ে খিল্লি নয়। যদি গালাগাল দিতে হয়, ইডি কর্তাদের দিন। যদি ঘৃণা করতে হয়, দিল্লিতে বসে থাকা ওই নাটের গুরুদের করুন।