শীত ফুরোনোর আগেই ঘুরে আসুন শিমুলতলায়

দাদার কীর্তির শুটিং হয়েছিল কোথায় ? ঠিক ধরেছেন, শিমূলতলায়। একসময় এই শিমূলতলাই ছিল বাঙালির কাছে ‘পশ্চিম’। হাওয়া বদল করতে ভিড় জমাতেন অনেকে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নিয়ে এখনও সে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। সেই ডাকে সাড়া দেবেন না ? তার আগে শান্তনু ব্যানার্জির এই লেখাটি অবশ্যই পড়ুন।।

একটা নির্লজ্জ হোর্ডিং কতকিছু বুঝিয়ে দিল

যাঁর ছবি টাঙানো হয়েছে, তাঁকেও বলিহারি। তিনি নাকি সব খবর রাখেন। কোন গ্রামে কে কী করছে, সব নাকি তিনি জানেন। আর গোটা সল্টলেকজুড়ে তাঁর হাজার হাজার হোর্ডিং টাঙানো হল, এটুকু জানেন না!‌ নিজেও তো একবার বলতে পারতেন, প্লিজ, ওই হোর্ডিংয়ে আমার ছবি রাখবেন না। ওখানে আমার ছবি বেমানান।

বেঙ্গল টাইমস। বইমেলা সংখ্যা

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। এখন সেই পার্বণের সংখ্যাটা অনেক বেড়েছে। তবে সংস্কৃতিমনষ্ক বাঙালির সেরা পার্বণ নিশ্চিতভাবেই বইমেলা। সেই বইমেলা নিয়েই বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ নিবেদন— বইমেলা সংখ্যা। নানা আঙ্গিক থেকে বইমেলাকে দেখা। পুরো ম্যাগাজিনটি পিডিএফ ফর্মাটে আপলোড করা আছে। ডাউনলোড করলে সহজেই পড়তে পারবেন।

এই মশাল জ্বলতেই থাকুক

এখন অনলাইন ডেলিভারিতে ঘরে বসেই বই পাওয়া যায়। কলেজ স্ট্রিটে গেলে ডাবল ডিসকাউন্টও পাওয়া যায়। যত সহজ বিকল্পই আসুক, তবু বইমেলা ইজ বইমেলা। এর সঙ্গে আর কোনও মেলার তুলনা চলে না।

সাজানো চিত্রনাট্য, আসলে নিচুস্তরের ভাঁড়ামি

কৃতী ভাইপোও সেই পথেই এগোচ্ছেন। যে সস্তা প্রচার থেকে অনেকটাই দূরত্ব রেখেছিলেন, আর সেই দূরত্ব থাকছে না। তিনিও কার্যত ছবির পোজ দিতেই ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন। যে যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছেন, তার সবগুলোই একেবারে চিত্রনাট্য মেনে। একেবারে নিচুস্তরের ভাঁড়ামি। অনেক বদগুনের মাঝে অন্তত একটা গুন ছিল। এখন আর সেটাও রইল না।

নামেই অরন্ধন, আসলে মহারন্ধন

সরস্বতী মানে কি শুধুই মেয়েদের শাড়ি পরা আর ছেলেদের মেয়ে দেখা?‌ তার বাইরেও আরও অনেককিছু। পরের দিন অরন্ধন। যৌথ পরিবারে সে যেন এক মহারন্ধনের কর্মযজ্ঞ। ফেলে আসা সময়ে উকি দিয়ে টুকরো টুকরো মুহূর্তগুলো ফিরে দেখা। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।

নন্দ ঘোষের কড়চা ভারি আমার স্প্যানিশ বোদ্ধা

ইচ্ছে করছে স্প্যানিশ ভাষায় গোটা কয়েক গালাগাল শিখে গিল্ডকর্তাদের শোনাতে। দেখি, কেমন বুঝতে পারেন। আমি নিশ্চিত, ত্রিদিববাবুরা মুখ্যমন্ত্রীর সামনে যেমন দাঁত কেলিয়ে হাসেন, আমার স্প্যানিশ গালাগাল শুনলেও তেমনিই হাসবেন।

বইমেলা বললে সেই ময়দানকেই মনে পড়ে

এখন একটা অদ্ভুত সময়। বিশেষ একজন যে সুরে কথা বলেন, সবাই সেই সুরেই কথা বলেন। তাঁর কথাই ঠিক, এটা প্রমাণ করতেই ব্যস্ত থাকেন। তাই কবি–‌সাহিত্যিকদের স্বাধীন কণ্ঠস্বর এখন তেমন খুঁজে পাই না। তাই ময়দানকে ঘিরে অনেকের নস্টালজিয়া থাকলেও তা প্রকাশ করতে দেখা যায় না। কী জানি, যদি তিনি রেগে যান!‌

জয় গোস্বামীর থেকে ঋতুপর্ণার কদর বেশি!‌

এ কোন বইমেলা, যেখানে ঋতুপর্ণার পেছনে এমন ভিড়, অথচ জয় গোস্বামীকে একা একা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়!‌ কেউ ফিরেও তাকায় না। কবি নিজেও তাকিয়ে রইলেন ভিড়ের দিকে। ভিড় চলে গেল। তিনি রাস্তার ধারে একাকী দাঁড়িয়েই রইলেন। কী ভাবছিলেন, মনে মনে কোনও কবিতা জন্ম নিচ্ছিল কিনা জানি না। হ্যাঁ, এই হুড়োহুড়ি, এই আদেখলাপনা—এটাই হয়ত মূলস্রোত বইমেলা। নির্বাক মুখ নিয়ে একাকী কবির দাঁড়িয়ে থাকা, এটাও বইমেলা।‌‌

বই তো কিনলেন, এবার?‌

নতুন বছরে বাঙালির নতুন পার্বণ— বইমেলা। দেখতে দেখতে শুরুও হয়ে গেল। স্বভাবতই বইপত্র নিয়ে আলোচনা চলবে। অনেকেই নতুন নতুন বই কিনবেন। একে একে পড়াও শুরু হয়ে যাবে। কোন বইটা কেমন...