পাহাড়–সমুদ্র থাক, জেল থেকেই ঘুরে আসুন
কখনও জেলে যাননি? যেতে ইচ্ছে করছে? জেলের ভেতরের জীবনটা কাছ থেকে দেখতে চান? কোনও অপরাধ না করেও আপনি জেলে কয়েকটা দিন কাটিয়ে আসতে পারেন। এমনই এক জেলের হদিশ এই লেখায়।
কখনও জেলে যাননি? যেতে ইচ্ছে করছে? জেলের ভেতরের জীবনটা কাছ থেকে দেখতে চান? কোনও অপরাধ না করেও আপনি জেলে কয়েকটা দিন কাটিয়ে আসতে পারেন। এমনই এক জেলের হদিশ এই লেখায়।
স্মৃতিটুকু থাক। পাঠকের মুক্তমঞ্চ। এখানে পাঠক নির্দ্বিধায় নিজের ফেলে আসা জীবনের টুকরো টুকরো ঘটনা তুলে ধরতে পারেন। স্কুল ম্যাগাজিনকে ঘিরে অনেকদিনের পুরনো একটি ঘটনা। তুলে ধরলেন সজল চক্রবর্তী।।
কখনও তিনি অরণ্যে। কখনও ইছামতির তীরে। কখনও অপুর শৈশবে, তো কখনও সুদূর আফ্রিকায়। জীবনের নানা টুকরো টুকরো অনুভূতি উঠে এসেছে তাঁর লেখায়। কিন্তু সেই বিভূতিভূষণ নিজে কেমন ছিলেন? স্মৃতির সরণি বেয়ে হাঁটলেন মিত্র অ্যান্ড ঘোষ-এর কর্ণধার সবীতেন্দ্রনাথ রায়। তাঁর সফরসঙ্গী সাংবাদিকতার ছাত্র শোভন চন্দ।
আমি কিছুক্ষণ পিছু নিলাম। কিন্তু ডাকার সাহস পেলাম না। কী জানি, কী মনে করবে! যদি অস্বস্তিতে পড়ে যায়! মাঝে প্রায় চোদ্দ–পনেরো বছর পেরিয়ে গেছে। সময়ের আয়নায় ধুলো জমে গেছে। তবু পাঁচবছর আগের সেই বইমেলার দুপুরটা বড় বেশি করে মনে পড়ে। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে বইমেলার কিছু টুকরো টুকরো স্মৃতি।
আপনার সবথেকে বড় গুণ আপনার লেখা মহিলারাও গোগ্রাসে পড়েছেন। কিন্তু আপনার এই লেখাগুলো আজকের সিরিয়ালের উন্নত সংস্করণ। সিরিয়ালে যেমন একটি করে দজ্জাল মহিলা থাকে, যারা সংসারে আগুন লাগায়। সিরিয়ালে যেমন অধিকাংশ পুরুষ হয় বদমাশ নয় মেনিমুখো। আপনার লেখাতেও তাই। নন্দ ঘোষের কড়চায় এবার শিকার শরৎচন্দ্র।
সত্যিই, একটা হিম্মৎ লাগে। আঠারোর স্পর্ধায় যেন সেই সাহসটাই অর্জন করেছেন তরুণ তুর্কি। কবিতার ভাষাতেই ফের বলতে ইচ্ছে করছে, এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।
১৩ ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব বেতার দিবস। অনেকের স্মৃতিতে রয়ে গেছে কাঠের বাক্সের সেই রেডিও। এখন রেডিওতে মন কী বাত হয়। কিন্তু সেই ফেলে আসা রেডিওকে নিয়ে আমাদের মনের কথাটা ঠিক কী? নস্টালজিয়ায় মোড়া দারুণ এক লেখা উপহার দিলেন সন্দীপ লায়েক।
শুধু পড়লেই তো হবে না। বলতেও হবে। কোনও ভাল বন্ধু নেই? যে আপনার ইংরাজি শুনে হাসবে না, এমন কারও সঙ্গে প্র্যাকটিস করুন। অফিসেও হতে পারে, বাড়িতেও হতে পারে, ফোনেও হতে পারে।এমনই দশটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস।।