ডাউহিলে ঠাঁই হল না, অগত্যা চিমনি

দুই বন্ধু একমত হলাম, কার্শিয়াংয়ের কাছে ডাউহিলে গেলে কেমন হয়!‌ জায়গাটা দারুণ, কিন্তু থাকার জায়গার অভাব। একটা ফরেস্টের বাংলো আছে। কিন্তু বুকিংয়ের হাজার ঝামেলা। ডিএফও–‌কে ফ্যাক্স করতে হবে। তারপর কবে তার রিপ্লাই আসবে, কে জানে!‌ উত্তর ইতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনাও কম। পাহাড়ি জনপদে ঘুরে আসার অনুভূতি। মেলে ধরলেন অভীক মজুমদার।

হারিয়ে যাচ্ছে ব্যান্ড পার্টি

কত স্মৃতি, কত আবেগ জড়িয়ে। কত বিয়েবাড়ি, কত অনুষ্ঠানে বেজে উঠত ব্যান্ড পার্টি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেন হারিয়ে যাচ্ছে সেই ঐতিহ্য। ব্যান্ড পার্টির সেকাল একাল নিয়ে মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা। লিখেছেন সংহিতা বারুই।।

কোপাই তীরে কয়েক মুহূর্ত

এ নির্জন কোপাই পাড়ে বাউল শুনতে পাব ভাবতেই পারিনি। আনন্দের শিহরণ বয়ে গেল মনের ওপর দিয়ে। বাউলদের জন্য চায়ের ওর্ডার দিয়ে জমিয়ে বসলাম সকলে। গানগুলো বড্ড ভাবিয়ে দিয়ে গেল আমাদের। স্বর্ণালী সকালটা আরও মধুর হয়ে উঠল। সন্দীপ লায়েকের লেখায় উঠে এল কোপাই তীরের কিছু সুন্দর মুহূর্ত।।

সব ভাবনা কুণ্ডু স্পেশ্যালের ওপর ছেড়ে দিন

আস্ত একটা ট্রেনের কামরা বুক করে বেড়াতে যাওয়া। সঙ্গে ধাঁধুনি তো আছেই, সেইসঙ্গে লম্বা সফরে ধোপা–‌নাপিতও যাচ্ছেন আপনার সঙ্গে। বেড়াতে গিয়েই হয়েছে প্রেম, বিয়েও। কত অজানা কাহিনী এই কুণ্ডু স্পেশালকে ঘিরে। সেই বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কর্ণধার সৌমিত্র কুণ্ডুর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকার। তাঁর মুখোমুখি বেঙ্গল টাইমসের প্রতিনিধি অয়ন দাস।।

গাইছে বাউল বইছে কোপাই

হঠাৎ করেই বেড়িয়ে পড়া কোপাইয়ের সন্ধানে। গ্রাম্য হাট থেকে বাউল গান। আচমকা রি–‌ইউনিয়ন থেকে আড্ডা–‌হই হুল্লোড়। আক্ষেপ থেকে মুগ্ধতা। টুকরো টুকরো অনেক ছবি ধরা পড়ল সন্দীপ লায়েকের লেখায়।

ঘুরে আসুন ভুটিয়া মার্কেটে

শীতের দুপুরে নানা মেলার পাশাপাশি ঘুরে আসুন ভুটিয়া মার্কেটে। এই অনলাইন শপিংয়ের যুগে কেমন আছে সেই ভুটিয়া মার্কেট ? ঘুরে দেখে এলেন সংহিতা বারুই।।

ভাল জায়গায় অল্প লোকই যায়

চাইলে নির্জন স্টেশনে বসে থাকতে পারেন। চাইলে জঙ্গলের বুক-চেরা রাস্তা দিযে হেঁটে আসতে পারেন। আর নইলে কয়েক ঘণ্টার জন্য একটা গাড়ি ভাড়া নিয়ে আশপাশের এলাকা ও প্রকৃতি ঘুরে দেখতে পারেন।হয়ত গিয়ে দেখবেন অন্য কোনও পর্যটক নেই। হয়ত আপনারাই একমাত্র পর্যটক। দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই। ভাল জায়গায় অল্প লোকেই যায়।

পাহাড়ি জনপদে বর্ষণমুখর দুটো দিন

এমন আজগুবি আবদার সে নিশ্চয় এই জন্মে শোনেনি। কার্শিয়াং থেকে একটা আলাদা গাড়ি নিয়ে চলে গেলাম চিমনির দিকে। অনেকটাই ডাউহিলের রাস্তায়। ইচ্ছে ছিল একবার ডাউহিলে নামার। কিন্তু এমন বৃষ্টি, নামার সুযোগ হল না। গাড়ি চলল চিমনির দিকে। গিয়ে থামল সেই হোম স্টে–‌র সামনে। হঠাৎ হানা দেওয়া সেই জনপদ। উঠে এল অভীক মজুমদারের লেখায়।

ঝাড়খণ্ডের সাহেবপাড়াঃ ম্যাকলাস্কিগঞ্জ

সাহেবদের হাতের বানানো জনপদ। এখনও রয়ে গেছে সেইসব বাংলো। পাহাড় আর জঙ্গলে ঘেরা অন্য এক অন্য ভুবন। ইতিহাস অনেক কথাই বলতে চায়। তাই নিয়ে লিখলেন তোর্সা চ্যাটার্জি।।

কুণ্ডুরা কেন স্পেশ্যাল?‌

বুক করা হত ট্রেনের পুরো কামরা। দেড়–‌দুমাসের লম্বা সফরে বেরিয়ে পড়া। রাঁধুনি তো থাকতই, সঙ্গে ধোপা–‌নাপিত। বেড়াতে গিয়েই প্রেম, বিয়ে। এমন কত অজানা কাহিনী কুণ্ডু স্পেশ্যালে। তাই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন অয়ন দাসের।