পথের পাঁচালীর টাকা এসেছিল পিডব্লুডি থেকে!‌

পথের পাঁচালী ছবির পরিচালক কে, সবাই জানেন। কিন্তু এই ছবির প্রযোজক কে?‌ অনেকেরই হয়ত অজানা। সত্যিই তো, প্রযোজককে নিয়ে কে আর মাথা ঘামায়!‌ কোনও সন্দেহ নেই, বাংলা ছবিতে পথের পাঁচালী...

ই ম্যাগাজিন। বিধানচন্দ্র রায় সংখ্যা।

কিংবদন্তি চিকিৎসক ও বাংলার নব রূপকার বিধানচন্দ্র রায়। আজ তাঁর জন্মদিন ও মৃত্যুদিন। জন্মের ১৪৩ বছর। মৃত্যুর ৫৩ বছর। কিংবদন্তি চিকিৎসককে শ্রদ্ধা জানিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য। নানা অজানা ঘটনা।...

জেলায় জেলায় মাল্টিপ্লেক্স হোক

সরকারি উদ্যোগে কি জেলাপিছু একটা করে ছোট সিনেমা হল বানানো যায় না?‌ আপাতত না হয় জেলা সদর ধরে শুরু হোক। পরে না হয় সেটাকে মহকুমা স্তরে নিয়ে যাওয়া যাবে। আমার বিশ্বাস, ভাল মানের ছবি দেখতে জেলার দর্শকও নিশ্চয় হলে আসবেন।

হেমেনবাবুকে ধরে আনলেন প্রফুল্ল সেন

মাত্র এক টাকায় কেনা হয়েছিল সল্টলেক? কীভাবে এই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন বিধানচন্দ্র রায়? স্মৃতিচারণে প্রবীণ সাংবাদিক সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত।। সল্টলেকে জমির দাম কত? কত হতে পারে, অনুমান করুন। তাহলে, গোটা সল্টলেকের...

বিধানবাবু ও একটি আটপৌরে সভা

সেঁজুতি সেনগুপ্ত আমার জন্ম বিধানচন্দ্র রায়ের মৃত্যুর অনেক পরে। সুতরাং, তাঁকে কাছ থেকে দেখা তো দূরের কথা, দূর থেকে দেখার কোনও সুযোগও আমার সামনে ছিল না। তাঁর সম্পর্কে যেটুকু জানা,...

‌স্বপ্নের নগরী কল্যাণী সেভাবে বেড়ে উঠল কই!

কীভাবে গড়ে উঠল কল্যাণী শহর? কে এই কল্যাণী? প্রশ্নটা অনেকদিনের। মুখে মুখে ফেরে। রয়েছে নানা জনশ্রুতি। কেউ বলেন, বিধানবাবুর প্রেমিকা। কেউ বলেন, পালিতা কন্যা। আলো ফেললেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি। একটি ছোট্ট...

‌একটি পেরেকের কাহিনী

উত্তম জানা দিন কয়েক আগের কথা। ফেসবুকে জানতে পারলাম, সাগরময় ঘোষের জন্মদিন। অনেকেই ছবি দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। অনেকেই দু–‌চার কথা লিখছেন। দেশ পত্রিকার এই সম্পাদক সম্পর্কে বলা হয়, যিনি দারুণ...

বাঁকুড়া থেকেও ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন বিধানচন্দ্র!‌

সেবার চৌরঙ্গি ও শালতোড়া–‌দুটি আসনেই জিতেছিলেন বিধানবাবু। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছেড়ে দিতে হত। তিনি চৌরঙ্গি আসনটিই ধরে রেখেছিলেন। জয়ী হয়েছিলেন জানুয়ারিতে। জুলাই মাসের প্রথম দিনই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ফলে, আর শালতোড়ায় আসা হয়নি। শোনা যায়, শালতোড়াকে ঘিরেও তাঁর কিছু উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। লিখেছেন সজল মুখার্জি।

বিশ্বজয় অতীত, হাহাকার বর্তমান

ধীমান সাহা একটা বছরে কতকিছুই না বদলে যায়। ঠিক এক বছর আগে। এমনই এক রাতে বার্বাডোজে উড়েছিল জয়ের নিশান। টি২০ বিশ্বকাপে ভারত প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সেই ২০০৭ সালে। মাঝের সতেরো...

সুরকার হেমন্ত যেন গায়কের আড়ালেই থেকে গেলেন

বাংলায় সুরের হাতেখড়ি অভিযাত্রীতে হলেও প্রথম বড় মাপের সাফল্য এল শাপমোচন ছবিতে (‌১৯৫৫)‌। তখন তিনি মুম্বইয়েই (‌তখন বম্বে)‌ বেশি থাকতেন। সেখানে তখন ব্যস্ততা চরমে। ছবিটাতে সুর করার জন্য খুব বেশি সময় পাচ্ছিলেন না। খুব অল্প সময়ে তিনি ‘‌শোনো বন্ধু শোনো’‌, ‘‌সুরের আকাশে তুমি যে গো শুকতারা’‌, ‘‌বসে আছি পথ চেয়ে’‌, ‘‌ঝড় উঠেছে বাউল বাতাস’‌ গানগুলোর সুর করেছিলেন।