বাংলাদেশের ইলিশের নামে নিশ্চয় জিভ থেকে জল পড়ে। সেই মাছগুলো কি তারা পা নেড়ে নেড়ে সাঁতার কাটে? তারা বাসি মাছ নয়? কেজি কেজি বরফ দিয়ে রাখা মাছ নয়? কত মাসের আগের মরা, তার কোনও ঠিক আছে? সেই মাছ বারোশো টাকা কেজি দরে কিনিস না? বিদেশের মরা ইলিশ ভাল। আর স্বদেশের মরা জন্তু ভাল নয়? এ কেমন জাতীয়তাবিরোধী মনোভাব! লিখেছেন রবি কর।
রাজ্য প্রশাসন চূড়ান্ত ব্যর্থ। পুলিস ব্যর্থ। নির্বাচন কমিশন ডাঁহা ফেল। হাইকোর্টের ভূমিকায় অনেকে ধন্য ধন্য করছেন। কিন্তু তাঁদের বড়জোর পাসমার্ক দেওয়া যায়। নানা সময় নানা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগেছে এই প্রতিষ্ঠানও। লাগামছাড়া সন্ত্রাসের মুখেও তাঁরা ছিলেন দার্শনিক প্রশ্রয়দাতা। শুরু থেকে কড়া হাতে হাল ধরলে এই অরাজকতা তৈরিই হত না। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।
রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বাঙালির আদিখ্যেতার শেষ নেই। একটা সমীক্ষা করুন, কজন জোড়াসাঁকোয় গিয়েছেন। খাস কলকাতায় হাজারে একজনও পাবেন কিনা সন্দেহ। এই হল রবি ঠাকুরের প্রতি বাঙালির ভালবাসার নমুনা। লিখেছেন সজল মুখার্জি ।।
রবীন্দ্র চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার বদলে রবীন্দ্রনাথকে বন্দী রাখার কাজটাই করেছে বিশ্বভারতী। তাই রবি ঠাকুর বিশ্বকবি তো দূরের কথা, জাতীয় কবিও হতে পারেননি। বাঙালি হয়েই থেকে গিয়েছেন। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
অনলাইন মনোনয়ন! যেটা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বা রাজ্যসভার নির্বাচনে চালু করা যায়নি, সেটা পঞ্চায়েতে? ভাবনাটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেল না? যুক্তির দিক থেকেও ব্যাপারটা তেমন দাঁড়াচ্ছে না। তাই, হাইকোর্টের রায় নিয়ে বেশি উল্লসিত
না হওয়াই ভাল।
কারা কারা রবীন্দ্রনাথকে দুশ্চরিত্র মনে করেন, হাত তুলুন। রবি ঠাকুরের লেখা পড়ি আর নাই পড়ি, তাঁর বিয়ে নিয়ে, বউ নিয়ে, চরিত্র নিয়ে আমাদের কৌতূহলের অন্ত নেই। রবীন্দ্র জয়ন্তীতেও সেই কৌতূহল থেমে নেই। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
রবি ঠাকুর কোন দলের সমর্থক ছিলেন ? তাঁর কোন লেখায়, কোন ক্লাবের কথা কীভাবে উঠে এসেছে ? গোষ্ঠ পালকে দেখে কী বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ? এমন নানা অজানা বিষয় উঠে এল ময়ূখ নস্করের লেখায়।
কর্তা এখনও ভেবে পাচ্ছেন না এত টাকা কোথা থেকে আসবে। এগিয়ে এলেন সেই পদত্যাগী প্রেসিডেন্ট টুটু বসু। সচিব অঞ্জন মিত্রকে ই মেল মারফত জানিয়ে দিলেন, তিনি এক কোটি টাকা দিচ্ছেন।
প্রখর দারুণ অতি দীর্ঘ দগ্ধ দিন। এই গরমে কোথায় একটু প্রাণ জুড়োই। অথচ, খুব দূরেও যাওয়া যাবে না। লম্বা ছুটিও পাওয়া যাবে না। তাই পড়শি রাজ্য সিকিম থেকেই ঘুরে আসা যাক। মেঘ ভেসে বেড়ায়, এমন এক রাজ্য।
ফেল করলেও আর বছর নষ্ট হচ্ছে না। এমনই নিয়ম চালু করল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। কোনও পেপারে ফেল করলে পরের সেমেস্টারের সঙ্গে তা ক্লিয়ার করে নেওয়া যাবে।