অধীর হয়ত যাবেন, যেতে যেতে হবে শুভেন্দুকেও

হাইকমান্ড মমতাকে তোয়াজ করবেই। এটাই জাতীয় রাজনীতির বাধ্যবাধকতা। সেদিন হতাশ অধীরকে হয়ত বিজেপিতেই ঝুঁকতে হবে। কিন্তু কে বলতে পারে আগামীদিন শুভেন্দুকেও এমন ছাতা খুঁজতে হবে না?‌ আজ যতই অধীরের জেলা দখলের চেষ্টা করুন, একদিন হয়ত এই অধীরের পাশে বসেই শুভেন্দুকেও সভা করতে হবে। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।

এই ভর্ৎসনা অনেক আগে দেওয়া উচিত ছিল

টানা দেড়মাস ধরে নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। সবকিছু জেনেও আদালত ভর্ৎসনা করেনি। হস্তক্ষেপ করা উচিত না উচিত নয়, তা নিয়েই দ্বিধা দেখিয়েছে হাইকোর্ট। সেই সুযোগটাই নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগে যদি চড়া তিরষ্কার হত, তাহলে বল এতদূর গড়াত না।