হঠাৎ এসে পড়া সেই অতিথিরা
পিএ কমিটি অর্বাচীনদের জন্য নয়
এই ললিপপে তিনি ভুলছেন না
এবার এই রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হয়েও তিনি খুব খুশি, এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। এই বয়সে এসে কে নিজের মান সম্মান খোয়াতে চান? হয়ত তাঁকে রাজ্যসভার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই এবারের মতো হয়ত রাজি হয়ে গেলেন। কয়েকমাস পর মিলিয়ে নেবেন। আর এরপরও যদি টিকিট না মেলে, লিখে রাখুন, তৃণমূলের ত্রিসীমানাতেও তাঁকে দেখা যাবে না।
শুভেন্দুর লিস্টে চাকরি! তাহলে শিক্ষাদপ্তর কী করছিল?
‘৩৪ বছর’ এর সূচনা হয়েছিল এই দিনেই
২১ জুন। হ্যাঁ, সাতাত্তরের এমন দিনেই শুরু হয়েছিল পথ চলা। সেই ৩৪ বছরের পথচলা। সেই দিনটিকে ফিরে দেখা। লিখলেন শুভঙ্কর গুপ্ত।।
বারবার প্রতিভা পাটিলের নাম টেনে আনতে হয় কেন?
কপিলের ১৭৫ ও একটি নিষ্পাপ মিথ্যাচার
আচ্ছা, কপিলদেবের সেই ১৭৫ রানের ইনিংসটা দেখেছেন? প্রশ্নটি একবার হাওয়ায় ভাসিয়ে দিন। তারপর দেখুন কীসব উত্তর আসে। কেউ বলবেন, ‘উফ, কী ব্যাটিংটাই না করেছিল। ওই ইনিংস কখনও ভোলা যায়! ১৭ রানে পাঁচ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। আমরা তো আশাই ছেড়ে দিয়েছিলাম। সেখান থেকে কপিলদেব কী ব্যাটিংটাই না করল।’ কেউ হয়ত বলবেন, ‘আমাদের বাড়িতে তখনও টিভি আসেনি। পাশের বাড়ির অমুক কাকুর বাড়িতে দেখেছিলাম। এখনও চোখের সামনে ভাসছে।’
বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। হেমন্ত স্মরণে
‘রসুন’ সংস্কৃতির আসল জন্মদাতা কিন্তু হেমন্তই
আজ থেকে তিরিশ–চল্লিশ বছর আগে ছিল ক্যাসেটের জমানা। তখন প্রায় প্রতিটি বাঙালি বাড়িতে ‘লিজেন্ডস অফ গ্লোরি’ নামে একটি ক্যাসেট থাকত। সম্ভবত বাংলা গানের ইতিহাসে এটিই জনপ্রিয়তম ক্যাসেট। সলিল চৌধুরির সুরে, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়েক কণ্ঠে দশটি গানের সংকলন। এই ক্যাসেটটি বাঙালির জীবনে ‘রসুন’ সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছিল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
