ভ্রমণ ডায়েরি, আপনার লেখায়
এই গরমে যদি পাহাড়ে যাওয়া যেত! সব পরীক্ষা শেষ। অখণ্ড অবসর। অনেকে হয়ত ঘুরেও এলেন। সেই ঘোরার কথা, আপনার অনুভূতির কথা লিখে ফেলুন। কোনও ফর্মুলা মেনে নয়, আপনি লিখুন একেবারে আপনার মতো করেই।
এই গরমে যদি পাহাড়ে যাওয়া যেত! সব পরীক্ষা শেষ। অখণ্ড অবসর। অনেকে হয়ত ঘুরেও এলেন। সেই ঘোরার কথা, আপনার অনুভূতির কথা লিখে ফেলুন। কোনও ফর্মুলা মেনে নয়, আপনি লিখুন একেবারে আপনার মতো করেই।
হাইকমান্ড মমতাকে তোয়াজ করবেই। এটাই জাতীয় রাজনীতির বাধ্যবাধকতা। সেদিন হতাশ অধীরকে হয়ত বিজেপিতেই ঝুঁকতে হবে। কিন্তু কে বলতে পারে আগামীদিন শুভেন্দুকেও এমন ছাতা খুঁজতে হবে না? আজ যতই অধীরের জেলা দখলের চেষ্টা করুন, একদিন হয়ত এই অধীরের পাশে বসেই শুভেন্দুকেও সভা করতে হবে। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।
টানা দেড়মাস ধরে নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। সবকিছু জেনেও আদালত ভর্ৎসনা করেনি। হস্তক্ষেপ করা উচিত না উচিত নয়, তা নিয়েই দ্বিধা দেখিয়েছে হাইকোর্ট। সেই সুযোগটাই নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগে যদি চড়া তিরষ্কার হত, তাহলে বল এতদূর গড়াত না।
কলকাতা শহরে বিভিন্ন রুটে বাস উধাও হয়ে যায়। তখন ট্যাক্সিই ভরসা। কিন্তু সেখানেও ভরসা করবেন, তার উপায় কোথায়? অধিকাংশ ট্যাক্সি হয় রিফিউজ করবে, নয়তো চারগুণ/পাঁচগুণ দর হাঁকবে। হাওড়া স্টেশনে প্রি পেইড কাউন্টার আছে। আগেও সেখান থেকে বেশ কয়েকবার ট্যাক্সি ধরেছি। কিন্তু সেদিন ট্যাক্সি ধরার জন্য দেড় ঘণ্টার বেশি লাইনে দাঁড়াতে হল।
মোহনবাগান অনুরাগী হিসেবে চাই, অঞ্জন মিত্র সম্মানজনকভাবে বিদায় নিন। কিন্তু তাই বলে দেবাশিস দত্তর মতো হ্যাংলা কর্তাদের হাতে মোহনবাগান থাকুক, এটাও চাই না। এটুকু বলতে পারি, যেটা হচ্ছে, এটা কাম্য ছিল না। বিদায়বেলায় এমন অসম্মান অঞ্জন মিত্রর প্রাপ্য ছিল না। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
প্রকাশ্য রাস্তায় আপনার ছেলে বা মেয়ে বিপরীত লিঙ্গের একজন মানুষের সঙ্গে আলিঙ্গনে বা চুম্বনে লিপ্ত। আর সেই ছবি বাংলার সবকটি সংবাদ মাধ্যমে বা নিউজ চ্যানেলে বা সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে গেছে। আপনাদের “অতি আধুনিক এবং প্রতিবাদী সত্তা” তাকে সমর্থন জানাবে তো? দমদম মেট্রো কাণ্ডের পর এমন অনেক অপ্রিয় প্রশ্ন তুলে ধরলেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।
যদি আপনার বাবার সঙ্গে আপনার মায়ের দেখা না হত, তাহলে কি আপনি দুনিয়াতে থাকতেন? অবশ্য, আপনার জায়গায় কেউ না কেউ থাকতই। কারণ আপনার বাবা কারও না কারও দেখা পেতই। সেই অন্য কেউটা কি আপনি হতেন? অবশ্যই হতেন। খেয়াল করেন নি? আপনি শুধু আপনি হতে পারবেন ‘কেউ একজন’ হওয়ার মাধ্যমে। লিখেছেন অম্লান রায়চৌধুরী।।
সোনার কেল্লার সেই মুকুল। আজকের কুশল চক্রবর্তী। মাঝে পেরিয়ে গেছে ৪৪ বছর। সত্যজিৎ রায়কে ঘিরে টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতি। বলে গেলেন কুশল।
আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরী।
বাইরে থেকে যতটা গম্ভীর মনে হত, মানুষটা মোটেই তেমন ছিলেন না। খুব মজা করতেন। সেন্স অফ হিউমার ছিল অসাধারণ। টুকরো টুকরো নানা স্মৃতি উঠে এল পুত্র সন্দীপ রায়ের কথায়। শুনে এলেন সংহিতা বারুই।