এভাবেই একদিন হাতে এল কবি অরুণ চক্রবর্তীর সেই কবিতা। সেই কবিতায় সুর দিলেন। মঞ্চে গাইতে লাগলেন। মঞ্চ থেকেই ছড়িয়ে গেল মুখে মুখে। ডাক এল ভি বালসারার কাছ থেকে। তিনি এই গানের রেকর্ড করাতে চান। বালসারাজির তত্ত্বাবধানে সেই রেকর্ড করলেন সুভাষ চক্রবর্তী। তখন সোশ্যাল মিডিয়ার রমরমা ছিল না। এফএম–ও ছিল না। বা, সুভাষ চক্রবর্তী সে অর্থে তারকা গাইয়েও ছিলেন না। তাই, এখনকার পরিভাষায় যাকে ‘ভাইরাল’ বলা হয়, তেমনটা হয়ত হয়নি। তবু, যাঁরা লোকগানের খোঁজ রাখেন, তাঁরা শুনেছিলেন।
বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, কার পৌষমাস, কার সর্বনাশ। আচ্ছা হৈমন্তী, আপনার সর্বনাশ নাকি পৌষমাস। বেশ জটিল ধাঁধা। নিভৃতে, নিরালায় আপনি নিজেও হয়ত তেমনটাই ভাবছেন। মাত্র দুদিনে কী পাবলিসিটি। যা সারাবছর সাধনা করলেও পাওয়া যায় না।
খিদিরপুর যাওয়ার রাস্তা তো বিরাট ব্যস্ত রাস্তা নয়। তাহলে, এই রাস্তায় ট্রাম ছুটতে বাধা কোথায়? তাছাড়া, ট্রাম লাইনের অনেকটাই মূল রাস্তার বাইরে। ফলে, যানজট তৈরি হওয়ার বা রাস্তা খারাপ হওয়ার তেমন আশঙ্কাও নেই। অন্তত এই রাস্তায় কি ট্রামকে বাঁচিয়ে রাখা যেত না?
এর মাঝেও একটা সারসত্যি বলেই ফেললেন। ‘আমার বসকে কেউ ছুঁতে পারবে না।’ আপাতভাবে নিরীহ একটা সংলাপ। কিন্তু বিটুইন দ্য লাইন্স পড়তে জানলে কত ব্যাখ্যাই বেরিয়ে আসে। কেন তাঁর বসকে ছোঁয়া যাবে না, তা অবশ্য ভেঙে বলেননি। অনেক রকম ব্যাখ্যা হতে পারে। ১) তাঁর বস নিতান্তই একজন সোজাসাপ্টা মানুষ, এসব দুর্নীতির কিছুই তিনি জানেন না। ২) তাঁর বস এতটাই ধুরন্ধর, কোনও প্রমাণ রাখেন না। ৩) তাঁর বসের উপর তলার বোঝাপড়া এতটাই মসৃণ, এই এজেন্সি আসলে কিছুই করতে পারবে না। এই এজেন্সি যতই দৌড়ঝাপ করুক, তাদের হাত পা বাঁধা।
সত্যিই কী দারুণ এক মোটিভেটর। স্বয়ং সৌরভ গাঙ্গুলিও কোনওদিন দাবি করেন না, আমি ওদের উৎসাহিত করে এসেছি। সুনীল গাভাসকারও কখনও এমনটা দাবি করেন না। অথচ, ক্রীড়ামন্ত্রী মনে করেন, তিনি গেলেই সবাই বোধ হয় দারুণ উজ্জীবিত হয়ে যান। নিজের সম্পর্কে মানুষের কত ভ্রান্ত ধারণাই না থাকে!
আসলে, মুখ্যমন্ত্রী ধরে আনতে বললে, পারিষদরা পারলে বেঁধে আনেন। সবাই গাল পাড়তে লাগলেন শুভাপ্রসন্নকে। শুভাপ্রসন্নর বক্তব্যের সঙ্গে অনেকে একমত না হতেই পারেন, তাই বলে তাঁকে চারিত্রিকভাবে এভাবে হেনস্থা করা খুব দরকার ছিল? বিশেষ কারও অনুমোদন বা প্রশ্রয় ছাড়া এভাবে তাঁকে হেনস্থা করা যেত? মুখ্যমন্ত্রীকে কে কতখানি তুষ্ট করতে পারেন, তার যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেল।
ফেলুদা, ব্যোমকেশ কিরীটীর কথা হয়ত জানি। কিন্তু বাংলায় প্রথম কোন মহিলা সাহিত্যিক কি গোয়েন্দ কাহিনি লিখেছেন ? ঠিক ধরেছেন, আশাপূর্ণা দেবী। একদিকে আটপৌরে সংসারের কাহিনি, অন্যদিকে গোয়েন্দাকাহিনি। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন শোভন চন্দ।।
দুই বন্ধু একমত হলাম, কার্শিয়াংয়ের কাছে ডাউহিলে গেলে কেমন হয়! জায়গাটা দারুণ, কিন্তু থাকার জায়গার অভাব। একটা ফরেস্টের বাংলো আছে। কিন্তু বুকিংয়ের হাজার ঝামেলা। ডিএফও–কে ফ্যাক্স করতে হবে। তারপর কবে তার রিপ্লাই আসবে, কে জানে! উত্তর ইতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনাও কম। পাহাড়ি জনপদে ঘুরে আসার অনুভূতি। মেলে ধরলেন অভীক মজুমদার।
তিনি একরোখা, তিনি জেদি, তিনি অভিমানী। যাই বলুন, এটাই তুলসীদাস বলরাম। চিরকাল মাথা উঁচু করে পথ চলা একজন মানুষ। এখানেই বাকিদের থেকে তিনি অনেকটা আলাদা।
বাঙালি যদি হতে হয়, তাহলে একদিন বা দুদিনের আদিখ্যেতা নয়। রোজ বাঙালি হয়ে উঠুন। বাংলাকে ভালবাসুন। বাংলা বই পড়ুন, গান শুনুন, ছবি দেখুন। বাংলা লিখতেও শিখুন। নইলে একুশে ফেব্রুযারি দিনটা বড্ড বেমানান মনে হবে। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।