বেলাশেষের সেই সুরে কোথাও যেন তাল কাটল

এসব প্রশ্নকে পাশ কাটিয়েও ছবিটা দেখা যায়। ভাল লাগায় আচ্ছন্ন হওয়া যায়। কারণ, দিনের শেষে বেলাশুরু একসঙ্গে বাঁচার মন্ত্রই দিয়ে যায়, ভালবাসার বার্তাই রেখে যায়।

এই হার্দিককে কি আপনি চিনতেন!‌

যে ছেলেটাকে কয়েকমাস আগেও বাউন্ডুলে মনে হত, সেই ছেলেটাকেই হঠাৎ করে কেমন যেন বিচক্ষণ ও দায়িত্বশীল মনে হচ্ছে। সত্যিই, একটা আইপিএল একটা বাউন্ডুলের মধ্যে কী অদ্ভুত রূপান্তর এনে দিল।

ষোল বছরের ছোট্ট ছেলেটা কতকিছু শিখিয়ে দিয়ে গেল!‌

এই ছেলে কিনা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে হারিয়েও চুপচাপ স্কুলে গিয়ে পরীক্ষা দিয়ে আসে। কেউ জানতেও পারে না। সত্যি, ষোল বছরের এই ছোট্ট ছেলেটা আমাদের কতকিছু শিখিয়ে গেল!‌

ম্যাঞ্চেস্টার নয়, নবান্ন আর ইমামিই এঁদের ভবিতব্য

এই ইস্টবেঙ্গলের জন্য ম্যাঞ্চেস্টার ঠিক মানানসই নয়। এই কুয়োর ব্যাঙদের জন্য ইমামি আর নবান্নই ঠিক আছে।

তিনি আচার্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতি ঠেকায় কে!‌

২০১৬ থেকে ২১, ব্রাত্য বসু কোন দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন?‌ একটা সমীক্ষা হয়ে যাক। খোদ তৃণমূল নেতা ও কর্মীদের মধ্যেই সমীক্ষা হোক। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, আশি শতাংশ ভুল উত্তর দেবেন। যাক, সেখান থেকে অন্তত ফের শিক্ষায় উত্তরণ ঘটেছে। এটুকুর জন্য কৃতজ্ঞতার ঋণ শোধ করতেই পারেন। তারই ফলশ্রুতি ওই বাংলা অ্যাকাডেমির পুরস্কার। তারই ফলশ্রুতি এই আচার্য ভূষণ।

পূর্তমন্ত্রীর নাম কী, একটা সমীক্ষা হয়ে যাক

রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী কে?‌ এই উত্তরটা অনেকেই এক চান্সে বলতে পারবেন না?‌ আগের টার্মে কে ছিলেন, এটাও অনেকেই জানেন না। সেতু বা রাস্তা উদ্বোধনে পূর্তমন্ত্রীদের দেখা যায় না। তাহলে, এই দপ্তর সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কারা নেন?‌ এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা দপ্তরকে এমন অকেজো কে করলেন?‌

সত্যি করে বলুন তো, পরেশবাবুর দোষটা কোথায়

পরেশ অধিকারীর কন্যাকে এসএসসি–‌র প্যানেলে আনতে হবে, দলবদলের জন্য আপাতত তাঁকে এই পুনর্বাসন দেওয়া হবে, এমন একটা সিদ্ধান্ত কি শিক্ষামন্ত্রীরও নেওয়ার ক্ষমতা ছিল?‌ তার থেকে উপরের কারও অনুমোদন ছাড়া তিনিই কি এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন?‌

রোগীরা কেন ভিনরাজ্যে যান, আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন

কেন রোগীরা ভিনরাজ্যে যাচ্ছেন?‌ এখানে তো সবকিছুই আছে। এমনটাই দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। স্বাস্থ্যসাথী আসলে কতখানি ফাঁপা প্রচার, পরিকাঠামো আসলে কোন স্তরে, তা রোগীরা বা তাঁদের পরিবার নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকেই জানেন। তাই এই দক্ষিণমুখী প্রবণতা। তাই সরকার বরং আত্মসমীক্ষা করুক। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

জঙ্গলের মাঝে কুঁড়েঘরের হাতছানি

ইচ্ছে হল, একঝলক গ্রাম দেখার। গ্রামে রাত কাটানোর। জঙ্গলের মাঝে গ্রামের আমেজ পেলে মন্দ কী? আবার শহুরে সাচ্ছন্দ্যও আছে। ঘুরে আসতেই পারেন জয়পুরের বনলতা রিসর্টে।

আমার হিসেব একেবারেই মেলেনি

তৃণমূলের তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসা এক বছর হয়ে গেল। এই এক বছরে কত ঝাঁকের কই ঝাঁকে ফিরে এল। কত লোক ইট পেতে আছেন উন্নয়নে সামিল হওয়ার জন্য। বিজেপির বেলুন থেকে একটু একটু করে হাওয়া বের হচ্ছে। বামেরা একটু হলেও হারানো জমি ফিরে পাচ্ছে। যাঁরা বলছিলেন, পরিবর্তন অনিবার্য, তাঁরা নিজেদের মতকে দিব্যি গিলে ফেলছেন। কিন্তু যেটা ভেবেছিলাম, বলেছিলাম, সেটা স্বীকার করতে বাধা কোথায় ? স্রোতের বিপরীতে গিয়ে সেই স্বীকারোক্তিই উঠে এল সরল বিশ্বাসের লেখায়।