উত্তম আর হেমন্ত যেন এক যুগলবন্দি। কিন্তু এমন অনেক গান আছে, যে ছবিতে উত্তম আছেন, কিন্তু হেমন্তর গান অন্য কারও লিপে। কোথাও উত্তম শ্রোতা। আবার কোথাও গান বাজছে নেপথ্যে। এমনই এক অন্যরকম যুগলবন্দির কাহিনি তুলে ধরলেন পৃথা কুণ্ডু।
মোদ্দা কথা, দিল্লির নেতারা চাননি এখান থেকে তৃণমূল সরে যাক। কেন চাননি, সে তাঁদের সমীকরণ। তাঁরা চেয়েছিলেন, কংগ্রেসকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা যেন একজোট না হতে পারে। সেই কারণে কয়েকটা আঞ্চলিক দলকে অক্সিজেন দিতে হবে। সেই তালিকায় তৃণমূলও আছে।
সে সময় ভিডিও গেমও ছিল না। ফেসবুকও ছিল না। ছেলেবেলার সেরা বিনোদন ছিল ওই সাইকেল। সেই সাইকেলকে ঘিরেই কত অ্যাডভেঞ্চার। কত লুকিয়ে থাকা স্মৃতি। বিশ্ব সাইকেল দিবসে নস্টালজিক লেখা সজল পাত্রর।
বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। ২ জুন সংখ্যা টেস্ট ক্রিকেটের সাবেকিয়ানার পাশাপাশি একসময় এল একদিনের ক্রিকেট। তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ময়দানে হাজির টি২০। সেই টি২০–র উন্মাদনা চরমে পৌঁছল আইপিএলের হাত ধরে। করোনা...
স্বরূপ গোস্বামী নরেশবাবু পড়েছেন মহা সমস্যায়। এই বয়সে এসে যে এমন সমস্যায় পড়তে হবে, সত্যিই ভাবেননি। ভাববেনই বা কী করে! এমন বেআক্কেলে প্রতিবেশী জুটে যাবে, কে জানত! ...
এই ছাত্ররাও বুঝছে না তারা নিজেদের কী ক্ষতি ডেকে আনছে। এইভাবে অনলাইনে ভুরি ভুরি নম্বর পেলেও সেই নম্বরের যে কোনও মূল্য থাকবে না, এই সহজ সত্যিটাও তারা বুঝছে না। পঞ্চাশ বছর পরেও সাতের দশকের সেই গণ টোকাটুকির কথা ওঠে। তাদের সেই ডিগ্রির পেছনেও সেই ‘অনলাইন’ কলঙ্ক থেকে যাবে।
এসব প্রশ্নকে পাশ কাটিয়েও ছবিটা দেখা যায়। ভাল লাগায় আচ্ছন্ন হওয়া যায়। কারণ, দিনের শেষে বেলাশুরু একসঙ্গে বাঁচার মন্ত্রই দিয়ে যায়, ভালবাসার বার্তাই রেখে যায়।
যে ছেলেটাকে কয়েকমাস আগেও বাউন্ডুলে মনে হত, সেই ছেলেটাকেই হঠাৎ করে কেমন যেন বিচক্ষণ ও দায়িত্বশীল মনে হচ্ছে। সত্যিই, একটা আইপিএল একটা বাউন্ডুলের মধ্যে কী অদ্ভুত রূপান্তর এনে দিল।
এই ছেলে কিনা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে হারিয়েও চুপচাপ স্কুলে গিয়ে পরীক্ষা দিয়ে আসে। কেউ জানতেও পারে না। সত্যি, ষোল বছরের এই ছোট্ট ছেলেটা আমাদের কতকিছু শিখিয়ে গেল!
এই ইস্টবেঙ্গলের জন্য ম্যাঞ্চেস্টার ঠিক মানানসই নয়। এই কুয়োর ব্যাঙদের জন্য ইমামি আর নবান্নই ঠিক আছে।