এমন বিপর্যয়েও কাদা ছোড়াছুড়ির ইচ্ছে হয়!‌

বিপর্যয় কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে উত্তরবঙ্গ। এবারের বিপদ হয়তো কাটানো গেল। কিন্তু আগামী বছর যেন আবার এমন পরিস্থিতি তৈরি না হয়, এখন থেকেই সতর্ক থাকা দরকার। পরিবেশবিদদের পরামর্শ নেওয়া হোক। কঠোরভাবে সেই নির্দেশ পালন করা হোক। কোথায় ড্রেজিং দরকার, কোথায় বাঁধ দরকার, কোথায় ক্যানাল কেটে জল অন্য কোনও জলাশয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, তার রূপরেখা তৈরি হোক। যত দ্রুত সম্ভব, সেই পরিকল্পনার রূপায়ণ হোক।

‌বিষ্ণুপুরের সেনবাড়িতে মা সারদা

প্রতিবছর অসংখ্য পর্যটক বিষ্ণুপুরে ভ্রমণ করলেও এরকম একটি পুণ্যস্থান দর্শন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রচারের অভাবেই। তাই পর্যটন বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, এ বিষয়ে একটু উদ্যোগী হোন। সেনবাড়িটিকে ঘোষণা করা হোক হেরিটেজ বিল্ডিং রূপে। যেখানে গেলে মায়ের ব্যবহৃত গৃহটিকে দেখার ও শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ হবে।

‌এই সবুজের উপত্যকা আমার দেশ

অন্তরা চৌধুরি ভুবন বাদ্যকরের কাঁচাবাদাম গান সমতলকে ছাড়িয়ে যে পাহাড়ের প্রত্যন্ত গ্রামেও পৌঁছে গেছে, এতটা আশা করিনি। ভুলটা ভাঙল কচিকাঁচাদের কণ্ঠে নেপালি ভার্সেনে সেই গান শুনে। ছয় হাজার ছ’শো ফুট...

পাগলামির নোবেল থাকলে ট্রাম্পই পেতেন

যেভাবেই হোক, তাঁকে শিরোনামে থাকতে হবে। তার জন্য নিত্য নতুন ইস্যু তৈরি করতে হবে। দরকার হলে গায়ে গা পেড়ে ঝগড়া করতে হবে। যত দিন যাচ্ছে, নিজেকে যেন হাস্যকর করে তুলছেন...

কেউ কাউকে চিঠি লেখে না

লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।

বিধানবাবু ও একটি আটপৌরে সভা

সেঁজুতি সেনগুপ্ত আমার জন্ম বিধানচন্দ্র রায়ের মৃত্যুর অনেক পরে। সুতরাং, তাঁকে কাছ থেকে দেখা তো দূরের কথা, দূর থেকে দেখার কোনও সুযোগও আমার সামনে ছিল না। তাঁর সম্পর্কে যেটুকু জানা,...

জঙ্গলের মাঝে কুঁড়েঘরের হাতছানি

ইচ্ছে হল, একঝলক গ্রাম দেখার। গ্রামে রাত কাটানোর। জঙ্গলের মাঝে গ্রামের আমেজ পেলে মন্দ কী? আবার শহুরে সাচ্ছন্দ্যও আছে। ঘুরে আসতেই পারেন জয়পুরের বনলতা রিসর্টে।

মেঘ, পাহাড়, নদী, অরণ্য–‌কী নেই উত্তরবঙ্গে?‌

কোথাও উত্তাল নদী। কোথাও মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে পাহাড়ের বুকে। কোথাও গা ছমছম করা জঙ্গল। প্রকৃতি দু’‌হাত ভরে সাজিয়ে দিয়েছে উত্তরবঙ্গকে। আমাদের কি কোনও দায়িত্ব নেই?‌ আমরা কি আরও উত্তরবঙ্গকে আরও ভালভাবে তুলে ধরতে পারি না?‌ লিখেছেন তিস্তা ঘোষাল।

‌আস্ত একটা মুড়ির মেলা বসে নদীর ধারে

অন্তরা চৌধুরি বাঁকুড়ার লোকের মুড়ি খাওয়া নিয়ে যে যতই কুৎসা করুক, শুধু মুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করেই বাঁকুড়াতে একটা আস্ত মুড়ি মেলা হয়। এই মেলার বয়স প্রায় দুশো বছর। মাঘ মাসের...

ছৌ মুখোশের চড়িদা গ্রামে একটি দিন

ছৌ নাচের কথা কে না জানেন!‌ কোথায় তৈরি হয় সেই ছৌ–‌মুখোশ?‌ অযোধ্যার লাগোয়া সেই চড়িদা গ্রাম থেকে ঘুরে এসে লিখলেন সংহিতা বারুই।