নতুন বিভাগ: বইমেলার ডায়েরি
শুরু হল বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ— বইমেলার ডায়েরি। চলবে পুরো মার্চ মাস জুড়েই। বইমেলার নানা ঘটনা, বিতর্ক যেমন থাকবে। তেমনই থাকবে কিছু স্মরণীয় বইয়ের আলোচনা।
শুরু হল বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ— বইমেলার ডায়েরি। চলবে পুরো মার্চ মাস জুড়েই। বইমেলার নানা ঘটনা, বিতর্ক যেমন থাকবে। তেমনই থাকবে কিছু স্মরণীয় বইয়ের আলোচনা।
এত অতিথির সমাগম। যেন চাঁদের হাট। কে নেই সেখানে ! খেলা থেকে গান, সিনেমা থেকে সাহিত্য, সব জগতের দিকপালরাই হাজির। কাকে ছেড়ে কার দিকে তাকাব ? কার দিকে আবার ! অনেক তারার মাঝে ধ্রুব তারা তো একজনই। লিখেছেন অভিরূপ অধিকারী।।
মাঝে প্রায় চোদ্দ–পনেরো বছর পেরিয়ে গেছে। সময়ের আয়নায় ধুলো জমে গেছে। তবু পাঁচবছর আগের সেই বইমেলার দুপুরটা বড় বেশি করে মনে পড়ে।
লতাজি-আশাজি যেন চিরতরুণী। এর একটাই কারণ, পরিশ্রম, একাগ্রতা আর সঙ্গীতের প্রতি ভালবাসা। আমাদের মধ্যে এর ছিঁটেফোঁটাও নেই। যতবার ওই বাড়ির পাশ দিয়ে পেরোই, মনে হয় যেন কোনও মন্দিরের পাশ দিয়ে যাচ্ছি। জানি না, কখনও সঙ্গীতের ওই মন্দিরে ঢোকার সুযোগ হবে কিনা।স্মৃতিচারণে বিশিষ্ট শিল্পী কেকা ঘোষাল।।
হেঁকে হেঁকে বিক্রি করেন। অনেক চেনা মানুষের সঙ্গে নিশ্চয় দেখা হয়ে যায়। তখন সঙ্কোচ হয় না! বাংলা আকাদেমি চত্বরে দাঁড়িয়ে চায়ে চুমুক দিতে দিতে বললেন, ‘কে যে কীসে লজ্জা পায় আর কে যে কীসে গর্ব অনুভব করে, তা বোঝা খুব মুশকিল। একজন মাতাল মদ খেয়ে রাস্তায় চিৎকার করতে করতে যায়। ভাবে সে বোধহয় দারুণ মূল্যবান কথা বলছে। অনেক বড় বড় মানুষও এমন কাজ করে, যা বেশ হাস্যকর। কিন্তু তারা ভাবে, তারা বুঝি দারুণ কিছু করছে। তাছাড়া, চুরি–ডাকাতি তো করছি না। নিজের পত্রিকা নিজে বিক্রি করি। লজ্জা পেতে যাব কেন?
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর প্রকাশ পেল দাদার কীর্তি। সঙ্গে সঙ্গে তরুণ মজুমদার জানিয়ে দিলেন, তিনি ছবি করতে চান। ছবিও হয়ে গেল। অজানা কাহিনী উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।
যাঁরা সারাদিন সিরিয়ালে মুখ গুঁজে থাকেন, তাঁরা বোধ হয় জানেন না আটের দশক বা নয়ের দশকে কেমন সিরিয়াল হত। তেরো পার্বন, সেই সময়, আদর্শ হিন্দু হোটেল- এসব কালজয়ী সিরিয়ালকে আবার ফিরিয়ে আনা যায় না? টিভি চ্যানেলগুলির কাছে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।
সব দলেই এমন বৈপরীত্ব ভুরি ভুরি। হাসারাঙ্গার দর ওঠে প্রায় এগারো কোটি। অথচ, রবিচন্দ্রন অশ্বিন পান দেড় কোটি। অজিঙ্কা রাহানে পান এক কোটি, অথচ ইশান কিষানের দর ওঠে ১৫.২৫ কোটি। উদাহরণ বাড়াতে চাইলে বেড়েই যাবে। এমন অসঙ্গতি এবারই প্রথম এমন তো নয়। যুক্তিহীনতার সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে।