কী আলোচনা হল, বাইরে এসে বলে দিচ্ছেন। কে কী চিঠি জমা দিল, সেগুলো বাইরে ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। মিডিয়ার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এমনকী এথিক্স কমিটি কী সুপারিশ করতে চলেছে, সেই লিখিত বয়ানও পৌঁছে যাচ্ছে আদানির পোষ্য মিডিয়ার কাছে। মহুয়া নয়, এই গুণধর চেয়ারম্যানের আগে বিচার হওয়া দরকার। দেশের নিরাপত্তার জন্য মহুয়া নন, চেয়ারে বসে থাকা এই অপদার্থ লোকগুলো অনেক বেশি বিপজ্জনক।
জগবন্ধু চ্যাটার্জি ভারত যেদিন স্বাধীন হয়, সেদিন কোথায় ছিলেন গান্ধীজি? উত্তরটা হল, কলকাতায়। আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে, বেলেঘাটায়। লালকেল্লায় যখন স্বাধীনতার উৎসব হচ্ছে, গোটা দেশে যখন পতপত করে তেরঙা...
সংসদের সে মান আর নেই। অনেকটাই নেমে গেছে। না আছে হোমওয়ার্ক। না আছে বাগ্মিতা। না আছে যুক্তির বিন্যাস। সবথেকে যেটা পীড়া দেয়, সেটা হল, কারও মধ্যেই শোনার মতো ধৈর্য নেই। একজন বলছেন, অন্যরা হল্লা করেই চলেছেন। নিজেরা নিজেদের কোথায় নামাচ্ছেন?
অন্যের দিকে আঙুল তুলছেন ঠিকই। আসলে, আঙুলটা তাঁর নিজের দিকেই উঠছে। নিজের ব্যর্থতাকেই বেআব্রু করে চলেছেন। সেই কতকাল আগে অটল বিহারী বাজপেয়ী তাঁকে বলেছিলেন, রাজধর্ম পালন করতে। সেই শিক্ষা আজও নিতে পারেননি। রাজধর্ম থেকে তিনি আলোকবর্ষ দূরে। তিনি শুধু বাজার গরম করতেই জানেন। কিন্তু প্রশাসন চালানো তাঁর কম্ম নয়।
রঞ্জন সেন পাটনার মেগা বৈঠককে নিয়ে অনেকদিন ধরেই অনেক আলোচনা। এই বৈঠক আদৌ কতটা কার্যকর হবে? এই বৈঠক থেকে কী বার্তা বেরিয়ে আসবে? এই বৈঠকেই কি বিকল্প হিসেবে কোনও মুখকে...
এঁদের পাশে যখন রাহুল গান্ধীকে দেখেন, তখন কাকে বেশি করে পাপ্পু মনে হয়? যে বুকের পাটা রাহুল দেখিয়েছিলেন, সেটা তো রাজনাথ বা অমিত শাহ দেখাতে পারলেন না।
বয়সের ব্যবধান অনেকটাই। কখনও তাঁরা একে অন্যের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। কখনও যেন গুরু–শিষ্য। আবার কখনও পিতা–পুত্র। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ও নেতাজি সুভাষচন্দ্রের সেই সম্পর্কে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।
গান্ধী পরিবারের সুবিধাটা কোথায়? এতদিন বারবার এটাই অভিযোগ উঠত, তাঁরা ক্ষমতা আঁকড়ে আছেন। ফলে, ব্যর্থতার সব দায় তাঁদেরই নিতে হত। তাছাড়া, প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির আক্রমণের নিশানাই থাকতেন রাহুল গান্ধী। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই পরিবারতন্ত্রের কথা টেনে আনা হত। নিজের ব্যর্থতাকে ঢাকতে গিয়ে এমনকী বারবার নেহরুকেও টেনে আনতেন প্রধানমন্ত্রী। রাহুলের দোষ চাপাতেন নেহরুর ঘাড়ে।
(বছরখানেক আগে। মুলায়ম সিং যাদবের ৮০ তম জন্মদিনে এই লেখা বেঙ্গল টাইমসে প্রকাশিত হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর পর সেই লেখা ফের প্রকাশিত হল। ) স্বরূপ গোস্বামী ছোটবেলার চেনা শব্দগুলোর মানে...
এরই মধ্যে মুলায়ম সিং যাদব দুদিন পর জানিয়ে দিলেন, তিনি আগের ঘোষণা ফিরিয়ে নিচ্ছেন। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি পদে প্রণব মুখার্জিকেই সমর্থন করবেন। যতদূর মনে পড়ে, সেই সময় মমতার শিবির থেকে মুলায়মকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলেও চিহ্নিত করা হয়েছিল। মুলায়মের এই হঠাৎ করে নেওয়া সিদ্ধান্তে বেশ ক্ষুব্ধই হয়েছিলেন মমতা। তিনি কার্যত একা পড়ে গেলেন। দিন কয়েক যেতে না যেতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীও হাজির প্রণববাবুর বাড়িতে, তাঁকে সমর্থনের বার্তা দিতে।