আজকের কুশলের চোখে সেদিনের মুকুল

সোনার কেল্লার সেই মুকুল। আজকের কুশল চক্রবর্তী। মাঝে পেরিয়ে গেছে ৪৪ বছর। সত্যজিৎ রায়কে ঘিরে টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতি। বলে গেলেন কুশল।

অন্য পথ, অন্য পাঁচালি

আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরী।

আমার আবদারেই হয়েছিল সোনার কেল্লা

বাইরে থেকে যতটা গম্ভীর মনে হত, মানুষটা মোটেই তেমন ছিলেন না। খুব মজা করতেন। সেন্স অফ হিউমার ছিল অসাধারণ। টুকরো টুকরো নানা স্মৃতি উঠে এল পুত্র সন্দীপ রায়ের কথায়। শুনে এলেন সংহিতা বারুই।

‌ভূতের রাজার চতুর্থ বর

হঠাৎ হাজির ভূতের রাজা। সে বর দিতে চায়। কিন্তু কী বর চাওয়া যায়!‌ গুপি–‌বাঘা যেসব বর চেয়েছে, তা চাওয়া যাবে না। নিজের জন্যও কিছু চাওয়া যাবে না। কুট্টুস তাহলে কী বর চাইল?‌ তারপর কী কী হল?‌ তাই নিয়েই মজার গল্প।সত্যজিৎ রায়ের জন্মদিনে একটু অন্যভাবে শ্রদ্ধার্ঘ্য। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

যেজন ছিলেন নির্জনে

কোনও স্ক্রিপ্ট বা গল্প লিখলে সবার আগে পড়ে শোনাতেন স্ত্রী বিজয়া রায়কে। পথের পাঁচালি-র আগে নিজের হাতের গয়না তুলে দিয়েছিলেন সত্যজিতের হাতে বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে গিয়ে এমন অনেক অজানা কথা জেনে এলেন সংহিতা বারুই।