ই ম্যাগাজিন। বিধানচন্দ্র রায় সংখ্যা।
জেলায় জেলায় মাল্টিপ্লেক্স হোক
সরকারি উদ্যোগে কি জেলাপিছু একটা করে ছোট সিনেমা হল বানানো যায় না? আপাতত না হয় জেলা সদর ধরে শুরু হোক। পরে না হয় সেটাকে মহকুমা স্তরে নিয়ে যাওয়া যাবে। আমার বিশ্বাস, ভাল মানের ছবি দেখতে জেলার দর্শকও নিশ্চয় হলে আসবেন।
হেমেনবাবুকে ধরে আনলেন প্রফুল্ল সেন
বিধানবাবু ও একটি আটপৌরে সভা
স্বপ্নের নগরী কল্যাণী সেভাবে বেড়ে উঠল কই!
একটি পেরেকের কাহিনী
বাঁকুড়া থেকেও ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন বিধানচন্দ্র!
সেবার চৌরঙ্গি ও শালতোড়া–দুটি আসনেই জিতেছিলেন বিধানবাবু। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছেড়ে দিতে হত। তিনি চৌরঙ্গি আসনটিই ধরে রেখেছিলেন। জয়ী হয়েছিলেন জানুয়ারিতে। জুলাই মাসের প্রথম দিনই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ফলে, আর শালতোড়ায় আসা হয়নি। শোনা যায়, শালতোড়াকে ঘিরেও তাঁর কিছু উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। লিখেছেন সজল মুখার্জি।
বিশ্বজয় অতীত, হাহাকার বর্তমান
সুরকার হেমন্ত যেন গায়কের আড়ালেই থেকে গেলেন
বাংলায় সুরের হাতেখড়ি অভিযাত্রীতে হলেও প্রথম বড় মাপের সাফল্য এল শাপমোচন ছবিতে (১৯৫৫)। তখন তিনি মুম্বইয়েই (তখন বম্বে) বেশি থাকতেন। সেখানে তখন ব্যস্ততা চরমে। ছবিটাতে সুর করার জন্য খুব বেশি সময় পাচ্ছিলেন না। খুব অল্প সময়ে তিনি ‘শোনো বন্ধু শোনো’, ‘সুরের আকাশে তুমি যে গো শুকতারা’, ‘বসে আছি পথ চেয়ে’, ‘ঝড় উঠেছে বাউল বাতাস’ গানগুলোর সুর করেছিলেন।
