পাকিস্তানের আসল এজেন্ট তাহলে কারা?‌

রক্তিম মিত্র মন কী বাত বলে কথা। মাঝে মাঝে মনের কথা বেরিয়েই আসে। যতই সাজানো স্ক্রিপ্ট থাকুক, সত্যি কথা কোন ফাঁকতালে যে বেরিয়ে আসে, বলা মুশকিল। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পাকিস্তান শুধু...

কুণাল কামরাকে নয়, ওই শিবসৈনিকরা যেন থাপ্পড় মারলেন শিন্ডেকেই

তাঁরা এটাও জানেন, কেন্দ্রের দিক থেকেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। মোদিকে ব্যঙ্গ করেছেন, অতএব ভাঙচুর বৈধ, এই আনন্দে কেন্দ্রীয় সরকারও হাত গুটিয়েই থাকবে। অর্থাৎ, কেন্দ্রের সরকার যাঁরা চালাচ্ছেন, তাঁরাও এই গুন্ডামি আটকাতে কিছুই করবে না। উল্টে তাঁদের আড়াল করবে। পুরস্কৃত করবে। আর কুণাল কামরাকে নানাভাবে হেনস্থা করবে। সত্যিই, প্রধানমন্ত্রীর অপদার্থতার ওপর তাঁর দলের লোকের কতখানি আস্থা!‌

এমন ব্যর্থতার পরেও ধন্য ধন্য করবেন!‌

সুমন মণ্ডল একটা কথা শুরুতেই বলে ফেলা যাক, বাজেটের আমি কিছুই বুঝি না। বাজেট বুঝতে গেলে যে অর্থনৈতিক জ্ঞানগম্যি থাকতে হয়, আমার অন্তত তা নেই। তাই কোথায় সাফল্য, কোথায় ব্যর্থতা,...

আপনি একবার ‘‌দেশপ্রেমী’‌ হয়ে গেলেই অনেক অপকর্ম ঢাকা পড়ে যাবে

এতদিন শুনে আসতাম, ভারতকে নাকি সবাই ভয় পায়। আমেরিকা, চীন, জাপান সবাই নাকি ভারতকে ভয় পাচ্ছে। গত কয়েকমাসে অন্তত এটুকু বোঝা গেল, পাশের পুঁচকে রাজ্য বাংলাদেশও মোদিকে পাত্তা দেয় না। তাঁদের সরকারের কর্মকাণ্ড অবশ্যই নিন্দনীয়। কিন্তু তাঁরা যে ভারতকে বিশেষ পাত্তা দিচ্ছে না, এটা অন্তত পরিষ্কার।

শুধুই ভদ্রলোক!‌ উন্নয়নের কথা বেমালুম ভুলে যাবেন!‌

জ্যোতি বসু, পবন চামলিং এর পাশআপাশি তিনিও দীর্ঘদিনের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন। ওড়িশার মানুষের জন্য এত কিছু করার পরও মানুষ তাঁকে ক্ষমতা থেকে দূরে সরিয়ে দিলেন। ওড়িয়া ভাষা না জেনেও ওড়িয়াদের হৃদয়ে তিনি থেকে যাবেন বহুদিন।‌

অহঙ্কারের যোগ্য জবাব দিয়েছে অযোধ্যা

এবার যেভাবে রাম মন্দির উদ্বোধন হল, তাতে রামকে নেহাতই গৌণ চরিত্র মনে হয়েছে। এ যেন একজনকে প্রতিষ্ঠা করার মহামঞ্চ। নিজেকে জাহির করা কোন নির্লজ্জ স্তরে পৌঁছোতে পারে এবং মূলস্রোত মিডিয়া কতটা নির্লজ্জ স্তাবকতা করতে পারে, তা দেখে সত্যিই অবাক হয়েছিলাম।

‌আসল পাল্টিবাজ তাহলে কারা?‌

রজত সেনগুপ্ত সবথেকে বেশিদিনের মুখ্যমন্ত্রী কে?‌ কুইজে আগে এমন প্রশ্ন আসত। উত্তরটা ছিল জ্যোতি বসু। পরে নিঃশব্দে জ্যোতি বসুকে ছাপিয়ে যান সিকিমের পবন চামলিং। মাস ছয়েক পর চামলিংকেও হয়তো ছাপিয়ে...

‌এথিক্স কমিটির চেয়ারম্যানের সাংসদ পদ আগে খারিজ হোক

কী আলোচনা হল, বাইরে এসে বলে দিচ্ছেন। কে কী চিঠি জমা দিল, সেগুলো বাইরে ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। মিডিয়ার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এমনকী এথিক্স কমিটি কী সুপারিশ করতে চলেছে, সেই লিখিত বয়ানও পৌঁছে যাচ্ছে আদানির পোষ্য মিডিয়ার কাছে। মহুয়া নয়, এই গুণধর চেয়ারম্যানের আগে বিচার হওয়া দরকার। দেশের নিরাপত্তার জন্য মহুয়া নন, চেয়ারে বসে থাকা এই অপদার্থ লোকগুলো অনেক বেশি বিপজ্জনক।

উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী

জগবন্ধু চ্যাটার্জি ভারত যেদিন স্বাধীন হয়, সেদিন কোথায় ছিলেন গান্ধীজি? উত্তরটা হল, কলকাতায়। আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে, বেলেঘাটায়। লালকেল্লায় যখন স্বাধীনতার উৎসব হচ্ছে, গোটা দেশে যখন পতপত করে তেরঙা...

সংসদের গরিমাই বোঝেন না প্রধানমন্ত্রী

সংসদের সে মান আর নেই। অনেকটাই নেমে গেছে। না আছে হোমওয়ার্ক। না আছে বাগ্মিতা। না আছে যুক্তির বিন্যাস। সবথেকে যেটা পীড়া দেয়, সেটা হল, কারও মধ্যেই শোনার মতো ধৈর্য নেই। একজন বলছেন, অন্যরা হল্লা করেই চলেছেন। নিজেরা নিজেদের কোথায় নামাচ্ছেন?‌