ক্লাবের সভাপতি হিসেবে টুটু বসুই অটোমেটিক চয়েস।তারপরেও মাসের পর মাস বিষয়টাকে ঝুলিয়ে রাখা হল কেন? একবার তাঁর নামে প্রস্তাব উঠলেই সবাই মেনে নিতেন, তবু এতগুলো মিটিং করতে হল কেন? আসলে, জল্পনা জিইয়ে রেখে খবরে ভেসে থাকার অভ্যেসটা আর গেল না। তিনি যে মোহনবাগানের সচিব, সেটাই বোধ হয় ভুলে গেছেন।
স্বরূপ গোস্বামী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাড়িতে নিয়ম করে রোগী দেখতেন বিধানচন্দ্র রায়। কারও কাছেই কোনও ভিজিট নিতেন না। একেবারেই নিখরচায়। সেই বিধানচন্দ্রই ভিজিট চেয়ে নিয়েছিলেন বিশেষ একজনের কাছে। তিনিও আবার...
বিধানবাবুর জীবনী হয়ত অনেকেই লিখেছেন। তাতে নিশ্চিতভাবেই অনেক অজানা তথ্য আছে। কিন্তু এমন সহজ সরলভাবে আর কেউ তুলে ধরতে পেরেছেন! মনে হয় না। বইটি সবার পড়া উচিত। দ্রুত পড়ে ফেলুন। একটি পেরেকের কাহিনী পড়ে লিখলেন উত্তম জানা।
কৌশিক কর্মকার বছরের পর বছর। কত মানুষ অপেক্ষা করেছেন হাওড়া স্টেশনের বড় ঘড়ির তলায়। এই বিষয়ে আমার একটা খুব মজার অভিজ্ঞতা আছে। তখন সদ্য গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছি। মোবাইল ফোন সবেমাত্র...