ছৌ মুখোশের চড়িদা গ্রামে একটি দিন
ছৌ নাচের কথা কে না জানেন! কোথায় তৈরি হয় সেই ছৌ–মুখোশ? অযোধ্যার লাগোয়া সেই চড়িদা গ্রাম থেকে ঘুরে এসে লিখলেন সংহিতা বারুই।
হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির সরণি বেয়ে ….
জীবনে চলার পথে হারিয়ে যাওয়া কোনও বন্ধুর সেই দুষ্টুমির কথা উঠে আসতেই পারে। কোনও মাস্টারমশাইয়ের ধমক বা স্নেহের শাসন, সরস্বতী পুজো বা দুর্গা পুজোর ছোট ছোট ঘটনা, যেগুলো মাঝে মাঝেই মনে পড়ে যায়। লড়াইয়ের দিনগুলোয় কারা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত? জীবনের এতটা পথ পেরিয়ে আসার পর যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে ইচ্ছে করে, সেই দরজা খোলা থাক।
ফেলে আসা পুজোর দিনগুলো
গীতা মুখার্জির পাঠশালায় নারীর মুক্তি
কেমন ছিলেন অতীত দিনের দিকপাল সেই সাংসদরা? কেন এতবছর পরেও তাঁদের আমরা মনে রাখি? এই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ সিরিজ। এবারের শ্রদ্ধাঞ্জলি গীতা মুখার্জিকে। লিখেছেন ড. অরিন্দম অধিকারী।।
সংসদের সেই দৃপ্ত কণ্ঠস্বর
বাংলার দিকপাল সাংসদরা যখন কথা বলতেন, গোটা সংসদ তখন যেন মুগ্ধ শ্রোতা। অতীত দিনের সেইসব দিকপাল সাংসদদের নিয়ে বিশেষ সিরিজ। এবারের শ্রদ্ধার্ঘ্য গুরুদাস দাশগুপ্তকে। তাঁকে নিয়ে লিখেছেন ড. অরিন্দম অধিকারী।
মোয়ার সেকাল একাল
মোয়া মানেই উঠে আসে জয়নগরের নাম। দুটোই যেন সমার্থক। কিন্তু মোয়ার আসল রাজধানী মোটেই জয়নগর নয়। এই জয়নগর ব্র্যান্ডের আড়ালেই হারিয়ে গেছে বহরু। যাই যাই শীতের আমেজে সেই জয়নগর আর বহরু থেকে ঘুরে এলেন সংহিতা বারুই।
নিবিঢ় অরণ্যের হাতছানি সুতানে
জঙ্গলে যাব মনে করলেই মনটা কেমন ডুয়ার্স ডুয়ার্স করে ওঠে। পাহাড়, নদী, জঙ্গল, ঠান্ডা আবহাওয়া সবই তো উত্তরবঙ্গে। তাই বলে দক্ষিণবঙ্গের কপালে শুধুই গরম আর রুক্ষ প্রকৃতি? না। আমাদেরও আছে। দক্ষিণবঙ্গের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে টুকরো টুকরো ডুয়ার্স।
শিক্ষক দিবস হোক আত্মসমীক্ষার দিন
বনস্পতির ছায়া দিলেন, সারাজীবন
আজ শিক্ষক দিবস। প্রিয় শিক্ষকদের স্মৃতিতর্পণ। শ্রদ্ধেয় শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দে–র স্মৃতিতে তেমনই একটি লেখা। তুলে আনা হল ‘বনস্পতি’ স্মরণিকা থেকে
