মোহনবাগানের ম্যাচ!‌ টিকিট জোগাড় করে রাখতেন নজরুল

কবি নজরুলকে তো সবাই চেনেন। কিন্তু ফুটবলপ্রেমী নজরুল?‌ মোহনবাগানের খেলা। তিনি আগাম টিকিট কেটে রাখলেন বন্ধুদের জন্য। তারপর?‌ এই প্রতিবেদনে জেনে নিন।

এরপরেও মানুষ টিকিট কাটেন

‌মাঝে মাঝেই কাজের সূত্রে কলকাতায় যেতে হয়। কখনও বাসে ফিরি। আবার অনেক সময় ট্রেনেও ফিরতে হয়। কিন্তু ট্রেনে ফিরতে গিয়ে যে ভোগান্তির শিকার হতে হয়, তা জানানোর জন্যই এই চিঠি।...

দলবদলুদের কেন ‘‌চরিত্রহীন’‌ বলা হবে না?‌

প্রশান্ত বসু ভোট এলেই কারও কারও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। যেই বোঝেন, টিকিট পাওয়া যাবে না, অমনি কারও কারও দম বন্ধ হয়ে আছে। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। অন্য দলে গিয়ে দু’‌দণ্ড...

বইকে চৈত্র সেলের পণ্য বানাবেন না

ভুয়ো বইপ্রেমীদের জন্যই বাড়ছে বইয়ের দাম বইমেলা এলেই একটা কথা হাওয়ায় ভেসে বেড়ায়। কোন স্টলে ডিসকাউন্ট কত?‌ কেউ কেউ বলেন, কলেজ স্ট্রিটে কুড়ি পার্সেন্ট ডিসকাউন্ট দেয়, বইমেলায় দশ কেন হবে?‌...

বেঙ্গল টাইমস। ২১ ফেব্রুয়ারি সংখ্যা

বেঙ্গল টাইমস। ২১ ফেব্রুয়ারি সংখ্যা। রাজনীতি, সাহিত্য, বিনোদন, খেলা, ভ্রমণ ও নানা আকর্ষণীয় বিভাগ নিয়ে ৪০ পাতার ই–‌ম্যাগাজিন। পিডিএফ আপলোড করা আছে। ওয়েব লিঙ্কও দেওয়া আছে। ক্লিক করলেই অনায়াসে পড়া যাবে।

আ মরি বাংলা ভাষা

একুশে ফেব্রুয়ারি তাই নিছক পাঞ্জাবি পরার দিন নয়। হোয়াটস্‌অ্যাপে কয়েকটা চেনাজানা মেসেজ ফরোয়ার্ড করার দিন নয়। এই দিনটা একটু একটু করে বাঙালি হয়ে ওঠার দিন। এবারের একুশে ফেব্রুয়ারি না হয় সেই অভিমুখে একটু একটু করে পথ চলা শুরু হোক।

ওই যে, বু্দ্ধিজীবীরা চুপ করে আছেন

যেখানে যেখানে বিজেপি–‌র বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে পারত, যেখানে যেখানে কেন্দ্রের অপদার্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারত, সুকৌশলে সেগুলো ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বুদ্ধিজীবীদের দিকে। আর বামেরাও দিব্যি তালে তাল দিয়ে যাচ্ছেন। ভাবছেন, ফেসবুকে বুদ্ধিজীবীদের গাল পেড়ে, বা গালাগাল দেওয়া পোস্টে লাইক দিয়ে বিপ্লব আনবেন।
কোন ফাঁদে পা দিচ্ছেন, বোঝার বুদ্ধিটুকুও হারিয়ে ফেলেছেন। ধন্যি জুকেরবার্গ। কী অদ্ভুত একটা জিনিস বানিয়েছেন। শুধু একটা ফেসবুক, মানুষের চিন্তা–‌চেতনাকে কতখানি নির্বোধ বানিয়ে দিতে পারে।

কিছু হলেই কৌশিক সেন নামটা উঠে আসে কেন?‌

যে কৌশিক সেন গত বারো–‌তেরো বছরে তাঁর মতো করে লড়ে চলেছেন। যে কৌশিক সেন শাসকের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেননি। যে কৌশিক সেন শাসকের দাক্ষিণ্যের পরোয়া করেননি। যে কৌশিক সেন পেশাগত এত ক্ষতিস্বীকার করেও তাঁর মতো করে প্রতিবাদ করে চলেছেন। সেই প্রতিবাদ সম্মান জানানো তো দূরে থাক, প্রতিনিয়ত ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে। কিছু লোক আছেন, গালাগাল দেওয়াটাই যাঁদের কাজ। কিন্তু বাকিরা না বুঝেই তাতে সামিল হয়ে যাচ্ছেন। তখন সেই গালাগালটাই মূলস্রোত হয়ে পড়ছে।

ইদ্রিশ আলির চিঠি কখনই জ্যোতিবাবুর কাছে পৌঁছত না

এভাবেই খবরে ভেসে থাকতেন ইদ্রিশ আলি। খবরে থাকতে কত চিঠি যে লিখেছেন। ঠিকঠাক জমিয়ে রাখতে পারলে হয়তো গিনেস বুকে নামও উঠে যেত। আজ যখন চিঠি লেখা একরকম হারিয়েই গেছে, তখন ইদ্রিশ আলির মতো কেউ তো ছিলেন, যিনি খবরে থাকতে চিঠিতেই ভরসা রেখেছিলেন।

স্পিকার মশাইয়ের দোষ নেই

দোষটা স্পিকার মশাইয়ের নয়। তিনি কিন্তু বছরের পর বছর এই ‘‌গিলোটিন’‌ এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন। গিলোটিনে পাঠানোর রেকর্ডও করে ফেলেছেন। তিনি কতখানি অর্বাচীন, এই নমুনা তিনি রেখেই চলেছেন। বুঝিনি আমরাই। এ দায় একান্তই আমাদের।