একজন শিক্ষক এগিয়ে এসে বলুন, রানী তোর কাপড় কোথায়!‌

লন্ডনে সভা ভন্ডুলের চেষ্টাকে ধিক্কার জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে আন্তরিকভাবেই চাই, আপনার জন্য অপেক্ষা করে থাকুক তীব্র ঘৃণা আর ধিক্কার। ঢোকার মুখেই যেন শুনতে হয়ে গো ব্যাক স্লোগান। চোর চোর ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠুক নেতাজি ইনডোর। একজন নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে এমন সম্ভাষণ হয়তো শোভনীয় নয়। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, শোভনতা, শালীনতা প্রত্যাশা করার অধিকারটুকুও তাঁর নেই। এই ধিক্কারই তাঁর প্রাপ্য। খুঁজছি সেই শিশুকে, যে এসে চিৎকার করে বলবে, রাজা তোর কাপড় কোথায়!‌

কী অবলীলায় সব দায় অন্যদের ঘাড়ে চাপাচ্ছেন‌!‌

এই নিয়োগের পেছনে ছোট খাটো দুর্নীতি নয়, একেবারে নির্লজ্জ স্তরের জালিয়াতি হয়েছে। এসএসসি চেয়ারম্যানের চোদ্দ পুরুষের ক্ষমতা ছিল না এই মাপের দুর্নীতি করার। যাঁরা সমস্ত প্রমাণ লোপাট করলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তো একটা কথাও বললেন না। যাঁরা কয়েকশো কোটি এখান থেকে উপার্জন করলেন, তাঁদের নামে তো একটি কথাও বললেন না।

সেই একই কুনাট্য চলছে

আইন আইনের পথে চলবে –এই লব্জ মনে রেখে আদালতের উপরেই যেন ছেড়ে দিয়েছিলাম বিচারের ভার। ফলে, এই রায়ে আমরা আজ বেদনাহত হলেও বিস্মিত নই। ভাবছি দুর্নীতি কিছু তো হতেই পারে, কিন্তু তাই বলে এরকম রায়? যেন যাবতীয় দোষ আদালতের, শিক্ষা দপ্তরের নয়।