বেঙ্গল টাইমস। শারদ সংখ্যা। ২০২৬

বেঙ্গল টাইমস। শারদ সংখ্যা। ২০২৬। পুজোর গন্ধ গায়ে মেখে দিনের আলো দেখল বেঙ্গল টাইমসের শারদ সংখ্যা। রাজনীতি, সাহিত্য, বিনোদন, খেলা, ভ্রমণ, স্পেশ্যাল ফিচার। নানা আঙ্গিক থেকে আকর্ষণীয় সব লেখার সম্ভার।
একশো পাতার ম্যাগাজিন। পিডিএফ আপলোড করা হল। নীচে দেওয়া হল ওয়েবলিঙ্ক। সেখানে ক্লিক করলেই ম্যাগাজিনটি খুলে যাবে। ডাউনলোড করে দ্রুত পড়ে ফেলুন।

বেঙ্গল টাইমস। শারদ সংখ্যার সম্পাদকীয়।

এবার শারদ সংকলন। কিছুটা বিলম্বিত। তবে সেই বিলম্ব কিছুটা ইচ্ছাকৃত। অন্যরা জুলাইয়ে বের করে দিল বলে আমাদের জুন মাসে বের করে দিতে হবে, এমন ছেলেমানুষির প্রতিযোগিতা থেকে দূরে থাকাই ভাল। গায়ে পুজোর গন্ধ না থাকলে কীসের পুজো সংখ্যা!‌ প্রস্তুতি ছিল। আবার শেষবেলার তাড়াহুড়োও ছিল।

মাটির গন্ধ মাখা, অন্য এক নানা

অরিন্দম সরকার প্রিয় নানা, গত কয়েকদিনে তোমার বেশ কিছু ভিডিও দেখে ফেললাম। ইউটিউবের দৌলতে অন্তত একটা সুবিধা হয়েছে। চাইলেই পুরনো ছবি দেখা যায়। চাইলেই পুরনো কোনও ইন্টারভিউ শোনা যায়। কেউ...

বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। ১ অক্টোবর সংখ্যা

বেঙ্গল টাইমসের নতুন ই–‌ম্যাগাজিন।
সামনেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। এই নির্বাচনে জেতা বা হারার ওপর রাজ্য রাজনীতির পালাবদল নির্ভর করছে না। কিন্তু তারপরেও যথেষ্ট তাৎপর্য রয়েছে এই নির্বাচনের। যতটা শাসকের কাছে, বিরোধীদের কাছেও ততটাই। উঠে আসছে নানা প্রসঙ্গ, নানা বিতর্ক। সেদিকে আলো ফেলার চেষ্টা। শাসকের বয়ান বা মূলস্রোত মিডিয়ার বয়ানের সঙ্গে হয়তো এই ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ মিলবে না। সঙ্গে রয়েছে নানা আঙ্গিক থেকে আকর্ষণীয় কিছু লেখা। বিনোদন, খেলা, ভ্রমণ ছাড়াও রয়েছে আকর্ষণীয় ফিচার।

‌পায়ে পড়ি বাঘমামা!

সৌম্যজিৎ চৌধুরি আমার নামটা আপাতত গোপনই থাক। কারণ, নাম জানাজানি হয়ে গেলে সাংবাদিকরা পিছু নেবেন। কেউ জানতে চাইবেন, নতুন পরিবেশ কেমন লাগছে। কেউ জানতে চাইবেন, বক্সার জঙ্গলে পা দিয়েই প্রথম...

হুমায়ুনের কাছে সব ‘‌মাস লিডার’‌কেই ম্লান মনে হয়

কে কত জনপ্রিয়, ভোট এলে বোঝা যায়। দলের টিকিট পেয়ে যিনি এক লাখ ভোটে জিতছেন, তিনি একবার নির্দল হয়ে দাঁড়ান। পাঁচ হাজার ভোটও পাবেন কিনা সন্দেহ। সেখানে হুমায়ুন দলের পরোয়া করেন না। প্রতীকের পরোয়া করেন না। তিনি একাই রাজা।

জিতলেও জামানত বাজেয়াপ্ত হবে ‘‌প্রশাসক’‌ শুভেন্দুর

এই উপনির্বাচন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সত্যিই বড় চ্যালেঞ্জ। জেতাটা বড় চ্যালেঞ্জ নয়। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ থাকবে কিনা, সেটা আরও বড় চ্যালেঞ্জ। প্রথম চ্যালেঞ্জে হয়তো উতরে যাবেন (‌যদিও রেজিনগর নিয়ে সংশয় আছেই)‌। কিন্তু দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জে এর মধ্যেই হেরে বসে আছেন। ভয়মুক্ত ভোটের পরিবেশ তৈরি করতে পারেননি। ভোটের দিন সেই সন্ত্রাস আরও বাড়বে, এখনই হলফ করে বলা যায়। বিজেপি হয়তো জিতবে, কিন্তু প্রশাসক শুভেন্দুর বড় পরাজয় অনিবার্য। এই দেওয়াল লিখনটা এখনই পড়ে ফেলা যায়।

‌ব্রাজিল ম্যাচেও মুখ পোড়া সময়ের অপেক্ষা

অজয় নন্দী সেই সাতাত্তরে এসেছিলেন পেলে। পঞ্চাশ বছর পার হতে চলল। এখনও সেই স্মৃতির ঢেঁকুর তোলে কলকাতা। যাঁরা সেই ম্যাচে খেলেছিলেন, তাঁরা যে অনুষ্ঠানেই যান, ঘুরেফিরে সেই পেলে ম্যাচের প্রসঙ্গ...

স্মৃতি থেকে হারিয়ে যাবে বক্সা, জয়ন্তী!‌

আরণ্যক ঘোষ বক্সায় নাকি নতুন বাঘিনী ছাড়া হচ্ছে। পর্যটকদের কাছে নিঃসন্দেহে খুশির খবর। কিন্তু যখনই শুনলাম, এর জন্য ওই এলাকার সমস্ত মানুষকে অন্যত্র সরে যেতে হবে, তখন মন কিছুটা ভারাক্রান্ত...

একটি–‌দুটি নয়, একেবারে সাতশো পাহাড়ের দেশ

স্নিগ্ধতায় মোড়া দু–‌তিনটে দিন। যার রেশ থেকে যাবে ফেরার পরেও। মনে হবে, সারান্ডার সেই রাস্তা, সেই শালবন, সেই মেঘাতুবুরুর মেঘ—সব কিছু বুঝি এখনও পিছনে পড়ে আছে।