সুরকার হেমন্ত যেন গায়কের আড়ালেই থেকে গেলেন

বাংলায় সুরের হাতেখড়ি অভিযাত্রীতে হলেও প্রথম বড় মাপের সাফল্য এল শাপমোচন ছবিতে (‌১৯৫৫)‌। তখন তিনি মুম্বইয়েই (‌তখন বম্বে)‌ বেশি থাকতেন। সেখানে তখন ব্যস্ততা চরমে। ছবিটাতে সুর করার জন্য খুব বেশি সময় পাচ্ছিলেন না। খুব অল্প সময়ে তিনি ‘‌শোনো বন্ধু শোনো’‌, ‘‌সুরের আকাশে তুমি যে গো শুকতারা’‌, ‘‌বসে আছি পথ চেয়ে’‌, ‘‌ঝড় উঠেছে বাউল বাতাস’‌ গানগুলোর সুর করেছিলেন।

উচ্চতা বেড়ে গেল বাভুমার

সোহম সেন ছেলেটির বয়স সবে দু’‌বছর। নাম লিহলে। ক্রিকেট কী জিনিস, বোঝার কথা নয়। লর্ডস কী, সেটাও বোঝার কথা নয়। ‘‌চোকার্স’ শব্দটা তো জানার কথাই নয়। কিন্তু সেই ছেলেটিই জড়িয়ে...

কিশোরকে প্রথম রবীন্দ্র সঙ্গীত গাওয়ান হেমন্তই

শোনা যায়, কিশোর কুমারকে কলকাতায় প্রথমবার মঞ্চে আনার নেপথ্যে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের বড় অবদান ছিল। কিশোর এত এত দর্শকের সামনে গান গাইতে রাজি হচ্ছিলেন না। হেমন্তই তাঁকে ভরসা দেন, ‘‌তুমি চলো। কোনও চিন্তা নেই। আমি তোমার পেছনেই থাকব। কোথাও কোনও সমস্যা হলে আমি সামলে দেব।’‌ সামলাতে অবশ্য হয়নি। রবীন্দ্র সরোবরে টানা দেড় ঘণ্টা মাতিয়ে রেখেছিলেন কিশোর কুমার। মঞ্চে গাওয়ার এমন এক আত্মবিশ্বাস পেয়ে গেলেন, যা দিয়ে মঞ্চ মাতিয়ে গেছেন সারা জীবন।