প্রণববাবু রাষ্ট্রপতি ভবনকে বিদায় জানিয়েছিলেন। তার ওপর বয়সও হয়েছিল। তিনি যে আর কোনও দিনই সক্রিয় রাজনীতি করবেন না, এটুকুও সেদিন বোঝেননি সবজান্তা বিশেষজ্ঞরা।এই জ্ঞানগম্যি নিয়ে এঁরা কিনা টিভি চ্যানেলে বসেন! লিখেছেন ধীমান সাহা।
রবি ঠাকুরের কবিতার শেষ পংক্তির সঙ্গেও কি আশ্চর্য মিল বর্তমান সরকারের প্রতিনিধি বা সমর্থকদের। সেখানে সাধু নরোত্তমকে ক্রুদ্ধ রাজা বলছেন, ‘ভণ্ড পামর, মোর রাজ্য ত্যাগ করে এ মুহূর্তে চলি যাও।’ দেশের এই দারুণ দুর্দিনে ‘রামমন্দির’ নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেই জবাব আসছে, ‘দেশদ্রোহী। হিন্দুত্বের কলঙ্ক। ভারতবর্ষ ছেড়ে চলে যাও পাকিস্তান বা অন্য কোনও দেশে!’ কী অসাধারণ দূরদর্শিতা বিশ্বকবির! ওপেন ফোরামে বিশেষ প্রতিবেদন।
উত্তম কুমারকে বড় করতে গিয়ে আমরা অহেতুক বাকিদের ছোট করে ফেলি। ভুলে যাই সেই সময়টাকে। প্রত্যেকেই যেন একেকজন দিকপাল। কাকে ছেড়ে কার কথা বলবেন? অথচ, সেই মানুষগুলো উত্তমের আড়ালেই থেকে যান। সেই পরিমণ্ডলে কারা ছিলেন? তুলে আনলেন সরল বিশ্বাস।
উত্তম আর হেমন্ত যেন এক যুগলবন্দি। কিন্তু এমন অনেক গান আছে, যে ছবিতে উত্তম আছেন, কিন্তু হেমন্তর গান অন্য কারও লিপে। কোথাও উত্তম শ্রোতা। আবার কোথাও গান বাজছে নেপথ্যে। এমনই এক অন্যরকম যুগলবন্দির কাহিনি তুলে ধরলেন পৃথা কুণ্ডু।
ফেলুদা, ব্যোমকেশ কিরীটীর কথা হয়ত জানি। কিন্তু বাংলায় প্রথম কোন মহিলা সাহিত্যিক কি গোয়েন্দ কাহিনি লিখেছেন ? ঠিক ধরেছেন, আশাপূর্ণা দেবী। একদিকে আটপৌরে সংসারের কাহিনি, অন্যদিকে গোয়েন্দাকাহিনি। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন শোভন চন্দ।।
বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন: এক সময় খুব জনপ্রিয় একটা প্রবাদ ছিল— তিনটে সরকার আছে। কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার, অভীক সরকার। কেউ কেউ বলেন, এটা নাকি স্বয়ং অভীকবাবু বলতেন। আবার কেউ কেউ...
পৃথিবীর একেবারে উত্তর মেরুর একটা ছোট্ট দেশ নরওয়ে। যাকে আমরা নিশীথ সূর্যের দেশ বলে জানি। মানে মাঝরাত্রে সূর্যের আলো দেখা যায়। হ্যাঁ সত্যিই তাই। গত সাত বছর ধরে আমি নরওয়ের...
নতুন বছরের শুরুতেই নতুন উপহার। বেঙ্গল টাইমসের শীত সংখ্যা। এবার থেকে প্রতি শনিবার পাওয়া যাবে বিশেষ ই ম্যাগাজিন। ডাউনলোড করে সহজেই পড়ে ফেলা যায়।
সারা দেশের চোখ তখন ঝাড়খণ্ডের দিকে। চ্যানেলে চ্যানেলে চলছে বিশ্লেষণ। চ্যানেলওয়ালাদের অপেক্ষা, কখন তিনি বেরিয়ে আসবেন। কখন সাংবাদিক সম্মেলন করবেন। অবশেষে মঞ্চে তাঁর আবির্ভাব। হেঁটে নয়। সাইকেলে। সামনের সিটে...
দুয়ারে কড়া নাড়ছে শীত। সামনেই আসছে বড়দিনের ছুটি। হাতে আর তেমন লম্বা ছুটি নেই। চিন্তা করবেন না। হাতের কাছেই রয়েছে অসংখ্য জায়গা। দু তিন দিন ঘুরে আসুন। মন ভাল হয়ে...