নেতাজি চিঠি লিখেছেন। কীভাবে লিখলেন? কোথা থেকে লিখলেন, তা আমরা জানি না। সত্যিই নেতাজি লিখলেন, নাকি তাঁর নাম করে অন্য কেউ লিখল, তাও আমরা জানি না। চিঠিটা লেখা হয়েছে সুগত বসুকে। কিন্তু এসে পৌঁছেছে আমাদের হাতে। কীভাবে এল? না, এটাও আমাদের জানা নেই। আপনারও জানার দরকার নেই। আমাদের কাজ ছাপা। আপনার কাজ পড়া। বিশ্বাস করা না করা আপনার ব্যাপার।
এক কাপ সস্তার আদা–চায়ের এত ক্ষমতা? এভাবে ক্ষত–বিক্ষত করে দিতে পারে? টলোমলো পায়ে প্রবোধবাবু এগোলেন তাঁর ঘরের দিকে। অণু গল্প। জীবনের টুকরো টুকরো কিছু অনুভূতি। লিখেছেন বাসু মুখোপাধ্যায়।
তিনি সুগত বসুর মতো গবেষক নন। তিনি সৃজিত মুখুজ্জের মতো সবজান্তা পরিচালকও নন। কিন্তু তিনি প্রসেনজিৎ। বাংলায় এঁদের থেকে অনেক বড় সেলিব্রিটি। কিন্তু তিনি জানেন, কখন চুপ থাকতে হয়। তাই, এঁদের দুজনের মাঝেও কার্যত নীরব শ্রোতা হয়ে বসে রইলেন। এই মৌনতা শিক্ষনীয়। প্রসেনজিৎকে দেখে বাংলার বুদ্ধিজীবীকূল যদি কিছুটা শিখতেন!
সুশান্ত ঘোষের মান–অভিমান থাকতেই পারে। পাশাপাশি, তাঁর ভূমিকা ও আচরণ নিয়ে দলেরও প্রশ্ন থাকতে পারে। মুখোমুখি আলোচনায় কিছুটা সমাধান হলেও হতে পারে। কিন্তু তার বদলে যে পথে দল হাঁটছে, তা হঠকারী হয়ে দাঁড়াতে পারে। সুশান্ত ঘোষের মতো সাহসী ও লড়াকু নেতাদের বিপক্ষ শিবিরে পাঠিয়ে দেওয়া বিচক্ষণতার কাজ নয়। ওপেন ফোরামে লিখেছেন শান্তনু দাম।