ছবি তোলা ছাড়া মন্ত্রী আর কী বোঝেন!‌

সত্যিই কী দারুণ এক মোটিভেটর। স্বয়ং সৌরভ গাঙ্গুলিও কোনওদিন দাবি করেন না, আমি ওদের উৎসাহিত করে এসেছি। সুনীল গাভাসকারও কখনও এমনটা দাবি করেন না। অথচ, ক্রীড়ামন্ত্রী মনে করেন, তিনি গেলেই সবাই বোধ হয় দারুণ উজ্জীবিত হয়ে যান। নিজের সম্পর্কে মানুষের কত ভ্রান্ত ধারণাই না থাকে!‌

স্তাবকতা কী বস্তু, হাড়ে হাড়ে টের পেলেন শুভাপ্রসন্ন

আসলে, মুখ্যমন্ত্রী ধরে আনতে বললে, পারিষদরা পারলে বেঁধে আনেন। সবাই গাল পাড়তে লাগলেন শুভাপ্রসন্নকে। শুভাপ্রসন্নর বক্তব্যের সঙ্গে অনেকে একমত না হতেই পারেন, তাই বলে তাঁকে চারিত্রিকভাবে এভাবে হেনস্থা করা খুব দরকার ছিল?‌ বিশেষ কারও অনুমোদন বা প্রশ্রয় ছাড়া এভাবে তাঁকে হেনস্থা করা যেত?‌ মুখ্যমন্ত্রীকে কে কতখানি তুষ্ট করতে পারেন, তার যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেল।

গোয়েন্দা–‌কাহিনিও লিখেছিলেন আশাপূর্ণা!‌

ফেলুদা, ব্যোমকেশ কিরীটীর কথা হয়ত জানি। কিন্তু বাংলায় প্রথম কোন মহিলা সাহিত্যিক কি গোয়েন্দ কাহিনি লিখেছেন ?‌ ঠিক ধরেছেন, আশাপূর্ণা দেবী। একদিকে আটপৌরে সংসারের কাহিনি, অন্যদিকে গোয়েন্দাকাহিনি। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন শোভন চন্দ।।

ডাউহিলে ঠাঁই হল না, অগত্যা চিমনি

দুই বন্ধু একমত হলাম, কার্শিয়াংয়ের কাছে ডাউহিলে গেলে কেমন হয়!‌ জায়গাটা দারুণ, কিন্তু থাকার জায়গার অভাব। একটা ফরেস্টের বাংলো আছে। কিন্তু বুকিংয়ের হাজার ঝামেলা। ডিএফও–‌কে ফ্যাক্স করতে হবে। তারপর কবে তার রিপ্লাই আসবে, কে জানে!‌ উত্তর ইতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনাও কম। পাহাড়ি জনপদে ঘুরে আসার অনুভূতি। মেলে ধরলেন অভীক মজুমদার।