বেড়ানোর সব রোমাঞ্চ স্টেশনে এসেই শেষ

সাম্প্রতিককালে কেউ নিউ জলপাইগুড়ি গিয়েছেন?‌ গেলেই বুঝতে পারবেন দুর্ভোগ কাকে বলে। যাঁরা উত্তরবঙ্গ বা সিকিমে বেড়াতে যান, তাঁরা মূলত নামেন এই এনজেপি স্টেশনেই। প্রতিদিন কয়েক লক্ষ মানুষ এই স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু এই স্টেশন থেকে বাইরে বেরোনো যেন এক নরক যন্ত্রণার শামিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কোন রাস্তা কোনদিকে যাচ্ছে, বোঝার উপায় নেই। না আছে লিফট, না আছে চলমান সিঁড়ি। কোথাও কোথায় থাকলেও তা কাজ করে না। যাঁরা পাহাড়ে বেড়াতে যান, খুব স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের শীতবস্ত্র নিয়ে যেতে হয়। অর্থাৎ একেকটি পরিবারের সঙ্গে দুটি, তিনটি ট্রলি ব্যাগ থাকে। এইসব ব্যাগপত্তর নিয়ে স্টেশনের বাইরে আসার যা দুর্ভোগ, তার থেকে সহজে বোধ হয় এভারেস্টে পৌঁছে যাওয়া যায়। এদিক ওদিক ঘুরে অনেকটা পথ হাঁটতে হয়। সঙ্গে বয়স্ক মানুষ বা বাচ্চা থাকলে তাঁর পক্ষে বোধ হয় পাহাড় সফর এড়িয়ে চলাই ভাল। বাইরে বেরিয়ে গাড়ি পাওয়াও বেশ সমস্যার ব্যাপার। একইরকমভাবে এই স্টেশন থেকে ট্রেন ধরার অভিজ্ঞতা যাঁদের আছে, তাঁরা জানেন কতখানি দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। পাহাড় বা জঙ্গল থেকে বেড়িয়ে আসার যাবতীয় রোমাঞ্চ ও আনন্দ যেন এই স্টেশনেই নষ্ট হয়ে যায়।

Previous post গঙ্গারাম নেহাতই সুপাত্র, সব তাঁর ‘‌হাপিডেবিটে’‌ আছে
Next post এস আই আরে ব্যর্থ, ভোট গ্রহণে সফল নির্বাচন কমিশন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *