ভাল করে ভাবুন, লতার তেমন কৃতিত্বই নেই

সকাল থেকেই রেডিওতে লতা মঙ্গেশকারের গান। শুনে ফেলেছেন নন্দ ঘোষ। তাঁর দাবি, লতাকে নিয়ে অহেতুক বাড়াবাড়ি করা হয়। তাই নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, কার ঘাড়ে কটা মাথা ? অতএব, তিনি বেসুরো গেয়েই ফেললেন। পড়ুন।

অপু থেকে হরিহর, হরিহর থেকে অপু

কতকিছুই বদলে গেছে। সেদিনের কিশোর অপু এখন হরিহর। আরও কত বদলে যাওয়া ছবি। বিভূতিভূষণের জন্মদিনে টাইম মেশিনে চড়ে সেই সময় ও এই সময়ে উকি দিলেন ময়ূখ নস্কর।।

মেট্রো নিয়ে অহেতুক জেদ এবার থামুক

মেট্রোর রুটে বউবাজার ছিলই না। এমনকী, ব্রিটিশরা যে নকশা করেছিল, সেখানেও বউবাজার ছিল না। জোর করে রুট বদল কেন?‌ সব ব্যাপারে গোঁয়ার্তুমি করতে নেই, বউবাজারের বিপর্যয়ের পর রাজ্য কি এই শিক্ষা নিল?‌

ঝুড়ি ঝুড়ি ডিগ্রি বিক্রি হবে না তো!‌

বিধানসভায় হইহই করে বিল পাস করলেই হবে না। সেইসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুণমান বজায় রাখছে কিনা, শিক্ষার নামে কার্যত ডিগ্রি বিক্রি করছে কিনা, তার একটা তদারকি থাকুক। এবং এই তদারকির দায়িত্ব থাকুক যথার্থ শিক্ষামনষ্ক লোকের হাতেই। ওপেন ফোরামে লিখেছেন হেমন্ত রায়।

সুশান্ত ঘোষকে অন্য শিবিরে ঠেলে দেওয়া কি খুব বুদ্ধিমানের কাজ!‌

সুশান্ত ঘোষের মান–‌অভিমান থাকতেই পারে। পাশাপাশি, তাঁর ভূমিকা ও আচরণ নিয়ে দলেরও প্রশ্ন থাকতে পারে। মুখোমুখি আলোচনায় কিছুটা সমাধান হলেও হতে পারে। কিন্তু তার বদলে যে পথে দল হাঁটছে, তা হঠকারী হয়ে দাঁড়াতে পারে। সুশান্ত ঘোষের মতো সাহসী ও লড়াকু নেতাদের বিপক্ষ শিবিরে পাঠিয়ে দেওয়া বিচক্ষণতার কাজ নয়। ওপেন ফোরামে লিখেছেন শান্তনু দাম।

রেলের সঙ্গে পুলিসের সমন্বয় থাকবে না !

রাত দশটা থেকে এগারোটা, কীরকম প্যাসেঞ্জার, এগারোটা থেকে বারোটা কী রকম প্যাসেঞ্জার, একটা মোটামুটি হিসেব থাকবে তো। যদি চারজন যাত্রী পিছু একটি ট্যাক্সিও ধরি, তাহলে কতগুলো ট্যাক্সি দরকার হতে পারে, তার ধারনা থাকবে না?‌ এমন তো নয় যে রাতের দিকে শহরে ট্যাক্সি চলে না। তাহলে পরিবহন দপ্তরের সঙ্গে বা ট্যাক্সি ইউনিয়নের সঙ্গে বসতে আপত্তি কোথায়?‌ রাতের দিতে যেন পর্যাপ্ত ট্যাক্সি থাকে, সেই অনুরোধ তো করা যেতে পারে। হাওড়ায় নতুন কমিশনারেট হয়েছে। কিন্তু এই প্রাথমিক উদ্যোগগুলো কি আদৌ নেওয়া হয়েছে?‌ নেওয়া হলেও তার ফলো আপ হয়েছে?‌

এমনি এমনিই বিজেপি ভোট দিয়ে দিল!‌

অঙ্কেই পরিষ্কার, বিজেপির ভোট তৃণমূলে পড়েছে। রাজ্যসভায় এমনি এমনিই তৃণমূলকে ভোট দিয়ে দিলেন বিজেপি সাংসদরা?‌ সমর্থন চাওয়া হয়নি?‌ এতবড় একটা সিদ্ধান্ত দলনেত্রীর অজান্তে হয়েছে?‌ এত স্বাধীনতা সংসদীয় দলের আছে!‌

সময় পেলে বুদ্ধদেব গুহর চিঠিগুলো পড়ুন

সারা জীবন রবি ঠাকুর যে কত চিঠি লিখেছেন, তার হিসেব নেই। কিছু চিঠির হয়ত নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু অনেক চিঠির কোনও কপি নেই। বুদ্ধদেব গুহর লেখার একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে এই চিঠি। চিঠিকেন্দ্রিক বেশ কিছু উপন্যাসও আছে। সেগুলি পড়তে পারেন। তাহলেই বুঝতে পারবেন চিঠির রোমাঞ্চ কতটা।

আমার আবদারেই হয়েছিল সোনার কেল্লা

একেবারে কাছ থেকেই দেখেছেন। ছেলে হিসেবে, সহকারী হিসেবে, বন্ধু হিসেবে। সন্দীপ রায়ের স্মৃতিচারণে উঠে এল অচেনা এক সত্যজিৎ রায়ের কথা।

আমি মদন বলছি

ভোটের ময়দানে আবার স্বমহিমায় মদন মিত্র। ভাটপাড়া উপনির্বাচনে তিনি প্রার্থী। ঠিক চার বছর আগে, বেঙ্গল টাইমসে একটি দুরন্ত লেখা প্রকাশিত হয়েছিল— আমি মদন বলছি। লিখেছিলেন রবি কর। সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে লেখা, অসাধারণ এক রম্যরচনা। সময় বদলেছে, চারপাশের ছবিটাও বদলেছে। তবু, এখনও সেই লেখা পড়াই যায়। বেঙ্গল টাইমসে পুরনো সেই লেখা আবার বেঙ্গল টাইমসে ফিরিয়ে আনা হল।