ই–‌ম্যাগাজিন। উত্তম কুমার বিশেষ সংখ্যা

মহানায়ককে ঘিরে এমন নানা প্রশ্ন। জুলাইয়ের শেষবেলায় এসে তারই উত্তর খোঁজার চেষ্টা বেঙ্গল টাইমসে। কিছু জানা, কিছু অজানা। পুরো বইটি পড়ুন। ভাল লাগলে অন্যদের শেয়ার করতে পারেন।

তসলিমাকে হজম করা এই অর্বাচীনদের কম্ম নয়

তাই যাঁরা উল্লসিত হচ্ছেন, যাঁরা এই সুযোগে আরও একবার বামেদের গাল পেড়ে নিচ্ছেন, তাঁরা বোধ হয় তসলিমার একটি বইও পড়েননি। ধর্মীয় হিংসা ছড়ানোই যাঁদের হাতিয়ার, তসলিমাকে হজম করা তাঁদের কম্ম নয়।

বাতিল লেখা থেকেই ছবি বানালেন তরুণ মজুমদার

তাঁর কাহিনী নিয়ে একের পর এক ছবি তৈরি হয়েছে। মুম্বইয়ে নিজেও লিখেছেন একের পর এক চিত্রনাট্য। সেগুলো থেকে সেই সময়ের হিট হিন্দি ছবি তৈরি হয়েছে। কিন্তু নিজের ১৬ বছর বয়সে লেখা গল্প নিয়ে ছবি হতে পারে, কখনই ভাবেননি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক ঘণ্টায় বিরিয়ানি আসে, বই তো আসে না

উত্তম জানা কয়েক বছর আগেও যা ভাবা যেত না, আজ তা কত সহজে আয়ত্বে এসে গেছে। কোনও একটা অ্যাপে আপনি খাবারের অর্ডার দিলেন। আধ ঘণ্টার মধ্যে তা আপনার দরজায় হাজির।...

গল্প:‌ হারায়ে খুঁজি

সৌর্য সিনহা ডুয়ার্সের আকাশে ভোরের নরম আলো। পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা কুয়াশা তখনও পুরোপুরি সরেনি। রাজাভাতখাওয়ার ছোট্ট স্টেশনটা যেন অন্য এক সময়ের গল্প বলে। সবুজে ঘেরা, প্রায় নির্জন, দূরে...

বাংলা সাহিত্যের সিধু জ্যাঠা

নাম হয়ে গেছে সাহিত্যের গুগল। কেউ কেউ বলেন সিধু জ্যাঠা। একটা বই, একসঙ্গে এতকিছুর সন্ধান দিতে পারে!‌ যাঁর আছে, তাঁর কাছে এটি অমূল্য সম্পদ। যাঁর নেই, তিনি জানেনও না, কতকিছু থেকে তিনি বঞ্চিত।

সময় করে বসতেন সাদা পাতার সামনে

দেবাংশু ঘোষ লেখকরা কি সারাক্ষণ লিখে চলেন? নাকি সময় মেনে লেখেন। একেকজনের ক্ষেত্রে একেকরকম নিয়ম। কেউ লেখেন রাত জেগে। কেউ লেখেন ভোরের দিকে। কেউ আবার অফিসে কাজের ফাঁকে। কেউ লেখেন...

বুদ্ধদেব গুহর বাংলো, চলে গেল অপর্ণা সেনের হাতে

চাইলে নির্জন স্টেশনে বসে থাকতে পারেন। চাইলে জঙ্গলের বুক-চেরা রাস্তা দিযে হেঁটে আসতে পারেন। আর নইলে কয়েক ঘণ্টার জন্য একটা গাড়ি ভাড়া নিয়ে আশপাশের এলাকা ও প্রকৃতি ঘুরে দেখতে পারেন।
হয়ত গিয়ে দেখবেন অন্য কোনও পর্যটক নেই। হয়ত আপনারাই একমাত্র পর্যটক। দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই। ভাল জায়গায় অল্প লোকেই যায়।

কাকে দিলি রাজার পার্ট

আচ্ছা, লাইব্রেরি দপ্তরের জন্য যথার্থ শিক্ষত, বই মনষ্ক লোকের কি সত্যিই এত অভাব?‌ এই দপ্তরটাকে আস্তাকূঁড় ভেবে নেওয়া কি খুব জরুরি?‌ মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বলতে ইচ্ছে করে, কাকে দিলেন রাজার পার্ট?‌