২০১৬ থেকে ২১, ব্রাত্য বসু কোন দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন? একটা সমীক্ষা হয়ে যাক। খোদ তৃণমূল নেতা ও কর্মীদের মধ্যেই সমীক্ষা হোক। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, আশি শতাংশ ভুল উত্তর দেবেন। যাক, সেখান থেকে অন্তত ফের শিক্ষায় উত্তরণ ঘটেছে। এটুকুর জন্য কৃতজ্ঞতার ঋণ শোধ করতেই পারেন। তারই ফলশ্রুতি ওই বাংলা অ্যাকাডেমির পুরস্কার। তারই ফলশ্রুতি এই আচার্য ভূষণ।
রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী কে? এই উত্তরটা অনেকেই এক চান্সে বলতে পারবেন না? আগের টার্মে কে ছিলেন, এটাও অনেকেই জানেন না। সেতু বা রাস্তা উদ্বোধনে পূর্তমন্ত্রীদের দেখা যায় না। তাহলে, এই দপ্তর সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কারা নেন? এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা দপ্তরকে এমন অকেজো কে করলেন?
পরেশ অধিকারীর কন্যাকে এসএসসি–র প্যানেলে আনতে হবে, দলবদলের জন্য আপাতত তাঁকে এই পুনর্বাসন দেওয়া হবে, এমন একটা সিদ্ধান্ত কি শিক্ষামন্ত্রীরও নেওয়ার ক্ষমতা ছিল? তার থেকে উপরের কারও অনুমোদন ছাড়া তিনিই কি এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন?
কেন রোগীরা ভিনরাজ্যে যাচ্ছেন? এখানে তো সবকিছুই আছে। এমনটাই দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। স্বাস্থ্যসাথী আসলে কতখানি ফাঁপা প্রচার, পরিকাঠামো আসলে কোন স্তরে, তা রোগীরা বা তাঁদের পরিবার নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকেই জানেন। তাই এই দক্ষিণমুখী প্রবণতা। তাই সরকার বরং আত্মসমীক্ষা করুক। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
ইচ্ছে হল, একঝলক গ্রাম দেখার। গ্রামে রাত কাটানোর। জঙ্গলের মাঝে গ্রামের আমেজ পেলে মন্দ কী? আবার শহুরে সাচ্ছন্দ্যও আছে। ঘুরে আসতেই পারেন জয়পুরের বনলতা রিসর্টে।
তৃণমূলের তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসা এক বছর হয়ে গেল। এই এক বছরে কত ঝাঁকের কই ঝাঁকে ফিরে এল। কত লোক ইট পেতে আছেন উন্নয়নে সামিল হওয়ার জন্য। বিজেপির বেলুন থেকে একটু একটু করে হাওয়া বের হচ্ছে। বামেরা একটু হলেও হারানো জমি ফিরে পাচ্ছে। যাঁরা বলছিলেন, পরিবর্তন অনিবার্য, তাঁরা নিজেদের মতকে দিব্যি গিলে ফেলছেন। কিন্তু যেটা ভেবেছিলাম, বলেছিলাম, সেটা স্বীকার করতে বাধা কোথায় ? স্রোতের বিপরীতে গিয়ে সেই স্বীকারোক্তিই উঠে এল সরল বিশ্বাসের লেখায়।
রবীন্দ্র চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার বদলে রবীন্দ্রনাথকে বন্দী রাখার কাজটাই করেছে বিশ্বভারতী। তাই রবি ঠাকুর বিশ্বকবি তো দূরের কথা, জাতীয় কবিও হতে পারেননি। বাঙালি হয়েই থেকে গিয়েছেন।
রবি ঠাকুরের লেখা পড়ি আর নাই পড়ি, তাঁর বিয়ে নিয়ে, বউ নিয়ে, চরিত্র নিয়ে আমাদের কৌতূহলের অন্ত নেই। রবীন্দ্র জয়ন্তীতেও সেই কৌতূহল থেমে নেই। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
এমন এক কিংবদন্তি মানুষের শতবর্ষ পেরিয়ে গেছে একেবারে নিঃশব্দেই। বছর দুই আগের কথা। সেবার চারিদিকে করোনার আতঙ্ক। টিভি খুললেই করোনা। কাগজে খুললেও করোনা। রাস্তা শুনশান। তার মাঝেও যেটুকু লোক সমাগম,...
আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।