পায়ে হেঁটেই নববর্ষের আড্ডায় হাজির দাদাঠাকুর

পোশাকি নাম সবিতেন্দ্রনাথ রায়। বইপাড়ায় জনপ্রিয় নাম ভানুবাবু। নববর্ষ মানেই তাঁর দোকানে লেখকদের জমজমাট আড্ডা। অনেক স্মৃতি সযত্নে আগলে রেখেছেন। তাঁর সঙ্গে মুখোমুখি আলাপচারিতায় স্বরূপ গোস্বামী।।

শুধু একটি বছর

আরও একটা নতুন বছর। অবশ্য নতুন বছর বললেই আমরা ইংরাজির ক্যালেন্ডার বদলের কথা ভেবে নিই। বাংলাতেও যে আলাদা একটা বছর আছে, সেটা আমরা ভুলেই যাই। বাংলার কোন মাস চলছে, অনেকেই...

শরৎ, হেমন্ত, বসন্ত আসলে গ্রীষ্মের তিন রূপ

আমাদের ছোটবেলায় শরৎকাল, বসন্তকাল নিয়ে রচনা আসত। কেউ কেউ ঝেড়ে মুখস্থ করত। আবার কেউ কেউ নিজেদের অভিজ্ঞতা মিশিয়ে এটা–‌সেটা কিছু একটা লিখে আসত। এখনকার যা সিলেবাস, বোধ হয় এসব রচনা আর আসে না। আর এলেও বানিয়ে লেখা বোধ হয় সম্ভব নয়। কারণ, শরৎকালের সঙ্গে বসন্তকালের কী ফারাক, দৈনন্দিন জীবনে তা বুঝে ওঠার সত্যিই কোনও উপায় নেই। দুটোই আসলে গরমকালের দুই রূপ।

বেঙ্গল টাইমস।। ই ম্যাগাজিন।। ৬ এপ্রিল সংখ্যা

অদ্ভুত এক আঁধার। একধাক্কায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল। পর্বতপ্রমাণ প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির কথা সুপ্রিম কোর্টের রায়ে। এরপরেও আমরা কী উদাসীন। সরকার ব্যস্ত নিজের দায় ঝেড়ে ফেলে অন্যদের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে...

একজন শিক্ষক এগিয়ে এসে বলুন, রানী তোর কাপড় কোথায়!‌

লন্ডনে সভা ভন্ডুলের চেষ্টাকে ধিক্কার জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে আন্তরিকভাবেই চাই, আপনার জন্য অপেক্ষা করে থাকুক তীব্র ঘৃণা আর ধিক্কার। ঢোকার মুখেই যেন শুনতে হয়ে গো ব্যাক স্লোগান। চোর চোর ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠুক নেতাজি ইনডোর। একজন নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে এমন সম্ভাষণ হয়তো শোভনীয় নয়। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, শোভনতা, শালীনতা প্রত্যাশা করার অধিকারটুকুও তাঁর নেই। এই ধিক্কারই তাঁর প্রাপ্য। খুঁজছি সেই শিশুকে, যে এসে চিৎকার করে বলবে, রাজা তোর কাপড় কোথায়!‌

কী অবলীলায় সব দায় অন্যদের ঘাড়ে চাপাচ্ছেন‌!‌

এই নিয়োগের পেছনে ছোট খাটো দুর্নীতি নয়, একেবারে নির্লজ্জ স্তরের জালিয়াতি হয়েছে। এসএসসি চেয়ারম্যানের চোদ্দ পুরুষের ক্ষমতা ছিল না এই মাপের দুর্নীতি করার। যাঁরা সমস্ত প্রমাণ লোপাট করলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তো একটা কথাও বললেন না। যাঁরা কয়েকশো কোটি এখান থেকে উপার্জন করলেন, তাঁদের নামে তো একটি কথাও বললেন না।

সেই একই কুনাট্য চলছে

আইন আইনের পথে চলবে –এই লব্জ মনে রেখে আদালতের উপরেই যেন ছেড়ে দিয়েছিলাম বিচারের ভার। ফলে, এই রায়ে আমরা আজ বেদনাহত হলেও বিস্মিত নই। ভাবছি দুর্নীতি কিছু তো হতেই পারে, কিন্তু তাই বলে এরকম রায়? যেন যাবতীয় দোষ আদালতের, শিক্ষা দপ্তরের নয়।

চন্দ্রচূড়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা তাহলে বেরিয়েই এল!‌

অজয় কুমার অনেকদিন আগেই তিনি চলে গেছেন অবসরের দুনিয়ায়। তবু হঠাৎ করেই আবার তাঁর নামটা ভেসে উঠল। টেনে আনলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। বলে ফেললেন, জাস্টিস চন্দ্রচূড় তো এই মামলা খারিজ করে...

একজনকে বাঁচাতে ২৬ হাজার শিক্ষককে বলি!‌

এক কথায় ছাব্বিশ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করা গেল। কিন্তু যাঁরা দিনের পর দিন হলফনামায় জানালেন, দুটো তালিকা আলাদা করা সম্ভব, তাঁদের কী হবে?‌ যাঁরা দিনের পর দিন আদালতকে বিভ্রান্ত করলেন, সবার আগে দরকার ছিল তাঁদের হেফাজত নিশ্চিত করা। যাঁরা সব প্রমাণ নষ্ট করেছেন, তাঁদের কী শাস্তি দিল আদালত?‌ তাঁদের অপরাধ নিয়ে তো কোনও সংশয় নেই!‌

দলবদলুরা জানেন, শুধু তাঁরা একাই চরিত্রহীন নন

এই সব দলবদলুকে কেন চরিত্রহীন বলা যাবে না?‌ যাঁরা তাঁদের বরণ করে নিচ্ছেন, তাঁদেরই বা কেন চরিত্রহীন বলা যাবে না?‌ সে স্পিকার সবকিছু দেখেও, বারবার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও টালবাহানা করেন, তাঁকেই বা কেন চরিত্রহীন বলা যাবে না?‌