মেট্রো নিয়ে অহেতুক জেদ এবার থামুক
মেট্রোর রুটে বউবাজার ছিলই না। এমনকী, ব্রিটিশরা যে নকশা করেছিল, সেখানেও বউবাজার ছিল না। জোর করে রুট বদল কেন? সব ব্যাপারে গোঁয়ার্তুমি করতে নেই, বউবাজারের বিপর্যয়ের পর রাজ্য কি এই শিক্ষা নিল?
মেট্রোর রুটে বউবাজার ছিলই না। এমনকী, ব্রিটিশরা যে নকশা করেছিল, সেখানেও বউবাজার ছিল না। জোর করে রুট বদল কেন? সব ব্যাপারে গোঁয়ার্তুমি করতে নেই, বউবাজারের বিপর্যয়ের পর রাজ্য কি এই শিক্ষা নিল?
বিধানসভায় হইহই করে বিল পাস করলেই হবে না। সেইসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুণমান বজায় রাখছে কিনা, শিক্ষার নামে কার্যত ডিগ্রি বিক্রি করছে কিনা, তার একটা তদারকি থাকুক। এবং এই তদারকির দায়িত্ব থাকুক যথার্থ শিক্ষামনষ্ক লোকের হাতেই। ওপেন ফোরামে লিখেছেন হেমন্ত রায়।
সুশান্ত ঘোষের মান–অভিমান থাকতেই পারে। পাশাপাশি, তাঁর ভূমিকা ও আচরণ নিয়ে দলেরও প্রশ্ন থাকতে পারে। মুখোমুখি আলোচনায় কিছুটা সমাধান হলেও হতে পারে। কিন্তু তার বদলে যে পথে দল হাঁটছে, তা হঠকারী হয়ে দাঁড়াতে পারে। সুশান্ত ঘোষের মতো সাহসী ও লড়াকু নেতাদের বিপক্ষ শিবিরে পাঠিয়ে দেওয়া বিচক্ষণতার কাজ নয়। ওপেন ফোরামে লিখেছেন শান্তনু দাম।
রাত দশটা থেকে এগারোটা, কীরকম প্যাসেঞ্জার, এগারোটা থেকে বারোটা কী রকম প্যাসেঞ্জার, একটা মোটামুটি হিসেব থাকবে তো। যদি চারজন যাত্রী পিছু একটি ট্যাক্সিও ধরি, তাহলে কতগুলো ট্যাক্সি দরকার হতে পারে, তার ধারনা থাকবে না? এমন তো নয় যে রাতের দিকে শহরে ট্যাক্সি চলে না। তাহলে পরিবহন দপ্তরের সঙ্গে বা ট্যাক্সি ইউনিয়নের সঙ্গে বসতে আপত্তি কোথায়? রাতের দিতে যেন পর্যাপ্ত ট্যাক্সি থাকে, সেই অনুরোধ তো করা যেতে পারে। হাওড়ায় নতুন কমিশনারেট হয়েছে। কিন্তু এই প্রাথমিক উদ্যোগগুলো কি আদৌ নেওয়া হয়েছে? নেওয়া হলেও তার ফলো আপ হয়েছে?
অঙ্কেই পরিষ্কার, বিজেপির ভোট তৃণমূলে পড়েছে। রাজ্যসভায় এমনি এমনিই তৃণমূলকে ভোট দিয়ে দিলেন বিজেপি সাংসদরা? সমর্থন চাওয়া হয়নি? এতবড় একটা সিদ্ধান্ত দলনেত্রীর অজান্তে হয়েছে? এত স্বাধীনতা সংসদীয় দলের আছে!
সারা জীবন রবি ঠাকুর যে কত চিঠি লিখেছেন, তার হিসেব নেই। কিছু চিঠির হয়ত নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু অনেক চিঠির কোনও কপি নেই। বুদ্ধদেব গুহর লেখার একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে এই চিঠি। চিঠিকেন্দ্রিক বেশ কিছু উপন্যাসও আছে। সেগুলি পড়তে পারেন। তাহলেই বুঝতে পারবেন চিঠির রোমাঞ্চ কতটা।
একেবারে কাছ থেকেই দেখেছেন। ছেলে হিসেবে, সহকারী হিসেবে, বন্ধু হিসেবে। সন্দীপ রায়ের স্মৃতিচারণে উঠে এল অচেনা এক সত্যজিৎ রায়ের কথা।
ভোটের ময়দানে আবার স্বমহিমায় মদন মিত্র। ভাটপাড়া উপনির্বাচনে তিনি প্রার্থী। ঠিক চার বছর আগে, বেঙ্গল টাইমসে একটি দুরন্ত লেখা প্রকাশিত হয়েছিল— আমি মদন বলছি। লিখেছিলেন রবি কর। সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে লেখা, অসাধারণ এক রম্যরচনা। সময় বদলেছে, চারপাশের ছবিটাও বদলেছে। তবু, এখনও সেই লেখা পড়াই যায়। বেঙ্গল টাইমসে পুরনো সেই লেখা আবার বেঙ্গল টাইমসে ফিরিয়ে আনা হল।
বইমেলা প্রায় ফুরিয়ে এল। স্বভাবতই বইপত্র নিয়ে আলোচনা চলবে। অনেকেই নতুন নতুন বই কিনলেন। এবার পড়াও শুরু হয়ে যাবে। কোন বইটা কেমন লাগল? কী বিষয়বস্তু, চাইলে পাঠকদের সঙ্গে সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে পারেন। আপনি লিখে পাঠান আপনার অভিজ্ঞতা।
এক দেশের অধিনায়কের প্রাণ সংশয়। রক্ত দিতে এগিয়ে এলেন আরেক দেশের অধিনায়ক। একজন নরি কন্ট্রাক্টর, অন্যজন স্যার ফ্র্যাঙ্ক ওরেল। ৫৭ বছর আগে, এই দিনে এমনই এক ঘটনা। রয়ে গেছে ক্রিকেটের লোকগাথা হয়ে। লিখেছেন সিকিম সেন।